ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে পারেন যেভাবে
আর পুরোপুরি গোপনীয় থাকছে না এআই-আড্ডা
১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা বদলাতে গাড়িতে এআই
রেকর্ড দামে বিক্রি হলো মুঘলদের ‘সুপার কম্পিউটার’, যেসব কাজে ব্যবহার হতো এটি
বিদেশি ভাষা বলতে পারবেন সহজেই, গুগল ট্রান্সলেটে যুক্ত হলো নতুন ফিচার
যে কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় ফেসবুক থেকে কমে যাবে
ফেসবুকে কোন কনটেন্টে সবচেয়ে বেশি ভিউ আসে?
ফেসবুক এখন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়, অনেকের জন্য আয়ের বড় উৎস। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট তৈরি করে আয় করছেন। তবে নতুনদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন থাকে—ফেসবুকে কোন ধরনের কনটেন্টে সবচেয়ে বেশি ভিউ আসে?
বর্তমানে শুধু কনটেন্ট বানালেই হয় না, সেটি দর্শকের কাছে পৌঁছানো, এনগেজমেন্ট তৈরি করা এবং শেয়ারযোগ্য হওয়াও জরুরি। কারণ ফেসবুকের অ্যালগরিদম এখন মূলত ইউজারের আগ্রহ, ওয়াচ টাইম এবং এনগেজমেন্টের ওপর ভিত্তি করে কনটেন্ট ছড়িয়ে দেয়। তাই কোন ধরনের কনটেন্ট বেশি ভাইরাল হয়, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
চলুন দেখে নেওয়া যাক, ফেসবুকে কোন ধরণের কনটেন্টগুলো সবচেয়ে বেশি ভিউ পায়—
শর্ট ভিডিও ও রিলস
বর্তমানে ফেসবুকে সবচেয়ে জনপ্রিয় কনটেন্ট হলো রিলস। ছোট ও দ্রুত
দেখার মতো ভিডিও হওয়ায় দর্শক সহজেই এগুলো দেখে ফেলে। অটো-প্লে সুবিধা এবং ফেসবুকের বাড়তি প্রমোশনের কারণে রিলস দ্রুত ভাইরাল হয়। বিশেষ করে যেসব রিলস বেশি চলে— মজার ভিডিও লাইফ হ্যাক ট্রেন্ডিং গান বা ডান্স ছোট শিক্ষামূলক টিপস সাধারণত ১০ থেকে ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও বেশি কার্যকর হয়। গল্পভিত্তিক ছবি ও পোস্ট ছবিভিত্তিক কনটেন্ট এখনও ফেসবুকে বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে আবেগময় বা গল্পভিত্তিক পোস্ট মানুষ বেশি শেয়ার করে। যেমন— বাস্তব জীবনের ঘটনা আগে ও পরের ছবি অনুপ্রেরণামূলক উক্তি আবেগঘন গল্প এ ধরনের পোস্টে মানুষ সহজেই আবেগপ্রবণ হয়, ফলে কমেন্ট ও শেয়ার বাড়ে। মিম কনটেন্ট দ্রুত ভাইরাল হওয়া কনটেন্টের মধ্যে মিম অন্যতম। সহজ ভাষা, হাস্যরস এবং ট্রেন্ডিং বিষয়কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়ায় মিম খুব দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
বিশেষ করে চলমান ঘটনা নিয়ে মিম বানালে ভিউ অনেক বেশি আসে। লাইভ ভিডিও ফেসবুক লাইভ ভিডিওকে আলাদা গুরুত্ব দেয়। লাইভ চলাকালীন রিয়েল-টাইম কমেন্ট ও রিঅ্যাকশনের কারণে এনগেজমেন্ট দ্রুত বাড়ে। যেসব লাইভ বেশি জনপ্রিয়— ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি সম্প্রচার প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠান বা ইভেন্ট তাৎক্ষণিক আপডেট ট্রেন্ডিং টপিকভিত্তিক কনটেন্ট যে বিষয়গুলো নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছে, সেগুলো নিয়ে কনটেন্ট করলে দ্রুত ভিউ পাওয়া যায়। যেমন— নতুন স্মার্টফোন বা গ্যাজেট ভাইরাল ঘটনা সেলিব্রিটি সংবাদ সরকারি ঘোষণা বা আপডেট তবে এ ধরনের কনটেন্টের জনপ্রিয়তা সাধারণত স্বল্প সময়ের জন্য থাকে। শিক্ষামূলক শর্ট কনটেন্ট এখনকার দর্শক দ্রুত শেখার মতো কনটেন্ট বেশি পছন্দ করেন। দীর্ঘ ভিডিওর বদলে সংক্ষিপ্ত ও তথ্যবহুল ভিডিও বেশি কার্যকর। যেমন— এক মিনিটে টিপস এআই টুল ব্যবহারের উপায় অনলাইন আয়ের ধারণা ছোট প্রযুক্তি গাইড এসব ভিডিও
মানুষ শুধু দেখে না, অনেক সময় সেভ ও শেয়ারও করে। ইন্টারঅ্যাকটিভ পোস্ট যেসব পোস্টে দর্শক সরাসরি অংশ নিতে পারে, সেগুলোতেও ভিউ বেশি আসে। যেমন— পোল কুইজ প্রশ্নোত্তর এ ধরনের কনটেন্টে মানুষের অংশগ্রহণ বাড়লে ফেসবুক সেটি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। ফেসবুক অ্যালগরিদম কী দেখে? ফেসবুক সাধারণত কয়েকটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কনটেন্টের রিচ বাড়ায়— ওয়াচ টাইম লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার ইউজারের আগ্রহ শেয়ারযোগ্যতা তাই ফেসবুকে বেশি ভিউ পেতে শুধু ভালো কনটেন্ট তৈরি করলেই হবে না। কনটেন্টে থাকতে হবে ট্রেন্ড, আবেগ, সংক্ষিপ্ততা এবং এনগেজমেন্টের সঠিক সমন্বয়। যারা এই বিষয়গুলো ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন, তারাই দ্রুত ভাইরাল হওয়ার সুযোগ পান।
দেখার মতো ভিডিও হওয়ায় দর্শক সহজেই এগুলো দেখে ফেলে। অটো-প্লে সুবিধা এবং ফেসবুকের বাড়তি প্রমোশনের কারণে রিলস দ্রুত ভাইরাল হয়। বিশেষ করে যেসব রিলস বেশি চলে— মজার ভিডিও লাইফ হ্যাক ট্রেন্ডিং গান বা ডান্স ছোট শিক্ষামূলক টিপস সাধারণত ১০ থেকে ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও বেশি কার্যকর হয়। গল্পভিত্তিক ছবি ও পোস্ট ছবিভিত্তিক কনটেন্ট এখনও ফেসবুকে বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে আবেগময় বা গল্পভিত্তিক পোস্ট মানুষ বেশি শেয়ার করে। যেমন— বাস্তব জীবনের ঘটনা আগে ও পরের ছবি অনুপ্রেরণামূলক উক্তি আবেগঘন গল্প এ ধরনের পোস্টে মানুষ সহজেই আবেগপ্রবণ হয়, ফলে কমেন্ট ও শেয়ার বাড়ে। মিম কনটেন্ট দ্রুত ভাইরাল হওয়া কনটেন্টের মধ্যে মিম অন্যতম। সহজ ভাষা, হাস্যরস এবং ট্রেন্ডিং বিষয়কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়ায় মিম খুব দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
বিশেষ করে চলমান ঘটনা নিয়ে মিম বানালে ভিউ অনেক বেশি আসে। লাইভ ভিডিও ফেসবুক লাইভ ভিডিওকে আলাদা গুরুত্ব দেয়। লাইভ চলাকালীন রিয়েল-টাইম কমেন্ট ও রিঅ্যাকশনের কারণে এনগেজমেন্ট দ্রুত বাড়ে। যেসব লাইভ বেশি জনপ্রিয়— ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি সম্প্রচার প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠান বা ইভেন্ট তাৎক্ষণিক আপডেট ট্রেন্ডিং টপিকভিত্তিক কনটেন্ট যে বিষয়গুলো নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছে, সেগুলো নিয়ে কনটেন্ট করলে দ্রুত ভিউ পাওয়া যায়। যেমন— নতুন স্মার্টফোন বা গ্যাজেট ভাইরাল ঘটনা সেলিব্রিটি সংবাদ সরকারি ঘোষণা বা আপডেট তবে এ ধরনের কনটেন্টের জনপ্রিয়তা সাধারণত স্বল্প সময়ের জন্য থাকে। শিক্ষামূলক শর্ট কনটেন্ট এখনকার দর্শক দ্রুত শেখার মতো কনটেন্ট বেশি পছন্দ করেন। দীর্ঘ ভিডিওর বদলে সংক্ষিপ্ত ও তথ্যবহুল ভিডিও বেশি কার্যকর। যেমন— এক মিনিটে টিপস এআই টুল ব্যবহারের উপায় অনলাইন আয়ের ধারণা ছোট প্রযুক্তি গাইড এসব ভিডিও
মানুষ শুধু দেখে না, অনেক সময় সেভ ও শেয়ারও করে। ইন্টারঅ্যাকটিভ পোস্ট যেসব পোস্টে দর্শক সরাসরি অংশ নিতে পারে, সেগুলোতেও ভিউ বেশি আসে। যেমন— পোল কুইজ প্রশ্নোত্তর এ ধরনের কনটেন্টে মানুষের অংশগ্রহণ বাড়লে ফেসবুক সেটি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। ফেসবুক অ্যালগরিদম কী দেখে? ফেসবুক সাধারণত কয়েকটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কনটেন্টের রিচ বাড়ায়— ওয়াচ টাইম লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার ইউজারের আগ্রহ শেয়ারযোগ্যতা তাই ফেসবুকে বেশি ভিউ পেতে শুধু ভালো কনটেন্ট তৈরি করলেই হবে না। কনটেন্টে থাকতে হবে ট্রেন্ড, আবেগ, সংক্ষিপ্ততা এবং এনগেজমেন্টের সঠিক সমন্বয়। যারা এই বিষয়গুলো ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন, তারাই দ্রুত ভাইরাল হওয়ার সুযোগ পান।



