ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮
“কসম কেটে বলছি, খুব নার্ভাস হয়ে গেছি, দুর্বল হয়ে পড়েছি”, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও সাত শিশুর, মোট মৃত্যু ৬২০
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ইউনূস-নুরজাহানের বিচারের দাবিতে জনবিক্ষোভ
ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা
ঢাকা দক্ষিণের ২৭টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে
আরও ১২টি পরিবার হারালো তাদের শিশু সন্তান
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম-সংক্রান্ত জটিলতায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৬ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে বৃহস্পতিবার জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল এবং বাকি ১১ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
সার্বিক পরিস্থিতি (১৫ মার্চ থেকে)
হাম শনাক্ত: ৬,২০৮ জন
হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগী: ৪৫,৪৯৮ জন
হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু: ৫৭ জন
হামের লক্ষণ নিয়ে মৃত্যু: ২৭৯ জন
মোট মৃত্যু: ৩৩৬ জন
বিভাগওয়ারী মৃত্যুর চিত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ঢাকা বিভাগ। হামের লক্ষণ নিয়ে এখানে ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী
বিভাগে মারা গেছেন ৭৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণ ও ভর্তি বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৮৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে ১,২৩৮ জন হাসপাতালে এসেছেন, যাদের মধ্যে ১,০২৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি শিশু ভর্তি হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে—৫০৮ জন। সবচেয়ে কম ভর্তি হয়েছে রংপুর বিভাগে, মাত্র ১১ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম মূলত শিশুদের রোগ হলেও টিকা না নেওয়া বা অসম্পূর্ণ টিকাদানের কারণে এবার সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব চলছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমআর (মিজেলস-রুবেলা) টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত
করতে না পারলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে এবং হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
বিভাগে মারা গেছেন ৭৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণ ও ভর্তি বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৮৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে ১,২৩৮ জন হাসপাতালে এসেছেন, যাদের মধ্যে ১,০২৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি শিশু ভর্তি হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে—৫০৮ জন। সবচেয়ে কম ভর্তি হয়েছে রংপুর বিভাগে, মাত্র ১১ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম মূলত শিশুদের রোগ হলেও টিকা না নেওয়া বা অসম্পূর্ণ টিকাদানের কারণে এবার সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব চলছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমআর (মিজেলস-রুবেলা) টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত
করতে না পারলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে এবং হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।



