ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিষেকের ৩৫ বলের সেঞ্চুরি, পাওয়ারপ্লেতে ভারতের বিশ্বরেকর্ড
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় লঙ্কানদের রেকর্ড জয়
শান্তিতে ফুটবল ম্যাচ দেখতে স্ত্রীকে চেয়ারে বেঁধে বেসমেন্টে ফেলে রাখলেন স্বামী
অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড বৃথা, রেকর্ডবুক তছনছ করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা
বিজেপির জোটে যোগ দিতেই ইউসুফ পাঠানকে জমি উপহার
তিনশ বলে ১৬০, টাইগাররা কি পারবে ৪১ রানে জিততে
ফিফার কাছে অভিযোগ করল মিশর
আর্জেন্টিার বিপক্ষে বিতর্কিত রেফারিংয়ের অভিযোগ তুলে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)।
একই সঙ্গে ম্যাচ পরিচালনাকারী ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে ও তার অফিশিয়ালদের টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো থেকে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির ফুটবল কর্তৃপক্ষ।
গতকাল রাতে আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিশর। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিল দলটি। এবার সেই অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফার কাছে তুলে ধরা হয়েছে।
মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হানি আবু রিদা ফিফার কাছে পাঠানো চিঠিতে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্তের তদন্ত দাবি করেছেন।
তার অভিযোগ, রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে এবং ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। মিশরের আপত্তির মূল কেন্দ্র দুটি ঘটনা। প্রথমটি ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর করা গোল। ভিএআর পর্যালোচনার পর বিল্ডআপে ফাউলের অভিযোগ তুলে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। দ্বিতীয় অভিযোগটি আর্জেন্টিনার জয়সূচক তৃতীয় গোলকে ঘিরে। মিশরের দাবি, গোল হওয়ার আগে হামদি ফাথিকে ফাউল করা হলেও সেটি ভিএআরে যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি। তাদের মতে, ওই সিদ্ধান্তও ম্যাচের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারিং নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তিনি অভিযোগ করেন, ম্যাচের ফল যেন আগেই নির্ধারিত ছিল এবং রেফারির ওপর আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে চাপ ছিল।
তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। মিশরের অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ফিফা।
তার অভিযোগ, রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে এবং ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। মিশরের আপত্তির মূল কেন্দ্র দুটি ঘটনা। প্রথমটি ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর করা গোল। ভিএআর পর্যালোচনার পর বিল্ডআপে ফাউলের অভিযোগ তুলে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। দ্বিতীয় অভিযোগটি আর্জেন্টিনার জয়সূচক তৃতীয় গোলকে ঘিরে। মিশরের দাবি, গোল হওয়ার আগে হামদি ফাথিকে ফাউল করা হলেও সেটি ভিএআরে যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি। তাদের মতে, ওই সিদ্ধান্তও ম্যাচের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারিং নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তিনি অভিযোগ করেন, ম্যাচের ফল যেন আগেই নির্ধারিত ছিল এবং রেফারির ওপর আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে চাপ ছিল।
তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। মিশরের অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ফিফা।





