ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছাত্রীদের গভীর রাতে অশালীন বার্তা প্রেরণ: ‘ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ ডিলিট হয়ে গেছে’ দাবি খুবি শিক্ষকের
আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন প্রধান শিক্ষক
এইচএসসিতেও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি: সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন নির্দেশনা জারি
বিনামূল্যের প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হলো পরীক্ষা ফি — গরিব শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার আশঙ্কা
শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ
শিক্ষায় বরাদ্দ ২ শতাংশে উন্নীত, স্বাগত জানালেন শিক্ষাবিদরা
২০২৮ থেকে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হতে যাওয়া চার নতুন বিষয়ে যা থাকবে
ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া খুবি অধ্যাপকের কুশপুত্তলিকা দাহ, জুতা নিক্ষেপ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজ বিভাগের ছাত্রীকে অশালীন বাক্য প্রদান ও কুপ্রস্তাবের দায় এড়ানোর চেষ্টা করায় এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক রেজাউল ইসলামের কুশপুত্তলিকা দাহ ও জুতা নিক্ষেপ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এ সময় রেজাউল ইসলামের গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে এ বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, রেজাউল ইসলাম তার উপরে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার মোবাইলটি হারিয়ে গেছে গত ফেব্রুয়ারিতে। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। এসব অপপ্রচার শুরু হওয়ার পরে আমার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিয়েছি। এ বিষয়ে থানায় জিডি করা হলেও এখনো
ফোনটি উদ্ধার হয়নি। ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসেবে আমি অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি এবং শিক্ষার্থীদের কিছু নিয়মের বাইরে যেতে বাধা দিয়েছি। মূলত ঈর্ষা ও শত্রুতা থেকেই আমার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, সত্য ঘটনা এড়ানোর জন্য তিনি মোবাইল হারানোর কথা বলেন যা নিন্দনীয়। তিনি আমাদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রেখেছেন। ফেসবুকে কানেক্ট থেকেছেন। অভিযোগ ওঠার পরেই ফেসবুক ডিলিট করেন। এর আগে সবকিছুই তার নিয়ন্ত্রণে ছিল। শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, এমন শিক্ষকের কাছ থেকে আমরা আর শিক্ষা গ্রহণ করতে চাই না। প্রতিবারই একেকজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন অশালীন কথাবার্তা ও হেনস্তার শিকার হন এখানের শিক্ষার্থীরা। প্রতিবারই বিচারের নামে প্রহসন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিচারের
নামে সাময়িক বহিষ্কার করে অবকাশে পাঠানোর কোনো মানে হয় না। আমরা শিক্ষক রেজাউল ইসলামের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানাই। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উত্ত্যক্ত করা মেসেজ সংবলিত প্রমাণপত্রসহ লিখিত অভিযোগ করে ওই শিক্ষকের অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মেসেঞ্জারে অশালীন বাক্য প্রয়োগ ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরে তাকে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আরও কয়েকজনকে একইভাবে দেওয়া কুপ্রস্তাব ও অশালীন বাক্য প্রদানের ঘটনা সামনে আসে।
ফোনটি উদ্ধার হয়নি। ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসেবে আমি অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি এবং শিক্ষার্থীদের কিছু নিয়মের বাইরে যেতে বাধা দিয়েছি। মূলত ঈর্ষা ও শত্রুতা থেকেই আমার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, সত্য ঘটনা এড়ানোর জন্য তিনি মোবাইল হারানোর কথা বলেন যা নিন্দনীয়। তিনি আমাদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রেখেছেন। ফেসবুকে কানেক্ট থেকেছেন। অভিযোগ ওঠার পরেই ফেসবুক ডিলিট করেন। এর আগে সবকিছুই তার নিয়ন্ত্রণে ছিল। শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, এমন শিক্ষকের কাছ থেকে আমরা আর শিক্ষা গ্রহণ করতে চাই না। প্রতিবারই একেকজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন অশালীন কথাবার্তা ও হেনস্তার শিকার হন এখানের শিক্ষার্থীরা। প্রতিবারই বিচারের নামে প্রহসন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিচারের
নামে সাময়িক বহিষ্কার করে অবকাশে পাঠানোর কোনো মানে হয় না। আমরা শিক্ষক রেজাউল ইসলামের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানাই। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উত্ত্যক্ত করা মেসেজ সংবলিত প্রমাণপত্রসহ লিখিত অভিযোগ করে ওই শিক্ষকের অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মেসেঞ্জারে অশালীন বাক্য প্রয়োগ ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরে তাকে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আরও কয়েকজনকে একইভাবে দেওয়া কুপ্রস্তাব ও অশালীন বাক্য প্রদানের ঘটনা সামনে আসে।



