ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিশুকে ধর্ষণের দায়ে কৃষকের যাবজ্জীবন
শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!
আইনি সেবায় নতুন দিগন্ত: বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন এখন সবার নাগালে- এক ক্লিকেই
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
বিদিশা সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে বাধা ‘টেকনিক্যাল মব’: মনজিল মোরসেদ
গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতা জিসানের পক্ষে দাঁড়ানো দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় কারাগারে থাকা বহিষ্কৃত ছাত্রশিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় কুমিল্লার দুই সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি)-এর নিয়োগ বাতিল করেছে আইন মন্ত্রণালয়।
আজ ১৮ই জুন, বৃহস্পতিবার আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইনের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাদের নিয়োগ বাতিলের বিষয়টি জানানো হয়।
নিয়োগ বাতিল হওয়া দুই আইনজীবী হলেন কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম। তারা দুজনই জিসান মিয়া প্রধানের পক্ষে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
অফিস আদেশে বলা হয়, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে তাদের
নিয়োগ সংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হলো এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রসঙ্গত, গত ১১ই জুন রাতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা পশ্চিম অঞ্চলের সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন বলে তার পরিবার দাবি করে। পরদিন দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। ওই দিন রাতেই লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১৩ই জুন জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী বাদী হয়ে জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৫–৬ মাস আগে ফেসবুকে তাদের পরিচয়
হয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০শে মে দাউদকান্দির একটি ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ওই নারী গর্ভবতী হলে জিসান তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য ওষুধ পাঠান। এতে শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে পরে আবারও ওষুধ পাঠানো হয়। পরে ভুক্তভোগী বিয়ের দাবি করলে জিসান ও তার সহযোগীরা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ই জুন জিসান মিয়া প্রধানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নিয়োগ সংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হলো এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রসঙ্গত, গত ১১ই জুন রাতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা পশ্চিম অঞ্চলের সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন বলে তার পরিবার দাবি করে। পরদিন দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। ওই দিন রাতেই লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১৩ই জুন জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী বাদী হয়ে জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৫–৬ মাস আগে ফেসবুকে তাদের পরিচয়
হয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০শে মে দাউদকান্দির একটি ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ওই নারী গর্ভবতী হলে জিসান তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য ওষুধ পাঠান। এতে শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে পরে আবারও ওষুধ পাঠানো হয়। পরে ভুক্তভোগী বিয়ের দাবি করলে জিসান ও তার সহযোগীরা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ই জুন জিসান মিয়া প্রধানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।



