ভয়াবহ গরমের ঝুঁকিতে বিশ্বকাপের এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ May, ২০২৬

ভয়াবহ গরমের ঝুঁকিতে বিশ্বকাপের এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ May, ২০২৬ |
মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলারদের লড়তে হবে প্রকৃতির সঙ্গেও। এক গবেষণায় দেখা গেছে, উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের প্রতি ৪টি ম্যাচের মধ্যে ১টি ম্যাচই প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’ বৃহস্পতিবার এই সতর্কবার্তা দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ১৯৯৪ সালে আমেরিকায় হওয়া বিশ্বকাপের তুলনায় এবার গরমের ঝুঁকি অনেক বেশি। ১৬টি ভেন্যুর ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে অন্তত ২৬টি ম্যাচ এমন আবহাওয়ায় হবে যেখানে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার সূচক খেলোয়াড়দের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। খেলোয়াড় ও দর্শকদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি গবেষণা অনুযায়ী, ২৬টি ম্যাচে ‘ওয়েট বাল্ব গ্লোব টেম্পারেচার’ (WBGT) ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে চলে

যেতে পারে। এটি এমন এক সূচক যা মাপ দেয় যে মানুষের শরীর গরমে নিজেকে কতটা শীতল রাখতে পারছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের ইউনিয়ন (FIFPRO) জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। এমনকি ৫টি ম্যাচ হতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি উত্তাপে, যা এতটাই বিপজ্জনক যে ফিফপ্রো-র নিয়ম অনুযায়ী এমন ম্যাচ স্থগিত বা বাতিল করা উচিত। ভেন্যু ও এসির ব্যবস্থা বিশ্বকাপের ১৬টি স্টেডিয়ামের মধ্যে ডালাস, হিউস্টন এবং আটলান্টার মাত্র ৩টি স্টেডিয়ামে পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা এসি ব্যবস্থা রয়েছে। গরমের ঝুঁকিতে থাকা ২৬টি ম্যাচের মধ্যে ১৭টি হবে এসি সুবিধাযুক্ত মাঠে। কিন্তু বাকি ম্যাচগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। ফাইনালও কি ঝুঁকির মুখে? সবচেয়ে বড় চমক হলো

১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া ফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে। বিজ্ঞানীদের মতে, ফাইনাল ম্যাচটিও চরম তাপমাত্রার কবলে পড়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। ডব্লিউডব্লিউএ-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফ্রিডেরিকে অটো বলেন, ‘বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো বড় ইভেন্ট বাতিলের মতো গরমে অনুষ্ঠিত হওয়ার ঝুঁকি থাকাটা ফিফার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হওয়া উচিত।’ ফিফার আগাম প্রস্তুতি গরমের কথা মাথায় রেখে ফিফা ইতিমধ্যে প্রতিটি হাফে বা অর্ধে একবার করে ‘কুলিং ব্রেক’ বা পানি পানের বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কেবল খেলোয়াড় নয়, খোলা আকাশের নিচে থাকা হাজার হাজার দর্শকও এই প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞে

শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া কতটা বাধা হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের