ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী: দায়িত্বে পেয়েও পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি আসিফ নজরুল
বাংলাদেশে আইনজীবীদের ওপর নিপীড়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ, বিশ্বের ১৬টি আইনজীবী সংস্থার নিন্দা-উদ্বেগ
নড়াইলে জুলাই যোদ্ধাদের হত্যায় পুরস্কার ঘোষণা, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি ‘সাজানো’ নাটক
“আজকের এই ককটেল বিষ্ফোরণ, বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহযোগিতায় হয়েছে”- নাহিদ ইসলাম
বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার গ্যাস চুরি
বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর ঢাকা
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে নিজের বেতনের মাত্র ১ টাকা রেখে বাকিটা এতিমখানায় দান করে দিতেন বলে দাবি করেছেন তার সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান।
আজ ৭ই জুলাই, মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে মারুফ কামাল খান দাবি করেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর খালেদা জিয়া সরকারি বেতন থেকে মাত্র ১ টাকা নিয়ে বাকি অর্থ এতিমখানায় দান করে দিতেন।
পোস্টে প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান লিখেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৯০-এর ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতনের পর ৯১-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ওই সময়ে তিনি
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রাপ্য বেতন থেকে মাত্র এক টাকা নিয়ে বাকিটা পুরোই এতিমখানায় দিয়ে দিতেন।’ পোস্টে আরও দাবি করা হয়, পরে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রাপ্ত বেতনের একটি বড় অংশ বিভিন্ন দাতব্য কাজে ব্যয় করতেন। দুস্থ, দরিদ্র ও এতিমদের সহায়তার পাশাপাশি অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ব্যয়ও বহন করতেন। এসব বিষয় খালেদা জিয়া প্রচার করতে আগ্রহী ছিলেন না বলেও দাবি করেন মারুফ কামাল খান। একটি ঘটনা তুলে ধরে মারুফ কামাল বলেন, ২০০১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া এক দরিদ্র শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। ওই শিক্ষার্থী পরবর্তী সময় বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব
হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রাপ্য বেতন থেকে মাত্র এক টাকা নিয়ে বাকিটা পুরোই এতিমখানায় দিয়ে দিতেন।’ পোস্টে আরও দাবি করা হয়, পরে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রাপ্ত বেতনের একটি বড় অংশ বিভিন্ন দাতব্য কাজে ব্যয় করতেন। দুস্থ, দরিদ্র ও এতিমদের সহায়তার পাশাপাশি অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ব্যয়ও বহন করতেন। এসব বিষয় খালেদা জিয়া প্রচার করতে আগ্রহী ছিলেন না বলেও দাবি করেন মারুফ কামাল খান। একটি ঘটনা তুলে ধরে মারুফ কামাল বলেন, ২০০১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া এক দরিদ্র শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। ওই শিক্ষার্থী পরবর্তী সময় বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব
হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়।



