ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাভারে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
ব্যবসায়ী থেকে চাঁদার টাকা আনতে যাওয়া বিএনপির ২ নেতাকে গণপিটুনি, মুচলেকায় মুক্তি
খুবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ
চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী-শ্বশুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
গভীর রাতে পরস্ত্রীর বিছানা থেকে হাতেনাতে আটক মসজিদের ইমাম, অতঃপর…
ত্রাণের টাকা লোপাট করলেন জামায়াত এমপির এপিএস-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা মিলে
উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রের ওপর হামলা
এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক জুলাইযোদ্ধাকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ, করতেন মাদকবিরোধী সংগঠনও
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী পুরান লাউড়েরগড় এলাকায় ইয়াবার একটি চালানসহ এক জুলাইযোদ্ধাকে আটকের ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১৬ই জুন, মঙ্গলবার রাতে সীমান্ত এলাকা থেকে ফেরার সময় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ তার হেফাজতে নেয়।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক যুবকের নাম হিমেল। তিনি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের ছাতারকোণা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। হিমেল একজন জুলাইযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়রা জানান, হিমেল দীর্ঘদিন ধরে ভারত সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাতে তাহিরপুর উপজেলার সীমান্ত গ্রাম পুরান লাউড়েরগড় মাদরাসার সামনে মোটরসাইকেলে
করে ফেরার সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছে ইয়াবা পাওয়া যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হিমেল আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। তিনি নিজেকে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তারা জানান, হিমেলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে সাধারণ মানুষকে আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ ট্যাগ দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করত। মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে মানুষের কাছ থকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন হিমেল। আটকের পর স্থানীয় জনতা তাকে একটি দোকানঘরের বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে মারধরও করে। পরে খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং জব্দ করা মাদকসহ থানায় নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, “এলাকার মানুষ বিশ্বম্ভরপুরের যুবক হিমেলকে আটক করে। তার কাছে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ডেকে তাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। সে ভারত থেকে ইয়াবার চালান এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়।” তিনি আরও বলেন, “আটকের পর পরিস্থিতি খুব উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। আমরা এগিয়ে না এলে জনতা তাকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলতে পারত।” ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ বলেন, “হিমেল একজন জুলাইযোদ্ধা। জুলাই আন্দোলনের সময় মিটিং-মিছিল করেছে। তার ভাই তোফায়েল আহমদ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ম সদস্যসচিব। ইয়াবার
চালানসহ হিমেল তাহিরপুরের লাউড়েরগড় সীমান্ত এলাকায় আটক হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। ৫ই আগস্টের পর সে অনেক নিরীহ মানুষকে নির্যাতন করেছে বলেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।” বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, ৫ই আগস্টের পর হিমেল মাদকবিরোধী সংগঠনও তৈরি করে। এর আড়ালে সে নিজেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগে মামলা দিয়ে হয়রানি করত। ফলে এলাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলত না। বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, “হিমেলের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী সংগঠনের ব্যানারে মাদক কারবারের অভিযোগ আছে। দুপুরে হিমেল ও সোহাগকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।”
করে ফেরার সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছে ইয়াবা পাওয়া যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হিমেল আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। তিনি নিজেকে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তারা জানান, হিমেলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে সাধারণ মানুষকে আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ ট্যাগ দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করত। মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে মানুষের কাছ থকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন হিমেল। আটকের পর স্থানীয় জনতা তাকে একটি দোকানঘরের বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে মারধরও করে। পরে খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং জব্দ করা মাদকসহ থানায় নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, “এলাকার মানুষ বিশ্বম্ভরপুরের যুবক হিমেলকে আটক করে। তার কাছে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ডেকে তাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। সে ভারত থেকে ইয়াবার চালান এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়।” তিনি আরও বলেন, “আটকের পর পরিস্থিতি খুব উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। আমরা এগিয়ে না এলে জনতা তাকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলতে পারত।” ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ বলেন, “হিমেল একজন জুলাইযোদ্ধা। জুলাই আন্দোলনের সময় মিটিং-মিছিল করেছে। তার ভাই তোফায়েল আহমদ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ম সদস্যসচিব। ইয়াবার
চালানসহ হিমেল তাহিরপুরের লাউড়েরগড় সীমান্ত এলাকায় আটক হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। ৫ই আগস্টের পর সে অনেক নিরীহ মানুষকে নির্যাতন করেছে বলেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।” বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, ৫ই আগস্টের পর হিমেল মাদকবিরোধী সংগঠনও তৈরি করে। এর আড়ালে সে নিজেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগে মামলা দিয়ে হয়রানি করত। ফলে এলাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলত না। বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, “হিমেলের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী সংগঠনের ব্যানারে মাদক কারবারের অভিযোগ আছে। দুপুরে হিমেল ও সোহাগকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।”



