ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
অতিদরিদ্রদের জন্য সরকারি প্রকল্প— যার মূল লক্ষ্য গ্রামীণ অভাবী মানুষের মুখে অন্ন জোগানো। কিন্তু বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নে এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পেই ঘটেছে এক অবিশ্বাস্য লঙ্কাকাণ্ড। খাতা-কলমে যেখানে থাকার কথা ছিল হতদরিদ্র দিনমজুরদের নাম, সেখানে শ্রমিক হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন খোদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্কুল শিক্ষক, চাকরিজীবী এবং সুদূর মালয়েশয়ায় থাকা প্রবাসী!
সরকারি প্রকল্পে এমন সাগরসম জালিয়াতির ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলার ‘খুপি হাড়িভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছ থেকে আটবাড়িয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প পর্যন্ত খাল পুনঃখনন’ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। গত ৫ই মে বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলটন এই কাজের
উদ্বোধন করেন। নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে ২৯৭ জন শ্রমিকের কাজ করার কথা। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। মানুষ দিয়ে খনন করার নিয়ম থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে খননকারী স্ক্যাভেটর মেশিন। আর মাত্র ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক কোদাল দিয়ে খালের পাড় বাঁধছেন। উদ্বোধনের পর থেকেই হাওয়া হয়ে গেছেন সিংহভাগ শ্রমিক। অনুসন্ধানে শ্রমিকের তালিকায় যে ধরনের নাম পাওয়া গেছে, তা রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো। জানা যায, তালিকায় ১ নম্বর ‘দিনমজুর’ হিসেবে নাম পাওয়া যায় সোনারায় ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাজা মন্ডলের। জামিরবাড়িয়া গ্রামের মামুনের নাম রয়েছে তালিকায়, যিনি বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তালিকায় দেওয়া নম্বরটি তার ছোট ভাইয়ের। স্থানীয় ইউপি মেম্বার হজরত আকন্দের
নাম যেমন শ্রমিকের তালিকায় আছে, তেমনই তার দুই ছেলে—রুহুল আমিন ও স্কুল শিক্ষক রবিউল ইসলাম আকন্দও এখানে ‘শ্রমিক’। এই বিষয়ে স্কুল শিক্ষক রবিউল ইসলাম আকন্দ অকপটে গণমাধ্যমে বলেন, “এই খাল খনন প্রকল্পে দুজন ভিআইপি শ্রমিক রয়েছেন, যার মধ্যে আমি একজন।” চরম এই জালিয়াতি ফাঁসের পর সোনারায় ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাজা মন্ডল আত্মপক্ষ সমর্থন করে আজব যুক্তি দিয়েছেন। তার দাবি, তালিকায় শ্রমিক ঘাটতি থাকায় পরিষদের হিসাব সহকারী তড়িঘড়ি করে তাদের নাম দিয়েছিলেন। পরে জানাজানি হলে তালিকা সংশোধন করা হয়। তবে মজার ব্যাপার হলো, সংশোধিত তালিকায় চেয়ারম্যান নিজের নাম বাদ দিয়ে সেখানে তার ছোট ভাই রাজু মণ্ডলের নাম ঢুকিয়েছেন! গাবতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মজিদুল ইসলাম
শ্রমিক তালিকায় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও প্রবাসীদের নাম থাকার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নজরে আসার পর তালিকা সংশোধন করা হয়েছে এবং অর্থবছর শেষ হওয়ায় বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে
উদ্বোধন করেন। নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে ২৯৭ জন শ্রমিকের কাজ করার কথা। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। মানুষ দিয়ে খনন করার নিয়ম থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে খননকারী স্ক্যাভেটর মেশিন। আর মাত্র ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক কোদাল দিয়ে খালের পাড় বাঁধছেন। উদ্বোধনের পর থেকেই হাওয়া হয়ে গেছেন সিংহভাগ শ্রমিক। অনুসন্ধানে শ্রমিকের তালিকায় যে ধরনের নাম পাওয়া গেছে, তা রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো। জানা যায, তালিকায় ১ নম্বর ‘দিনমজুর’ হিসেবে নাম পাওয়া যায় সোনারায় ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাজা মন্ডলের। জামিরবাড়িয়া গ্রামের মামুনের নাম রয়েছে তালিকায়, যিনি বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তালিকায় দেওয়া নম্বরটি তার ছোট ভাইয়ের। স্থানীয় ইউপি মেম্বার হজরত আকন্দের
নাম যেমন শ্রমিকের তালিকায় আছে, তেমনই তার দুই ছেলে—রুহুল আমিন ও স্কুল শিক্ষক রবিউল ইসলাম আকন্দও এখানে ‘শ্রমিক’। এই বিষয়ে স্কুল শিক্ষক রবিউল ইসলাম আকন্দ অকপটে গণমাধ্যমে বলেন, “এই খাল খনন প্রকল্পে দুজন ভিআইপি শ্রমিক রয়েছেন, যার মধ্যে আমি একজন।” চরম এই জালিয়াতি ফাঁসের পর সোনারায় ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাজা মন্ডল আত্মপক্ষ সমর্থন করে আজব যুক্তি দিয়েছেন। তার দাবি, তালিকায় শ্রমিক ঘাটতি থাকায় পরিষদের হিসাব সহকারী তড়িঘড়ি করে তাদের নাম দিয়েছিলেন। পরে জানাজানি হলে তালিকা সংশোধন করা হয়। তবে মজার ব্যাপার হলো, সংশোধিত তালিকায় চেয়ারম্যান নিজের নাম বাদ দিয়ে সেখানে তার ছোট ভাই রাজু মণ্ডলের নাম ঢুকিয়েছেন! গাবতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মজিদুল ইসলাম
শ্রমিক তালিকায় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও প্রবাসীদের নাম থাকার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নজরে আসার পর তালিকা সংশোধন করা হয়েছে এবং অর্থবছর শেষ হওয়ায় বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে



