ডুয়েট ফাঁকা, ভিসির সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠক – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ May, ২০২৬

ডুয়েট ফাঁকা, ভিসির সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ May, ২০২৬ |
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) প্রায় সব শিক্ষার্থী মঙ্গলবার রাতে গ্রামের বাড়ি চলে গেছে। ‘লাল কার্ড’ ও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচির পর মঙ্গলবার বিকেলে ডুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ বা ক্যাম্পাসে পুরোপুরি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণার পর আজ বুধবার একেবারে ফাঁকা হয়ে গেছে পুরো ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা গেছে, প্রধান ফটকসহ পকেট গেটও বন্ধ। কোনো শিক্ষার্থীর দেখা মেলেনি। টেলিফোনে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতেই বেশির ভাগ শিক্ষার্থী বাড়িতে চলে গেছে। যাদের বাড়ি অনেক দূরে তারা বুধবার সকালে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়েছেন। এ কারণে সকাল ৯টা পর্যন্ত পকেট গেট খোলা ছিল। অন্যদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১৫-২০ জনকে নিয়ে বৈঠক করেছেন নবনিযুক্ত ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ

ইকবাল। বুধবার বেলা ১১টার দিকে ডুয়েটের পাশে উপজেলা পরিষদে এ বৈঠক হয় বলে জানান একাধিক শিক্ষক। ডুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খসরু মিয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভিসি একাই মিটিং করেছেন। সেখানে অন্য কোনো শিক্ষক বা কেউ ছিলেন না। ভিসির বরাত দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের আলোচনা চলছে। তবে বলার মতো কোনো সমাধানে আসতে পারেননি। সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড.মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর দপ্তরের সভাকক্ষে শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ভিসি। শিক্ষকরা ভিসিকে শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি সম্পর্কে অবহিত করেন। নবনিযুক্ত ভিসি শিক্ষকদের মাধ্যমে ছাত্রদের অনুরোধ করেছিলেন অন্তত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যেন একবার বসার সুযোগ দেওয়া হয়।

সেই অনুরোধ রক্ষা করেছে শিক্ষার্থীরা। তবে বুধবারের বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে সেটা বলা যাচ্ছে না। সংঘর্ষ, হামলা-ভাঙচুর আর টানা ছয়দিনের বিক্ষোভে টালমাটাল ছিল ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)। ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল হয়ে যায় ডুয়েট। নবনিযুক্ত ভিসিকে প্রত্যাহার করে নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডুয়েটের কোনো শিক্ষককে ভিসি নিয়োগ দেওয়াসহ তিন দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয় মঙ্গলবার। এ দিন বিকেলে পুরো ক্যাম্পাসে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করেন পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হাসানুর রহমান। লাল কার্ড ও ব্লকেড কর্মসূচির পর আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে ‘কমপ্লিট শাটডাউন ’ঘোষণা করা হয়। আন্দোলনের পাশাপাশি

আলোচনার পথ খোলা রয়েছে জানিয়ে শিক্ষার্থী হাসানুর রহমান বলেন, ‘মিথ্যা ট্যাগ ও মামলা দিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা নতুন ভিসির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে অনড় রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে আরও কঠোর আন্দোলন চলবে।’ এ সময় ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের ছাত্র রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ডুয়েটের প্রশাসনিক বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ভেতরের সব কিছু বন্ধ রয়েছে। কোনো কার্যক্রম চলছে না। বৃহস্পতিবার ঈদের ছুটি শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের