ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও শিশুর ৩ মৃত্যু, প্রাণ হারাচ্ছেন প্রাপ্তবয়ষ্করাও
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৬৭২
গণহারে পোলট্রি খামার ডেকে আনছে যে বিপদ!
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আগস্ট থেকে প্রকোপ বাড়ার শঙ্কা
হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮২৫
হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৩ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-সংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশে চলতি বছরের শুরুতে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও গত ১৫ মার্চ থেকে নিয়মিত এর তথ্য দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অদ্যাবধি সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯২ হাজার ৭৯০। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ১১ জন। এ সময়ে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৮৭ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৮০ জনের।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৬ হাজার ৮৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৪৯ জন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের পদক্ষেপগুলো দেরিতে এসেছে। বিশেষ করে হামের জন্য সরকারিভাবে পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট প্রটোকল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে উপজেলা হাসপাতাল থেকে শুরু করে বেসরকারি হাসপাতাল পর্যন্ত চিকিৎসকরা সমন্বিত নির্দেশনা পাচ্ছেন না। এ ছাড়া শিশুমৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণে কোনো ডেথ রিভিউ বা ক্লিনিক্যাল অডিটও হচ্ছে না। এতে একই ভুল বারবার হওয়ার ঝুঁকি থাকছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, শুধু আইসিইউ বাড়ালেই হবে না।
দক্ষ জনবল ছাড়া আইসিইউ কার্যকর হয় না। আমাদের বিদ্যমান আইসিইউগুলোকে শিশু উপযোগী করতে হবে এবং অক্সিজেন সাপোর্ট সহজলভ্য করতে হবে। তিনি আরও বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুকে আইসিইউ পর্যন্ত যেতে না দেওয়াই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। উপজেলা পর্যায়ে দ্রুত শনাক্তকরণ, অক্সিজেন থেরাপি এবং কমিউনিটি পর্যায়ে আইসোলেশন নিশ্চিত করা জরুরি।
অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৬ হাজার ৮৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৪৯ জন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের পদক্ষেপগুলো দেরিতে এসেছে। বিশেষ করে হামের জন্য সরকারিভাবে পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট প্রটোকল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে উপজেলা হাসপাতাল থেকে শুরু করে বেসরকারি হাসপাতাল পর্যন্ত চিকিৎসকরা সমন্বিত নির্দেশনা পাচ্ছেন না। এ ছাড়া শিশুমৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণে কোনো ডেথ রিভিউ বা ক্লিনিক্যাল অডিটও হচ্ছে না। এতে একই ভুল বারবার হওয়ার ঝুঁকি থাকছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, শুধু আইসিইউ বাড়ালেই হবে না।
দক্ষ জনবল ছাড়া আইসিইউ কার্যকর হয় না। আমাদের বিদ্যমান আইসিইউগুলোকে শিশু উপযোগী করতে হবে এবং অক্সিজেন সাপোর্ট সহজলভ্য করতে হবে। তিনি আরও বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুকে আইসিইউ পর্যন্ত যেতে না দেওয়াই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। উপজেলা পর্যায়ে দ্রুত শনাক্তকরণ, অক্সিজেন থেরাপি এবং কমিউনিটি পর্যায়ে আইসোলেশন নিশ্চিত করা জরুরি।



