ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানকে জয়ী বলছে ৯২% ইসরায়েলি, ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বেও সমর্থন
পাকিস্তানে আফগানিস্তানের পাল্টা বিমান হামলা, সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ
চুক্তিতে জয়-পরাজয়, ইরান ৭-১ যুক্তরাষ্ট্র
ছবি তোলা নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ালেন ট্রাম্প-মেলোনি
‘কারও সহানুভূতি নেই’, ইসরায়েলকে কড়া বার্তা ভ্যান্সের
একাত্তেরর লজ্জাজনক পরাজয়ের পর আবারও বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন
ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরানের বিজয়
সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক শুরু
কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডে অবশেষে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের বহুল প্রতীক্ষিত কূটনৈতিক আলোচনা। যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত রোডম্যাপ তৈরিতে এই দুই দেশের প্রতিনিধিদল মুখোমুখি বৈঠক শুরু করেছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনার শুরুর কথা জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও যুদ্ধাবস্থার অবসানে এই আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। আলোচনা সফল করতে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে এসে পৌঁছেছেন।
এবারের আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সুইজারল্যান্ডে পৌঁছে ইরানি প্রতিনিধিদলটি তাদের মূল উদ্দেশ্যের কথা
স্পষ্ট করেছে। তারা জানিয়েছে, তেহরানের প্রধান লক্ষ্য হলো—সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ যাতে যুদ্ধ বন্ধের এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির প্রতিটি শর্ত পুরোপুরি ও সঠিকভাবে মেনে চলে এবং তা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে। উপসাগরীয় দেশ কাতার এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের যৌথ মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই শান্তি আলোচনা দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
স্পষ্ট করেছে। তারা জানিয়েছে, তেহরানের প্রধান লক্ষ্য হলো—সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ যাতে যুদ্ধ বন্ধের এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির প্রতিটি শর্ত পুরোপুরি ও সঠিকভাবে মেনে চলে এবং তা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে। উপসাগরীয় দেশ কাতার এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের যৌথ মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই শান্তি আলোচনা দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।



