ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
চাটখিলে দলিল লেখকদের ভোটযুদ্ধ: আওয়ামী লীগের ঘরে ৭ পদ, বিএনপির ৩
দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে থমকে থাকার পর অবশেষে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল ২০শে জুন, শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এই ভোটযুদ্ধ।
সমিতির মোট ৭৯ জন ভোটারের প্রত্যেকেই (শতভাগ) কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যা স্থানীয় রাজনীতি ও ভোটারদের মাঝে তীব্র আগ্রহের প্রমাণ দেয়।
এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে এই সমিতির নির্বাচন হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় এমপির ‘ডিও লেটার’ (চাহিদা পত্র) দিয়ে পকেট কমিটি গঠনের কারণে কোনো নির্বাচন হতে পারেনি বলে সাধারণ সদস্যদের তীব্র ক্ষোভ ছিল। এবার ব্যালটের মাধ্যমে সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটল।
আওয়ামী লীগের চমক, সভাপতি পদ
বিএনপির ঘরে ১১টি পদের বিপরীতে এবারের নির্বাচনে মোট ২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী না থাকলেও প্রধান দুই রাজনৈতিক শিবিরের লড়াই ছিল দেখার মতো। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলটি বড় চমক দেখিয়েছে। তারা কার্যনির্বাহী কমিটির ১১টি পদের মধ্যে ৭টিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভাপতি পদটি গেছে বিএনপির ঘরে। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। এছাড়া বাকি পদগুলোর মধ্যে ৩টিতে বিএনপি এবং ১টিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সমিতির আহ্বায়ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল মতিন গণনা শেষে বিকেলে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। ভোটের
মাঠের মূল আকর্ষণগুলো ছিল নিম্নরূপ: সভাপতি পদ: বিএনপি সমর্থিত জি এম ওমর ফারুক ৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সফিউল বাশার শেখ পেয়েছেন ৩৪ ভোট। • সাধারণ সম্পাদক পদ: ৭ জনের এই মেগা লড়াইয়ে মাত্র ২২ ভোট পেয়ে নাটকীয়ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. স্বপন পাটওয়ারী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলমগীর হোসেন পান ১৬ ভোট এবং মনির হোসেন মাহী পান ১৪ ভোট। • সিনিয়র সহ-সভাপতি: ৫০ ভোট পেয়ে বিশাল জয় পান মাহবুবুল আবরার। • সহ-সভাপতি: ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মো. আবুল কালাম। • সহ-সাধারণ সম্পাদক: ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মো. আবদুর রহিম। • সাংগঠনিক সম্পাদক: ৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান। •
কোষাধ্যক্ষ ও দপ্তর সম্পাদক: কোষাধ্যক্ষ পদে ইমাম হোসেন মুরাদ (৩৬ ভোট) এবং দপ্তর সম্পাদক পদে আনিছুর রহমান সজীব (৪৬ ভোট) নির্বাচিত হন। কার্যকরী সদস্য: ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে প্রথম ৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন— নূরুজ্জামান (৫৪ ভোট), রহমত উল্যাহ (৪২ ভোট) এবং আবদুল মন্নান কাওয়াল (৪০ ভোট)। দলমত ভুলে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার দীর্ঘ এক যুগ পর এমন উৎসবমুখর ভোট হওয়ায় চাটখিল সাব-রেজিস্ট্রার অফিস প্রাঙ্গণে প্রার্থী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উল্লাস দেখা যায়। নির্বাচনের এই ‘মিশ্র’ ফলাফলের পর নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা দলীয় পরিচয় ভুলে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা, দলিল লেখকদের
পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সমিতির সার্বিক উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছে এই নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি।
বিএনপির ঘরে ১১টি পদের বিপরীতে এবারের নির্বাচনে মোট ২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী না থাকলেও প্রধান দুই রাজনৈতিক শিবিরের লড়াই ছিল দেখার মতো। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলটি বড় চমক দেখিয়েছে। তারা কার্যনির্বাহী কমিটির ১১টি পদের মধ্যে ৭টিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভাপতি পদটি গেছে বিএনপির ঘরে। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। এছাড়া বাকি পদগুলোর মধ্যে ৩টিতে বিএনপি এবং ১টিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সমিতির আহ্বায়ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল মতিন গণনা শেষে বিকেলে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। ভোটের
মাঠের মূল আকর্ষণগুলো ছিল নিম্নরূপ: সভাপতি পদ: বিএনপি সমর্থিত জি এম ওমর ফারুক ৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সফিউল বাশার শেখ পেয়েছেন ৩৪ ভোট। • সাধারণ সম্পাদক পদ: ৭ জনের এই মেগা লড়াইয়ে মাত্র ২২ ভোট পেয়ে নাটকীয়ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. স্বপন পাটওয়ারী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলমগীর হোসেন পান ১৬ ভোট এবং মনির হোসেন মাহী পান ১৪ ভোট। • সিনিয়র সহ-সভাপতি: ৫০ ভোট পেয়ে বিশাল জয় পান মাহবুবুল আবরার। • সহ-সভাপতি: ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মো. আবুল কালাম। • সহ-সাধারণ সম্পাদক: ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মো. আবদুর রহিম। • সাংগঠনিক সম্পাদক: ৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান। •
কোষাধ্যক্ষ ও দপ্তর সম্পাদক: কোষাধ্যক্ষ পদে ইমাম হোসেন মুরাদ (৩৬ ভোট) এবং দপ্তর সম্পাদক পদে আনিছুর রহমান সজীব (৪৬ ভোট) নির্বাচিত হন। কার্যকরী সদস্য: ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে প্রথম ৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন— নূরুজ্জামান (৫৪ ভোট), রহমত উল্যাহ (৪২ ভোট) এবং আবদুল মন্নান কাওয়াল (৪০ ভোট)। দলমত ভুলে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার দীর্ঘ এক যুগ পর এমন উৎসবমুখর ভোট হওয়ায় চাটখিল সাব-রেজিস্ট্রার অফিস প্রাঙ্গণে প্রার্থী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উল্লাস দেখা যায়। নির্বাচনের এই ‘মিশ্র’ ফলাফলের পর নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা দলীয় পরিচয় ভুলে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা, দলিল লেখকদের
পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সমিতির সার্বিক উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছে এই নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি।





