ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
পৃথিবীর কোনো দেশ আমাদের মতো দ্রুত টিকা যোগাড় করতে পারেনি, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
“হাম হলে আয়ু বাড়ে”—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেপরোয়া মন্তব্যে ক্ষোভ, নেপথ্যে ইউনূস-নুরজাহানের টিকা ব্যর্থতা ধামাচাপার চেষ্টা?
হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯
আরও ১২টি পরিবার হারালো তাদের শিশু সন্তান
মৃত্যু মিছিলে চট্টগ্রাম: হাম ও নিউমোনিয়ায় বিপর্যস্ত চমেক হাসপাতাল, ৪ মাসে মৃত্যু ২৮৫ শিশুর
২০২৪-এ পূর্ব নির্ধারিত হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন আয়োজনে সদিচ্ছার অভাবেই হাজারো শিশুমৃত্যু!
বাংলাদেশে প্রতি চার বছর অন্তর সারাদেশব্যাপী জাতীয় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে WHO, Gavi ও UNICEF-এর তত্ত্বাবধানে।
হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন
এমআর ক্যাম্পেইন প্রথম বার পরিচালনার পর ২০১৫ সালের জরিপ অনুযায়ী হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো প্রতি দশ লাখে ১.৬ জন যা ২০১৯ সাল পর্যন্ত বেড়ে দাড়ায় ২৫ জনে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচীর উপর জোরদারের পরেও এমআর প্রথম ডোজ টিকার ক্ষেত্রে ৫-১৫ % শিশু এবং দ্বিতীয় ডোজ টিকার ক্ষেত্রে ১৫-২০% শিশু ড্রপ আউট থেকেই যাচ্ছিল।
অরক্ষিত এই শিশুদের সংখ্যা কমানো এবং জনসুরক্ষা বৃদ্ধির লক্ষে ৩-৪ বছর পরপর এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করার পরামর্শ দেয় জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। নিরক্ষণ তথ্য ২০১৮
অনুযায়ী দেখা গিয়েছে হাম-রুবেলা আক্রান্ত ৭৯ ভাগ শিশুদের বয়সই ১০ বছরের নিচে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী (ইপিআই) হাম ও রুবেলা দূরীকরণের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে যার বাস্তবায়ন শুরু হয় ‘হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০২০ ‘ এর মাধ্যমে। ২০২০ সালের হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন সর্বশেষ ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ছিল এক বড় সাফল্য। সরকারি তথ্য ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্ট অনুসারে, প্রায় ৩৬ মিলিয়ন (৩ কোটি ৬০ লাখ) শিশুকে টিকা দেওয়া হয় এবং কভারেজ ৯৮.১% পর্যন্ত পৌঁছায়। এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি সফল ছিল এবং দেশকে হাম-রুবেলা নির্মূলের দিকে এগিয়ে নিয়েছিল। ২০২০ সালের এই ক্যাম্পেইন ছয়
সপ্তাহব্যাপী ছিল, যা ১২ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে শুরু হয়ে ২৪ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত চলেছিল। ক্যাম্পেইনের পরবর্তী বছরগুলোতে হামের ঘটনা তুলনামূলক কম ছিল এবং মৃত্যুর সংখ্যাও নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও WHO-এর তথ্য অনুসারে, উক্ত সময়ে হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং শিশু মৃত্যু শতাধিকের নিচে ছিল। ২০২৪ সালে ধারাবাহিকতায় ছেদ ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারাদেশব্যাপী নির্ধারিত টিকা ক্যাম্পেইনের ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের গড়িমসি ও অনিচ্ছায় ২০২৪ সালের শেষার্ধে পূর্বনির্ধারিত জাতীয় হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়নি। বিভিন্ন সংবাদ ও ইউনিসেফের প্রতিনিধিদের বক্তব্য অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ইউনূস-নুরজাহান জুটি ২০২৫
সালের সেপ্টেম্বর থেকে গ্যাভি-ইউনিসেফের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত টিকা ক্রয়ের সফল কাঠামোয় পরিবর্তন আনেন। এই কাঠামো পরিবর্তনের কারণে ২০২৬ সাল উত্তর হাম-রুবেলা টিকা ক্রয় ও স্টক প্রভাবিত হয়। অথচ ২০২৪-২৫ সালেও হাম-রুবেলার টিকার যথেষ্ট স্টক ছিল। ইউনূস-নুরজাহান জুটির আমলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পূর্ব নির্ধারিত টিকা ক্যাম্পেইন শুরু করার মতো যথেষ্ট টিকার স্টক ছিল। প্রয়োজনে অতিরিক্ত টিকা আমদানির জন্যও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য সেবা খাতে বরাদ্দ ছিল ৪১ হাজার কোটি টাকা। তবুও ২০২৪ সালের নির্ধারিত হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন আয়োজন করতে ইচ্ছুক ছিলেন না ইউনূস-নুরজাহান জুটি। তারা ব্যস্ত ছিলেন তথাকথিত সংস্কারে এবং রিসেট বাটন চেপে অতীতের সবকিছু মুছে দিতে। ২০২৪ এর এমআর ক্যাম্পেইন
না করার ভয়াবহ প্রভাব ২০২৬ এ ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া হামের প্রকোপে জীবন হারানো শিশুদের বয়স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই শিশুদের অধিকাংশই ২০২৪-২৫ সালে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণের বয়সসীমায় ছিল আর বাকি শিশু অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জন্মগ্রহন করে ২০২৫ সালে এমআর ভ্যাক্সিন গ্রহনের বয়সসীমায় অবস্থান করছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের গড়িমসি ও অনিচ্ছার ফলে ২০২৪-২৫ সালে ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ব্যাহত হয়। যার ফল ভয়াবহভাবে দেখা দেয় ২০২৬ সালে। মার্চ মাস থেকে দেশব্যাপী হামের মহামারী ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও WHO-এর তথ্য অনুসারে, হাজারের বেশি সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু ঘটেছে। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা
৪০০+ দেখাচ্ছে, তবে সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু মুখে পতিত হওয়া অধিকাংশই শিশু ২০২৪-২৫ সালে হাম-রুবেলার টিকা না পাওয়ার কারণে আক্রান্ত হয়েছে এবং নির্মমভাবে ধুঁকে ধুঁকে কষ্ট পেয়ে মারা যাচ্ছে। ২০২০ সালের হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের সাফল্য ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে জন্ম নেওয়া ৩০ লক্ষাধিক শিশু হিসেবে চার বছরে জন্ম নেওয়া প্রায় দেড় কোটি শিশুর সুস্থতা, পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে নিরাপদে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করেছিল। সেই ছন্দের পতন হয়েছে ইউনূস-নুরজাহান জুটির তথাকথিত সংস্কার ও রিসেট বাটনের কারণে। রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের অভাব, প্রশাসনিক ধারাবাহিকতার ঘাটতি, ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতা এবং দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা
ও দায়িত্ববোধ এর অভাবের কারণেই এত জীবন ঝরে যাচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম নির্মূলের জন্য প্রতি চার বছর অন্তর জাতীয় ক্যাম্পেইন অত্যাবশ্যক ছিল। ২০২৪-এর টিকা ক্যাম্পেইন আয়োজনের ব্যর্থতা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্র প্রদত্ত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে ইউনূস সরকারের সংস্কার একটি ধ্বংসাত্মক সিন্ধান্ত ছিল ইউনূস-নুরজাহান জুটির সৃষ্ট এই জাতীয় সংকট নিরসনে বর্তমান সরকার, WHO, UNICEF ও Gavi-এর সহযোগিতায় ২০২৬ সালে জরুরি ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। কিন্তু হাজারো শিশুর মৃত্যু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে — একটু সদিচ্ছা থাকলেই, জনমানুষের প্রতি একটু মমত্ববোধ থাকলেও এত প্রাণহানি এড়ানো যেত। এই সংকট আরও একবার মনে করিয়ে দেয় যে, শিশু স্বাস্থ্য কোনো রাজনৈতিক খেলার বিষয় নয়। এটি জাতির ভবিষ্যতের প্রশ্ন।
অনুযায়ী দেখা গিয়েছে হাম-রুবেলা আক্রান্ত ৭৯ ভাগ শিশুদের বয়সই ১০ বছরের নিচে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী (ইপিআই) হাম ও রুবেলা দূরীকরণের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে যার বাস্তবায়ন শুরু হয় ‘হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০২০ ‘ এর মাধ্যমে। ২০২০ সালের হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন সর্বশেষ ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ছিল এক বড় সাফল্য। সরকারি তথ্য ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্ট অনুসারে, প্রায় ৩৬ মিলিয়ন (৩ কোটি ৬০ লাখ) শিশুকে টিকা দেওয়া হয় এবং কভারেজ ৯৮.১% পর্যন্ত পৌঁছায়। এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি সফল ছিল এবং দেশকে হাম-রুবেলা নির্মূলের দিকে এগিয়ে নিয়েছিল। ২০২০ সালের এই ক্যাম্পেইন ছয়
সপ্তাহব্যাপী ছিল, যা ১২ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে শুরু হয়ে ২৪ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত চলেছিল। ক্যাম্পেইনের পরবর্তী বছরগুলোতে হামের ঘটনা তুলনামূলক কম ছিল এবং মৃত্যুর সংখ্যাও নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও WHO-এর তথ্য অনুসারে, উক্ত সময়ে হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং শিশু মৃত্যু শতাধিকের নিচে ছিল। ২০২৪ সালে ধারাবাহিকতায় ছেদ ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারাদেশব্যাপী নির্ধারিত টিকা ক্যাম্পেইনের ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের গড়িমসি ও অনিচ্ছায় ২০২৪ সালের শেষার্ধে পূর্বনির্ধারিত জাতীয় হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়নি। বিভিন্ন সংবাদ ও ইউনিসেফের প্রতিনিধিদের বক্তব্য অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ইউনূস-নুরজাহান জুটি ২০২৫
সালের সেপ্টেম্বর থেকে গ্যাভি-ইউনিসেফের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত টিকা ক্রয়ের সফল কাঠামোয় পরিবর্তন আনেন। এই কাঠামো পরিবর্তনের কারণে ২০২৬ সাল উত্তর হাম-রুবেলা টিকা ক্রয় ও স্টক প্রভাবিত হয়। অথচ ২০২৪-২৫ সালেও হাম-রুবেলার টিকার যথেষ্ট স্টক ছিল। ইউনূস-নুরজাহান জুটির আমলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পূর্ব নির্ধারিত টিকা ক্যাম্পেইন শুরু করার মতো যথেষ্ট টিকার স্টক ছিল। প্রয়োজনে অতিরিক্ত টিকা আমদানির জন্যও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য সেবা খাতে বরাদ্দ ছিল ৪১ হাজার কোটি টাকা। তবুও ২০২৪ সালের নির্ধারিত হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন আয়োজন করতে ইচ্ছুক ছিলেন না ইউনূস-নুরজাহান জুটি। তারা ব্যস্ত ছিলেন তথাকথিত সংস্কারে এবং রিসেট বাটন চেপে অতীতের সবকিছু মুছে দিতে। ২০২৪ এর এমআর ক্যাম্পেইন
না করার ভয়াবহ প্রভাব ২০২৬ এ ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া হামের প্রকোপে জীবন হারানো শিশুদের বয়স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই শিশুদের অধিকাংশই ২০২৪-২৫ সালে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণের বয়সসীমায় ছিল আর বাকি শিশু অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জন্মগ্রহন করে ২০২৫ সালে এমআর ভ্যাক্সিন গ্রহনের বয়সসীমায় অবস্থান করছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের গড়িমসি ও অনিচ্ছার ফলে ২০২৪-২৫ সালে ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ব্যাহত হয়। যার ফল ভয়াবহভাবে দেখা দেয় ২০২৬ সালে। মার্চ মাস থেকে দেশব্যাপী হামের মহামারী ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও WHO-এর তথ্য অনুসারে, হাজারের বেশি সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু ঘটেছে। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা
৪০০+ দেখাচ্ছে, তবে সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু মুখে পতিত হওয়া অধিকাংশই শিশু ২০২৪-২৫ সালে হাম-রুবেলার টিকা না পাওয়ার কারণে আক্রান্ত হয়েছে এবং নির্মমভাবে ধুঁকে ধুঁকে কষ্ট পেয়ে মারা যাচ্ছে। ২০২০ সালের হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের সাফল্য ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে জন্ম নেওয়া ৩০ লক্ষাধিক শিশু হিসেবে চার বছরে জন্ম নেওয়া প্রায় দেড় কোটি শিশুর সুস্থতা, পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে নিরাপদে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করেছিল। সেই ছন্দের পতন হয়েছে ইউনূস-নুরজাহান জুটির তথাকথিত সংস্কার ও রিসেট বাটনের কারণে। রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের অভাব, প্রশাসনিক ধারাবাহিকতার ঘাটতি, ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতা এবং দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা
ও দায়িত্ববোধ এর অভাবের কারণেই এত জীবন ঝরে যাচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম নির্মূলের জন্য প্রতি চার বছর অন্তর জাতীয় ক্যাম্পেইন অত্যাবশ্যক ছিল। ২০২৪-এর টিকা ক্যাম্পেইন আয়োজনের ব্যর্থতা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্র প্রদত্ত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে ইউনূস সরকারের সংস্কার একটি ধ্বংসাত্মক সিন্ধান্ত ছিল ইউনূস-নুরজাহান জুটির সৃষ্ট এই জাতীয় সংকট নিরসনে বর্তমান সরকার, WHO, UNICEF ও Gavi-এর সহযোগিতায় ২০২৬ সালে জরুরি ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। কিন্তু হাজারো শিশুর মৃত্যু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে — একটু সদিচ্ছা থাকলেই, জনমানুষের প্রতি একটু মমত্ববোধ থাকলেও এত প্রাণহানি এড়ানো যেত। এই সংকট আরও একবার মনে করিয়ে দেয় যে, শিশু স্বাস্থ্য কোনো রাজনৈতিক খেলার বিষয় নয়। এটি জাতির ভবিষ্যতের প্রশ্ন।



