ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এসির সঙ্গে ফ্যান চালালে কি সত্যিই বিদ্যুৎ বিল কমে?
অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার বাড়াতে পারে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি
ত্বকের সতেজতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ম্যাগনেসিয়াম
ওজন কমানোর ওষুধ নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি
তরমুজের বীজ খেয়ে ফেললে কী হতে পারে?
গাড়ির উলটো দিকে বসলেই বমি? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার
টয়লেটের দুর্গন্ধ দ্রুত দূর করার উপায় জানুন
পুদিনা পাতা খাওয়া কতটা উপকারী
পুদিনা একটি জনপ্রিয় ভেষজ । এটি এশিয়া এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের কিছু অংশে জন্মে। পুদিনা ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের একটি ভালো উৎস। রান্নায় বা পানীয়তে এই পাতা ব্যবহার করলে তা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় পুদিনা পাতাকে জাদুকরী ভেষজ বলা হয়। এর অনেক কারণও রয়েছে। পুদিনা পাতার কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা কথা তুলে ধরা হয়েছে ‘হেলদি বিল্ডার্স’ এর এক প্রতিবেদনে। যেমন-
ওজন কমাতে সহায়ক
যারা ওজন কমানোর পরিকল্পনা করছেন, তারা পুদিনা পাতা খাদ্যতালিকায় যোগ করতে পারেন। এটি চিনিযুক্ত খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা কমাতে সহায়তা করে। এটি খেলে পেট ভরার অনুভূতি হয়। তখন অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। এই ভেষজটি মুখকে সতেজ ও পরিষ্কার অনুভূতি
দেয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় পুদিনাকে জাদুকরী ভেষজ হিসেবে বিবেচনা করার আরেকটি কারণ হলো, এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং এমনকি শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুগুলির নিরাময় প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েডও রয়েছে, যা আপনার দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডকে কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা থেকে রক্ষা করে। মন ও শরীরকে সতেজ করে পুদিনার উদ্দীপক গন্ধের কারণে শরীর ও মন সতেজ হয়। এর ফলে কর্মক্ষমতাও বাড়ে। হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করে পুদিনা কপার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো বিভিন্ন খনিজেরও একটি ভালো উৎস। ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম উভয়ই হাড়ের
জন্য উপকারী। ১০০ গ্রাম পুদিনা খেলে ৬০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম এবং ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। পুদিনায় ফসফরাসও থাকে যা হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পুদিনা খাওয়ার আরেকটি উপকারিতা হলো এতে আয়রন থাকে, যা রক্তকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে পুদিনা, যেমন স্পিয়ারমিন্ট, চকোলেট মিন্ট এবং পেপারমিন্টে ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে যা ত্বকের মাধ্যমে সহজেই শোষিত হয়ে রক্তপ্রবাহ এবং পেশিতে প্রবেশ করতে পারে। এটি শরীরে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন নিঃসরণ করে, যা অস্থিসন্ধি এবং পেশির প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
দেয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় পুদিনাকে জাদুকরী ভেষজ হিসেবে বিবেচনা করার আরেকটি কারণ হলো, এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং এমনকি শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুগুলির নিরাময় প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েডও রয়েছে, যা আপনার দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডকে কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা থেকে রক্ষা করে। মন ও শরীরকে সতেজ করে পুদিনার উদ্দীপক গন্ধের কারণে শরীর ও মন সতেজ হয়। এর ফলে কর্মক্ষমতাও বাড়ে। হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করে পুদিনা কপার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো বিভিন্ন খনিজেরও একটি ভালো উৎস। ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম উভয়ই হাড়ের
জন্য উপকারী। ১০০ গ্রাম পুদিনা খেলে ৬০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম এবং ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। পুদিনায় ফসফরাসও থাকে যা হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পুদিনা খাওয়ার আরেকটি উপকারিতা হলো এতে আয়রন থাকে, যা রক্তকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে পুদিনা, যেমন স্পিয়ারমিন্ট, চকোলেট মিন্ট এবং পেপারমিন্টে ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে যা ত্বকের মাধ্যমে সহজেই শোষিত হয়ে রক্তপ্রবাহ এবং পেশিতে প্রবেশ করতে পারে। এটি শরীরে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন নিঃসরণ করে, যা অস্থিসন্ধি এবং পেশির প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।



