ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে টিসিবির পণ্য নিতে এসে দেয়াল ধসে নিহত ১
যশোরে জামায়াত এমপির বাড়ি ঘেরাও
ঢাকার উত্তরায় ১০ মিনিটের ব্যাবধানে দুটি বোমা বিস্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে
সড়কে ঝুলছিল নাহিদ-হাসনাতদের কুশপুতুল, স্থানীয়দের ভাষ্য- ‘লীগের ঘাড়ে দোষ চাপাতে নিজেরাই ঝুলিয়েছে’
বরুড়ায় একের পর এক পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, ছাত্রদল সভাপতিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: নির্মাণের এক মাসেই সড়কে ধস, জলাবদ্ধতায় স্থবির পাঁচ গ্রামের জনজীবন
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির খাবার পানিতে বিষ: নাশকতার শঙ্কা, নমুনা পাঠানো হলো ল্যাবে
স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে নড়িয়া থানা পুলিশ।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১১টার দিকে নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আচুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শরীয়তপুর সদর উপজেলার আটিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাই খন্দকারের ছেলে হযরত আলী খন্দকার (৪০), একই এলাকার মালেক খন্দকারের ছেলে ইমন খন্দকার (২৬) ও নড়িয়া থানার আচুড়ার বাসিন্দা মৃত আলমগীর বেপারীর ছেলে রাব্বি (২৮)।
ভুক্তভোগী নারী নড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, মাদক ব্যবসায়ী ধরার কথা বলে তার স্বামীকে সোমবার সন্ধ্যার দিকে হযরত খন্দকার, ইমন খন্দকার ও রাব্বি ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে অপহরণ করে নড়িয়া উপজেলার আচুড়া এলাকার
আজিজ ঢালীর বাগানে বেঁধে রাখে। পরবর্তীতে অপহৃত স্বামীর মোবাইল ফোন থেকে তার স্ত্রীকে কল করে টাকা ও পেনড্রাইভ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে বলা হয় এবং তাকে আনতে লোক পাঠানো হয়। পরে তাকে আচুড়া এলাকার আজিজ ঢালীর বাগানের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আগে থেকেই তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে স্বামীর সামনেই তিনজন মিলে ওই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমার স্বামীকে আগেই বেঁধে তার গলায় ছুরি
ধরে রেখেছে। পরে তার সামনেই হযরতসহ ৩ জন আমাকে ধর্ষণ করে। পরে আমি চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করেন। প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক বলেন, অনেক রাতে বাড়ির পাশের জঙ্গলে চিৎকারের শব্দ শুনে আমরা আসি। এসে দেখি এক লোক তার স্ত্রীকে জরিয়ে ধরে চিৎকার করতেছে। আমরা জিজ্ঞাসা করলে আমাদের ধর্ষণের বিষয়টি জানান। পরে বাড়ির অন্য মহিলারা এসে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দিলে তারা এসে তাদের নিয়ে যায়। এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ওসি বাহার মিয়া বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠাই এবং ঘটনার সত্যতা পাই। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে
আটক করি। তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সঙ্গে অভিযুক্তদের মাদক সংক্রান্ত লেনদেন রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জেনেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আজিজ ঢালীর বাগানে বেঁধে রাখে। পরবর্তীতে অপহৃত স্বামীর মোবাইল ফোন থেকে তার স্ত্রীকে কল করে টাকা ও পেনড্রাইভ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে বলা হয় এবং তাকে আনতে লোক পাঠানো হয়। পরে তাকে আচুড়া এলাকার আজিজ ঢালীর বাগানের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আগে থেকেই তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে স্বামীর সামনেই তিনজন মিলে ওই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমার স্বামীকে আগেই বেঁধে তার গলায় ছুরি
ধরে রেখেছে। পরে তার সামনেই হযরতসহ ৩ জন আমাকে ধর্ষণ করে। পরে আমি চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করেন। প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক বলেন, অনেক রাতে বাড়ির পাশের জঙ্গলে চিৎকারের শব্দ শুনে আমরা আসি। এসে দেখি এক লোক তার স্ত্রীকে জরিয়ে ধরে চিৎকার করতেছে। আমরা জিজ্ঞাসা করলে আমাদের ধর্ষণের বিষয়টি জানান। পরে বাড়ির অন্য মহিলারা এসে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দিলে তারা এসে তাদের নিয়ে যায়। এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ওসি বাহার মিয়া বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠাই এবং ঘটনার সত্যতা পাই। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে
আটক করি। তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সঙ্গে অভিযুক্তদের মাদক সংক্রান্ত লেনদেন রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জেনেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



