ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
বাংলাদেশে আইনজীবীদের ওপর নিপীড়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ, বিশ্বের ১৬টি আইনজীবী সংস্থার নিন্দা-উদ্বেগ
নড়াইলে জুলাই যোদ্ধাদের হত্যায় পুরস্কার ঘোষণা, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি ‘সাজানো’ নাটক
“আজকের এই ককটেল বিষ্ফোরণ, বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহযোগিতায় হয়েছে”- নাহিদ ইসলাম
বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার গ্যাস চুরি
বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী: দায়িত্বে পেয়েও পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি আসিফ নজরুল
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দায়িত্ব গ্রহণের আগে নানা পরিকল্পনা করলেও দায়িত্বে গিয়ে সেগুলোর অনেক কিছু বাস্তবায়ন করতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সম্প্রতি এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রশিক্ষকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, আসিফ নজরুল মন্ত্রী বা দায়িত্বশীল পদে যাওয়ার আগে তার ধারণা ছিল সুযোগ পেলে অনেক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাস্তবতা ভিন্ন দেখেছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল আক্ষেপ করে বলেছিলেন, “দায়িত্বে থাকার সময় তিনি ভেবেছিলেন যেসব কাজ করবেন, তার অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত
করা সম্ভব হয়নি।” আলোচনার একপর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী ওই প্রশিক্ষণার্থীর কাছে তার অভিজ্ঞতা জানতে চান। তখন প্রশিক্ষণার্থী বলেন, তিনি দুইবার এই প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। প্রথমে ১৯৯৯ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০১২ সালে। সেই সময়ের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু সেশনের মান তার কাছে প্রত্যাশিত পর্যায়ের মনে হয়নি। পাশাপাশি আবাসন ও অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতাও তার নজরে এসেছিল বলে জানান তিনি। প্রশিক্ষণার্থী বলেন, “প্রায় ২৬-২৭ বছর আগের স্মৃতিতে ফিরে গেলে তার মনে হয়, প্রশিক্ষণের কিছু সেশনের মান আরো উন্নত হওয়া প্রয়োজন ছিল।” তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এর বাইরে নির্দিষ্টভাবে আর তেমন কিছু মনে নেই বলেও জানান তিনি।
করা সম্ভব হয়নি।” আলোচনার একপর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী ওই প্রশিক্ষণার্থীর কাছে তার অভিজ্ঞতা জানতে চান। তখন প্রশিক্ষণার্থী বলেন, তিনি দুইবার এই প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। প্রথমে ১৯৯৯ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০১২ সালে। সেই সময়ের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু সেশনের মান তার কাছে প্রত্যাশিত পর্যায়ের মনে হয়নি। পাশাপাশি আবাসন ও অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতাও তার নজরে এসেছিল বলে জানান তিনি। প্রশিক্ষণার্থী বলেন, “প্রায় ২৬-২৭ বছর আগের স্মৃতিতে ফিরে গেলে তার মনে হয়, প্রশিক্ষণের কিছু সেশনের মান আরো উন্নত হওয়া প্রয়োজন ছিল।” তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এর বাইরে নির্দিষ্টভাবে আর তেমন কিছু মনে নেই বলেও জানান তিনি।



