ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
‘এত বিভীষিকাময় পরিস্থিতি হবে ভাবিনি, কক্সবাজারের আনন্দটাই মাটি’
‘পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলাম। পথে এভাবে আটকা পড়ে এত বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে পড়তে হবে কখনও ভাবতে পারিনি। কক্সবাজারে বেড়ানোর আনন্দই মাটি হয়ে গেছে। হোটেল বুকিং দিয়েছিলাম, সেই টাকাটাও মার গেছে।’ কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে উদ্বিগ্নভাবে পায়চারি করা পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রী রহমান মঞ্জুর।
টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় প্রায় এক হাজার যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায় তার মতো শত শত যাত্রীর স্বপ্নের ভ্রমণ ভেস্তে গেছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনেই অবস্থান করছিল। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রেললাইন থেকে পানি না নামা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল সম্ভব নয়।
যাত্রী
ও রেলওয়ে সূত্র জানান, সকাল থেকে যাত্রা শুরু করলেও চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় ট্রেনটি আটকে পড়ে। পরে যাত্রীদের সুবিধার্থে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশনে আনা হলেও রাত পর্যন্ত কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যেতে পারেনি। দীর্ঘ অপেক্ষায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ প্রায় এক হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেকেই স্টেশন থেকে শুকনো খাবার কিনে সময় পার করেন। ট্রেনের আরেক যাত্রী ঢাকার রামপুরার বাসিন্দা আবু নাছের বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে অনেক আগেই কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলাম। সহজে টিকিট না পাওয়ায় আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহ করি। সকালে কমলাপুর স্টেশন থেকে পর্যটন এক্সপ্রেসে যাত্রা শুরুর পর সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় ট্রেনটি
থেমে যায়।’ চট্টগ্রামে গত সোমবার বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা ভারী বর্ষণে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকায় হাঁটু থেকে বুকসমান পানি জমে যায়। এর প্রভাব পড়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনেও। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, ‘ভারী বৃষ্টির কারণে রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস আটকে রয়েছে। রেললাইন থেকে পানি নেমে গেলে ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।’
ও রেলওয়ে সূত্র জানান, সকাল থেকে যাত্রা শুরু করলেও চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় ট্রেনটি আটকে পড়ে। পরে যাত্রীদের সুবিধার্থে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশনে আনা হলেও রাত পর্যন্ত কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যেতে পারেনি। দীর্ঘ অপেক্ষায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ প্রায় এক হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেকেই স্টেশন থেকে শুকনো খাবার কিনে সময় পার করেন। ট্রেনের আরেক যাত্রী ঢাকার রামপুরার বাসিন্দা আবু নাছের বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে অনেক আগেই কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলাম। সহজে টিকিট না পাওয়ায় আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহ করি। সকালে কমলাপুর স্টেশন থেকে পর্যটন এক্সপ্রেসে যাত্রা শুরুর পর সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় ট্রেনটি
থেমে যায়।’ চট্টগ্রামে গত সোমবার বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা ভারী বর্ষণে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকায় হাঁটু থেকে বুকসমান পানি জমে যায়। এর প্রভাব পড়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনেও। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, ‘ভারী বৃষ্টির কারণে রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস আটকে রয়েছে। রেললাইন থেকে পানি নেমে গেলে ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।’





