ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বান্দরবানে আগুনে পুড়ল অর্ধশত দোকান-বসতঘর
ব্যাটারিচালিত ভ্যানে ওড়না পেঁচিয়ে শিক্ষিকার মৃত্যু
রণক্ষেত্র সুনামগঞ্জ, নিহত বিএনপি কর্মী–আহত ৪০
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে ‘গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২
মিরপুর স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটে আগুন
দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪
ফোমের কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে
খুমেক হাসপাতালে আগুন, আতঙ্কিত হয়ে লাফিয়ে আহত ২ নার্স
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি অস্ত্রোপচার কক্ষ ও পোস্ট অপারেটিভ ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। পরে এসি ও অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট ১ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে আগুনের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে তৃতীয় তলা থেকে লাফিয়ে দু’জন নার্স আহত এবং ধোঁয়ায় আরও তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। আহত ও অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন- হাসপাতালের স্টাফ সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স নওরিন, দিপালী ও শারমিন এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্য তৌহিদ।
অগ্নিকাণ্ডের পর আইসিইউ থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সময় নাসরিন নাহার নামে
এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি খুলনার কয়রা উপজেলার নেছার আলীর মেয়ে। অক্সিজেন সংকটের কারণে তিনি মারা গেছেন বলে চিকিৎসকরা জানান। ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাসপাতালের তৃতীয় তলায় পুরোনো আইসিইউ ইউনিটের পাশের একটি স্টোররুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাসপাতালের ১ নম্বর আইসিইউতে থাকা ১৫ রোগীকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। ধোঁয়া ও আতঙ্কের মধ্যে রোগী স্থানান্তরের সময় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ দিলীপ কুমার বলেন, পুরোনো আইসিইউ ভবনের পাশের একটি কক্ষে আগুন লাগে। সেখানে পুরোনো কাপড় ও কিছু সরঞ্জাম রাখা
ছিল। আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর কয়েকটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও পুরোনো এসি বিস্ফোরিত হয়। এতে দেয়ালের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পুরো এলাকায় তীব্র ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন, ‘ধোঁয়ার মধ্যে আমরা রোগীদের স্থানান্তর করছিলাম। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে নাসরিন নাহার নামের রোগীর স্বজনেরা তাঁকে নিজেরাই সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বাইরে নেওয়ার পর সেই রোগী মারা যান। আইসিইউ থেকে রোগী স্থানান্তরের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। ভেন্টিলেশন খুলে নিজেরা নেওয়ার চেষ্টার কারণে অক্সিজেন সংকটে রোগী মারা গিয়ে থাকতে পারে।’ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক সরকার মো. মাসুদ সরদার বলেন, সকাল ছয়টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে বয়রা স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে
কাজ শুরু করে। পরে আরও ইউনিট যোগ দেয়। মোট ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়।
এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি খুলনার কয়রা উপজেলার নেছার আলীর মেয়ে। অক্সিজেন সংকটের কারণে তিনি মারা গেছেন বলে চিকিৎসকরা জানান। ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাসপাতালের তৃতীয় তলায় পুরোনো আইসিইউ ইউনিটের পাশের একটি স্টোররুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাসপাতালের ১ নম্বর আইসিইউতে থাকা ১৫ রোগীকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। ধোঁয়া ও আতঙ্কের মধ্যে রোগী স্থানান্তরের সময় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ দিলীপ কুমার বলেন, পুরোনো আইসিইউ ভবনের পাশের একটি কক্ষে আগুন লাগে। সেখানে পুরোনো কাপড় ও কিছু সরঞ্জাম রাখা
ছিল। আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর কয়েকটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও পুরোনো এসি বিস্ফোরিত হয়। এতে দেয়ালের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পুরো এলাকায় তীব্র ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন, ‘ধোঁয়ার মধ্যে আমরা রোগীদের স্থানান্তর করছিলাম। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে নাসরিন নাহার নামের রোগীর স্বজনেরা তাঁকে নিজেরাই সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বাইরে নেওয়ার পর সেই রোগী মারা যান। আইসিইউ থেকে রোগী স্থানান্তরের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। ভেন্টিলেশন খুলে নিজেরা নেওয়ার চেষ্টার কারণে অক্সিজেন সংকটে রোগী মারা গিয়ে থাকতে পারে।’ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক সরকার মো. মাসুদ সরদার বলেন, সকাল ছয়টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে বয়রা স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে
কাজ শুরু করে। পরে আরও ইউনিট যোগ দেয়। মোট ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়।



