ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারখানা থেকে বিশ্বকাপ, হার না মানা এক ‘সুপার সাব’ উনদাভ
রাফিনিয়ার পজিশনে কাকে পছন্দ আনচেলত্তির?
গোল্ডেন বুট দৌড়ে এখন পর্যন্ত কে এগিয়ে
রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করল জার্মানি
পর্তুগাল দলে দলাদলির ইঙ্গিত
বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘সুদর্শন’ ডি পল, সেরা পাঁচে কারা
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পেজ থেকে জুয়ার বিজ্ঞাপন, হ্যাকের অভিযোগ
জার্মানির ফুটবলীয় সৌজন্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন আইভরিকোস্ট কোচের
প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জার্মানির কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে আইভরিকোস্ট। মাঠের এই হার ছাপিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রে ইউরোপীয় পরাশক্তিদের ‘ফেয়ার প্লে’র অভাব এবং ঔদ্ধত্য। ম্যাচ শেষে জার্মানির খেলোয়াড়দের ফুটবলীয় সৌজন্যবোধ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন আইভরিকোস্টের কোচ এমার্স ফায়ে।
ম্যাচের একটি বিশেষ মুহূর্তে আইভরিকোস্টের উইলফ্রেড সিঙ্গো চোট পেয়ে মাঠে পড়ে থাকলে বল বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু খেলা পুনরায় শুরু হলে জার্মান ফুটবলাররা প্রচলিত সৌজন্যতা ভেঙে বল ফেরত না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন ফায়ে। ম্যাচ শেষে জার্মানদের এমন আচরণের সমালোচনা করে আইভরিকোস্ট কোচ বলেন, ‘জার্মানির মতো এত বড় একটি দলের কাছ থেকে আমরা একটু বেশি ‘ফেয়ার প্লে’ আশা করেছিলাম। তাদের এমন
আচরণে আমি কিছুটা হতাশ ও ক্ষুব্ধ।’ শুধু ফেয়ার প্লের অভাবই নয়, জার্মান লেফট-ব্যাক ন্যাথানিয়েল ব্রাউনের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এমার্স ফায়ে। ম্যাচ শেষে ব্রাউনকে কিছুটা বিনয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ও (ব্রাউন) দারুণ ম্যাচ খেলেছে, কোনো সন্দেহ নেই। ও খুব বড় একটা ক্লাবে খেলে, তবে আমার মনে হয় আমাদের দল বা খেলোয়াড়দের নিয়ে ওর কটু কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না। বড় খেলোয়াড় হতে হলে বিনয়ী হতে শিখতে হয়।’ চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচটি হেরে গেলেও নিজের দলের খেলায় বেশ কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন আইভরিকোস্ট বস। ৯০ মিনিটের লড়াই শেষে শিষ্যদের পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দলের
বিরুদ্ধে আমরা দারুণ পারফর্ম করেছি। আমরা প্রথমে গোল করেছি এবং পরে ব্যবধান ২-১ করারও ভালো সুযোগ তৈরি করেছিলাম। ছেলেদের এমন লড়াকু মানসিকতায় আমি গর্বিত।’ পরাজয়ের মূল কারণ হিসেবে ফায়ে বলেন, ‘জার্মানি মূলত তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে। ম্যাচের ভালো ও খারাপ সময়গুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা ওরা জানে। দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের ভালো সময়ে যদি আমরা দ্বিতীয় গোলটা পেয়ে যেতাম, তবে ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতো। অথচ ওরা সুযোগ পেয়েই গোল আদায় করে নিয়েছে।’ জার্মানির কাছে হারলেও শেষ ষোলোর সমীকরণে এখনো টিকে আছে আইভরিকোস্ট। আগামী বৃহস্পতিবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ পুঁচকে কুরাসাও। সেই ম্যাচটি নিয়ে ফায়ে বলেন, ‘আমরা মোটেও আশা করছি না যে
কুরাসাও আমাদের সহজে জয় উপহার দেবে। মাঠের ভেতর এটি একটি যুদ্ধ হতে যাচ্ছে, এক চরম লড়াই। তবে ইতিবাচক দিক হলো, আমাদের ভাগ্য এখনো আমাদের নিজেদের পায়েই আছে। বৃহস্পতিবার জিতলেই আমরা নকআউটে যাব।’
আচরণে আমি কিছুটা হতাশ ও ক্ষুব্ধ।’ শুধু ফেয়ার প্লের অভাবই নয়, জার্মান লেফট-ব্যাক ন্যাথানিয়েল ব্রাউনের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এমার্স ফায়ে। ম্যাচ শেষে ব্রাউনকে কিছুটা বিনয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ও (ব্রাউন) দারুণ ম্যাচ খেলেছে, কোনো সন্দেহ নেই। ও খুব বড় একটা ক্লাবে খেলে, তবে আমার মনে হয় আমাদের দল বা খেলোয়াড়দের নিয়ে ওর কটু কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না। বড় খেলোয়াড় হতে হলে বিনয়ী হতে শিখতে হয়।’ চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচটি হেরে গেলেও নিজের দলের খেলায় বেশ কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন আইভরিকোস্ট বস। ৯০ মিনিটের লড়াই শেষে শিষ্যদের পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দলের
বিরুদ্ধে আমরা দারুণ পারফর্ম করেছি। আমরা প্রথমে গোল করেছি এবং পরে ব্যবধান ২-১ করারও ভালো সুযোগ তৈরি করেছিলাম। ছেলেদের এমন লড়াকু মানসিকতায় আমি গর্বিত।’ পরাজয়ের মূল কারণ হিসেবে ফায়ে বলেন, ‘জার্মানি মূলত তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে। ম্যাচের ভালো ও খারাপ সময়গুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা ওরা জানে। দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের ভালো সময়ে যদি আমরা দ্বিতীয় গোলটা পেয়ে যেতাম, তবে ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতো। অথচ ওরা সুযোগ পেয়েই গোল আদায় করে নিয়েছে।’ জার্মানির কাছে হারলেও শেষ ষোলোর সমীকরণে এখনো টিকে আছে আইভরিকোস্ট। আগামী বৃহস্পতিবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ পুঁচকে কুরাসাও। সেই ম্যাচটি নিয়ে ফায়ে বলেন, ‘আমরা মোটেও আশা করছি না যে
কুরাসাও আমাদের সহজে জয় উপহার দেবে। মাঠের ভেতর এটি একটি যুদ্ধ হতে যাচ্ছে, এক চরম লড়াই। তবে ইতিবাচক দিক হলো, আমাদের ভাগ্য এখনো আমাদের নিজেদের পায়েই আছে। বৃহস্পতিবার জিতলেই আমরা নকআউটে যাব।’



