ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
চীন-রাশিয়া ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি রুখে দেবে: শি
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব শান্তিময় পরিস্থিতিতে নেই। আধিপত্যবাদ আজ বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলাকে ‘ল অব দ্য জাঙ্গল’ বা ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতিতে ফিরিয়ে নেওয়ার বিপজ্জনক প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বেইজিংয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় চীনের নেতা এসব কথা বলেন। বিশ্বজুড়ে অশান্ত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে শি বলেন, চীন ও রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সমন্বয় বা সহযোগিতা আরো জোরদার করা উচিত।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন সফরের সময় ‘থুসিডিডিজ ট্র্যাপ’-এর কথা উল্লেখ করেছিলেন শি। প্রশ্ন তোলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি তথাকথিত থুসিডিডিজ
ট্র্যাপ এড়িয়ে বড় শক্তিগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে?’ পরে নিজেই উল্লেখ করেন, এর উত্তর দুই নেতাকেই নির্ধারণ করতে হবে। থুসিডিডিজ ট্র্যাপ বলতে, উদীয়মান শক্তি যখন কোনো ক্ষমতাসীন শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে তখন যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হওয়াকে বোঝায়। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, বড় দেশ হিসেবে চীন ও রাশিয়াকে অবশ্যই নিজেদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হবে। তাদের উচিত জাতিসংঘের কর্তৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখা। একইসঙ্গে যেকোনো একতরফা বলপ্রয়োগের চেষ্টা রুখে দেওয়া উচিত। চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ওয়াশিংটনের বলপ্রয়োগ নীতির সমালোচনা হয়। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু
করে তখনও একতরফা বলপ্রয়োগের অভিযোগ তোলা হয়। যুদ্ধবিরতির পর রাশিয়া জানায়, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘একতরফা বলপ্রয়োগ’ শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়েছে। আর চীন সামরিক পদক্ষেপের নিন্দা জানায়। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় শি জিনপিং সামরিকীকরণের চেষ্টার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলকে অস্বীকার করার যেকোনো পদক্ষেপ কিংবা সামরিকীকরণের যে চেষ্টা চলছে, রাশিয়া ও চীনের উচিত সেটিরও বিরোধিতা করা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির কাছে অক্ষশক্তির (জার্মানি, ইতালি ও জাপান) পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবে আদর্শগত দ্বন্দ্বের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়। চীন মিত্রশক্তির পক্ষে ছিল। বর্তমানে ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের এক ধরনের
স্নায়ুযুদ্ধ চলছে। রুশ তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।
ট্র্যাপ এড়িয়ে বড় শক্তিগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে?’ পরে নিজেই উল্লেখ করেন, এর উত্তর দুই নেতাকেই নির্ধারণ করতে হবে। থুসিডিডিজ ট্র্যাপ বলতে, উদীয়মান শক্তি যখন কোনো ক্ষমতাসীন শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে তখন যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হওয়াকে বোঝায়। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, বড় দেশ হিসেবে চীন ও রাশিয়াকে অবশ্যই নিজেদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হবে। তাদের উচিত জাতিসংঘের কর্তৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখা। একইসঙ্গে যেকোনো একতরফা বলপ্রয়োগের চেষ্টা রুখে দেওয়া উচিত। চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ওয়াশিংটনের বলপ্রয়োগ নীতির সমালোচনা হয়। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু
করে তখনও একতরফা বলপ্রয়োগের অভিযোগ তোলা হয়। যুদ্ধবিরতির পর রাশিয়া জানায়, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘একতরফা বলপ্রয়োগ’ শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়েছে। আর চীন সামরিক পদক্ষেপের নিন্দা জানায়। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় শি জিনপিং সামরিকীকরণের চেষ্টার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলকে অস্বীকার করার যেকোনো পদক্ষেপ কিংবা সামরিকীকরণের যে চেষ্টা চলছে, রাশিয়া ও চীনের উচিত সেটিরও বিরোধিতা করা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির কাছে অক্ষশক্তির (জার্মানি, ইতালি ও জাপান) পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবে আদর্শগত দ্বন্দ্বের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়। চীন মিত্রশক্তির পক্ষে ছিল। বর্তমানে ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের এক ধরনের
স্নায়ুযুদ্ধ চলছে। রুশ তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।



