ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মাত্র ১৫ বছর বয়সেই ভারত ‘এ’ দলে ডাক পেয়েছেন সূর্যবংশী
১৬ বছর পর বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড, ঘোষণা করল দল
বিশ্বকাপে ফুটবলারদের স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা, কিন্তু কেন
আত্মঘাতী গোলে রোনালদোর শিরোপার অপেক্ষা বাড়ল
সুখবর পেলেন শান্ত-নাহিদরা
কে এই জার্মান মডেল? যার ছবিতে ‘লাইক’ দিয়ে আলোচনায় কোহলি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর কারণ খুঁজতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি
ভয়াবহ গরমের ঝুঁকিতে বিশ্বকাপের এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ
মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলারদের লড়তে হবে প্রকৃতির সঙ্গেও। এক গবেষণায় দেখা গেছে, উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের প্রতি ৪টি ম্যাচের মধ্যে ১টি ম্যাচই প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’ বৃহস্পতিবার এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ১৯৯৪ সালে আমেরিকায় হওয়া বিশ্বকাপের তুলনায় এবার গরমের ঝুঁকি অনেক বেশি। ১৬টি ভেন্যুর ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে অন্তত ২৬টি ম্যাচ এমন আবহাওয়ায় হবে যেখানে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার সূচক খেলোয়াড়দের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
খেলোয়াড় ও দর্শকদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি গবেষণা অনুযায়ী, ২৬টি ম্যাচে ‘ওয়েট বাল্ব গ্লোব টেম্পারেচার’ (WBGT) ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে চলে
যেতে পারে। এটি এমন এক সূচক যা মাপ দেয় যে মানুষের শরীর গরমে নিজেকে কতটা শীতল রাখতে পারছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের ইউনিয়ন (FIFPRO) জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। এমনকি ৫টি ম্যাচ হতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি উত্তাপে, যা এতটাই বিপজ্জনক যে ফিফপ্রো-র নিয়ম অনুযায়ী এমন ম্যাচ স্থগিত বা বাতিল করা উচিত। ভেন্যু ও এসির ব্যবস্থা বিশ্বকাপের ১৬টি স্টেডিয়ামের মধ্যে ডালাস, হিউস্টন এবং আটলান্টার মাত্র ৩টি স্টেডিয়ামে পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা এসি ব্যবস্থা রয়েছে। গরমের ঝুঁকিতে থাকা ২৬টি ম্যাচের মধ্যে ১৭টি হবে এসি সুবিধাযুক্ত মাঠে। কিন্তু বাকি ম্যাচগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। ফাইনালও কি ঝুঁকির মুখে? সবচেয়ে বড় চমক হলো
১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া ফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে। বিজ্ঞানীদের মতে, ফাইনাল ম্যাচটিও চরম তাপমাত্রার কবলে পড়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। ডব্লিউডব্লিউএ-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফ্রিডেরিকে অটো বলেন, ‘বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো বড় ইভেন্ট বাতিলের মতো গরমে অনুষ্ঠিত হওয়ার ঝুঁকি থাকাটা ফিফার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হওয়া উচিত।’ ফিফার আগাম প্রস্তুতি গরমের কথা মাথায় রেখে ফিফা ইতিমধ্যে প্রতিটি হাফে বা অর্ধে একবার করে ‘কুলিং ব্রেক’ বা পানি পানের বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কেবল খেলোয়াড় নয়, খোলা আকাশের নিচে থাকা হাজার হাজার দর্শকও এই প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞে
শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া কতটা বাধা হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
যেতে পারে। এটি এমন এক সূচক যা মাপ দেয় যে মানুষের শরীর গরমে নিজেকে কতটা শীতল রাখতে পারছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের ইউনিয়ন (FIFPRO) জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। এমনকি ৫টি ম্যাচ হতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি উত্তাপে, যা এতটাই বিপজ্জনক যে ফিফপ্রো-র নিয়ম অনুযায়ী এমন ম্যাচ স্থগিত বা বাতিল করা উচিত। ভেন্যু ও এসির ব্যবস্থা বিশ্বকাপের ১৬টি স্টেডিয়ামের মধ্যে ডালাস, হিউস্টন এবং আটলান্টার মাত্র ৩টি স্টেডিয়ামে পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা এসি ব্যবস্থা রয়েছে। গরমের ঝুঁকিতে থাকা ২৬টি ম্যাচের মধ্যে ১৭টি হবে এসি সুবিধাযুক্ত মাঠে। কিন্তু বাকি ম্যাচগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। ফাইনালও কি ঝুঁকির মুখে? সবচেয়ে বড় চমক হলো
১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া ফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে। বিজ্ঞানীদের মতে, ফাইনাল ম্যাচটিও চরম তাপমাত্রার কবলে পড়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। ডব্লিউডব্লিউএ-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফ্রিডেরিকে অটো বলেন, ‘বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো বড় ইভেন্ট বাতিলের মতো গরমে অনুষ্ঠিত হওয়ার ঝুঁকি থাকাটা ফিফার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হওয়া উচিত।’ ফিফার আগাম প্রস্তুতি গরমের কথা মাথায় রেখে ফিফা ইতিমধ্যে প্রতিটি হাফে বা অর্ধে একবার করে ‘কুলিং ব্রেক’ বা পানি পানের বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কেবল খেলোয়াড় নয়, খোলা আকাশের নিচে থাকা হাজার হাজার দর্শকও এই প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞে
শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া কতটা বাধা হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।



