ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাইনিজ স্ক্যামারদের কাছে তরুণদের ডলারে বিক্রি
বিআরটিএর ওয়েবসাইট ক্লোন: এআই ক্যামেরার ভুয়া মামলায় গচ্চা লাখ লাখ টাকা, বিদেশি চক্রের ফাঁদ
শিশুশ্রম রোধে প্রয়োজন শক্তিশালী জন্ম নিবন্ধন আইন
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ
তোফায়েল আহমেদ: ইতিহাসের এক অবিনাশী অধ্যায়
দূষণের মাত্রা বেড়েছে ঢাকার বাতাসে
শিশু হত্যা ও ধর্ষণ: রাষ্ট্রের ব্যর্থতা নাকি সমাজের অবক্ষয়?
হামে রেকর্ডসংখ্যক মৃত্যুতেও সরকারের সাফল্য দেখছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে কয়েকশ মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়লেও সরকারের টিকাদান কার্যক্রমকে ‘উদযাপনযোগ্য সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
২১শে জুন, রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পেরেছে সরকার, যা জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
তিনি জানান, গত ১৬ই মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং ৫ই এপ্রিল থেকে হামের গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়।
তার ভাষায়, “আমাদের মতো জনবহুল দেশে এত বড় পরিসরে স্বল্প সময়ে টিকাদান সম্পন্ন করা জনস্বাস্থ্যের ইতিহাসে একটি অসাধারণ ঘটনা। এটি সরকারের
একটি সাফল্য এবং সেই সাফল্য উদযাপন করা উচিত।” তবে দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে রেকর্ডসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে সরকারের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। সংবাদ সম্মেলনে জিয়াউদ্দিন হায়দার টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহে অবহেলার বিষয়টিও স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের টিকাদান কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পুরোপুরি বাদ পড়ে গেছে। তার মতে, ভ্যাকসিন সংগ্রহের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহেও ঘাটতি ছিল। তিনি বলেন, “গাফিলতি তো আছেই। এটা আমরা স্বীকার করছি। ভ্যাকসিনের কোনো প্রকিউরমেন্ট হয়নি। পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহেও ব্যর্থতা ছিল। এখানে অবহেলা হয়েছে, এটা
নিঃসন্দেহে বলা যায়। তবে এর জন্য আলাদা তদন্তের প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।” সরকারি এই বক্তব্য প্রকাশের পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। নেটিজেন, স্বাস্থ্য অধিকারকর্মী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনার মধ্যেও কীভাবে সরকার এটিকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৬৮০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সমালোচকদের একটি বড় অংশ বলছেন, ১৬ই মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর গণটিকাদান শুরু করতে প্রায় ২০ দিন সময় লেগেছে। তাদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলে আরও অনেক প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হতে পারত। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা অবশ্যই ইতিবাচক দিক। তবে একই সঙ্গে এত বড় সংখ্যক মৃত্যু ঠেকাতে না পারা স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতাকেও সামনে নিয়ে এসেছে। তাদের মতে, টিকাদান কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও প্রাণহানির বিষয়টি আড়াল করার সুযোগ নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে আত্মতুষ্টির বদলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকট এড়াতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
একটি সাফল্য এবং সেই সাফল্য উদযাপন করা উচিত।” তবে দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে রেকর্ডসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে সরকারের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। সংবাদ সম্মেলনে জিয়াউদ্দিন হায়দার টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহে অবহেলার বিষয়টিও স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের টিকাদান কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পুরোপুরি বাদ পড়ে গেছে। তার মতে, ভ্যাকসিন সংগ্রহের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহেও ঘাটতি ছিল। তিনি বলেন, “গাফিলতি তো আছেই। এটা আমরা স্বীকার করছি। ভ্যাকসিনের কোনো প্রকিউরমেন্ট হয়নি। পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহেও ব্যর্থতা ছিল। এখানে অবহেলা হয়েছে, এটা
নিঃসন্দেহে বলা যায়। তবে এর জন্য আলাদা তদন্তের প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।” সরকারি এই বক্তব্য প্রকাশের পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। নেটিজেন, স্বাস্থ্য অধিকারকর্মী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনার মধ্যেও কীভাবে সরকার এটিকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৬৮০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সমালোচকদের একটি বড় অংশ বলছেন, ১৬ই মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর গণটিকাদান শুরু করতে প্রায় ২০ দিন সময় লেগেছে। তাদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলে আরও অনেক প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হতে পারত। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা অবশ্যই ইতিবাচক দিক। তবে একই সঙ্গে এত বড় সংখ্যক মৃত্যু ঠেকাতে না পারা স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতাকেও সামনে নিয়ে এসেছে। তাদের মতে, টিকাদান কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও প্রাণহানির বিষয়টি আড়াল করার সুযোগ নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে আত্মতুষ্টির বদলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকট এড়াতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।



