ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিদ্যুতের সাশ্রয়ী স্ল্যাব থাকছে না, কিনতে হবে উচ্চমূল্যে
মন্ট্রিয়লে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত, গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের অংশগ্রহণ
‘গোলামী’ চুক্তি আর গোলামের চুক্তি
নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য বেতন গ্রেড প্রকাশ
ডার্ক ওয়েবে মিলছে টেলিটকের তথ্য
রাষ্ট্রপতির হার্টে ব্লক শনাক্ত, বসানো হয়েছে রিং
নাগরিকত্ব-পাসপোর্ট আর নিরাপত্তার আশায় ১৬ মাসে দেশে ঢুকেছে আরও দেড় লাখ রোহিঙ্গা
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ কমছেই না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ক্ষমতাকালে জাতিসংঘের মহাসচিবের উপস্থিতিতে আশ্বাস দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালেই রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে ঈদ করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণ তো হয়নি, উল্টো হাজারে-বিজারে রোহিঙ্গা প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। আর নামে-বেনামে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। সরকার ও প্রশাসনের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বনে যাচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিক।
শুধু তাই নয়, সৌদি সরকারের চাপ উপেক্ষা করার দুঃসাহস দেখাতে পারেনি ইউনূস কিংবা তারেক সরকার। প্রায় ৩০ হাজারের মত রোহিঙ্গা ইতিমধ্যে পেয়ে গেছেন বাংলাদেশি পাসপোর্ট। প্রক্রিয়াধীন আছে আরও। সবমিলে সৌদি যাওয়া ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকৃতি দিচ্ছে, যা শেখ হাসিনার সরকারের সময় কোনোভাবেই আদায় করতে পারেনি
সৌদি সরকার। এসব খবর শুনে উৎসাহিত হচ্ছে রোহিঙ্গারা। মিয়ানমার ও বাংলাদেশি দালালগোষ্ঠীর ইন্ধনে নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট ছাড়াও নিরাপত্তার আশ্বাসে নাফ নগ পেরিয়ে এপারে আসছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা। আর বাংলাদেশে কাজ করা দেশি-বিদেশি এনজিওগুলো তাদের এই আগমনকে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সৌদিতে থাকা ২২ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে, দেওয়া হবে বাকিদেরও টেকনাফে আটক রোহিঙ্গা তরুণের ফোন থেকে পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্কের ভয়াবহ তথ্য উদ্ধার ক্রমশ বেপরোয়া রোহিঙ্গারা: ১৩ লাখ জনঅধ্যুষিত ক্যাম্পে বিশৃঙ্খলা চরমে, বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা গত ১৬ মাসে নতুন করে দেড় লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। আজ ১৩ই মে, বুধবার জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এই তথ্য জানিয়েছে। মাসিক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়,
২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের বছরের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৬৯ জন রোহিঙ্গা নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে গত মাসে ২ হাজার ৭৮০ জন নতুন আগত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। ইউএনএইচসিআর-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশের ক্যাম্পগুলোতে মোট ১১ লাখ ৯৪ হাজার ১২৩ জন রোহিঙ্গা চিহ্নিত করা গেছে। যার মধ্যে ৭৮ শতাংশ নারী এবং শিশু, যেখানে ১২ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা: আরো ৫ লাখ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের জন্য অপেক্ষমান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্যের লড়াই: গোলাগুলির পর প্রতিপক্ষের পিটুনিতে যুবক নিহত যদিও বাংলাদেশি বিভিন্ন সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র বলছে, এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি। পুরাতন
রোহিঙ্গা ছাড়া ২০১৭ সাল থেকে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা কোনোভাবেই ১৪ লাখের কম নয়। বিভিন্ন কৌশলে তারা ক্যাম্প ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে গেছে, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় জনস্রোতে মিশে গেছে। ভাষাগত মিল এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকায় রোহিঙ্গাদের জন্য এভাবে মিশে যাওয়া কঠিন কিছু নয়। বিশেষ করে ২০১৭ সালের পর যারা ক্যাম্পে এসেছে, তাদের অনেকেই টেকনাফসহ আশপাশের এলাকায় দিনমজুরি, রিকশাচালানোসহ ভাসমান ফেরিওয়ালার পেশা বেছে নিয়েছে। স্থানীয়দের সাথে মিশে ভাষাগত যে সামান্য পার্থক্য ছিল- সেটুকুও সংশোধন করে পুরোপুরি স্থানীয় বনে গেছে। এমনটাই জানিয়েছেন কক্সবাজারের স্থানীয় লোকজন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অস্ত্রের মজুদ, তালিকায় হাজারো রোহিঙ্গা ভোটার: কক্সবাজারে নির্বাচনপূর্ব সংঘাত সম্ভাবনা জুলাই আন্দোলনের পুরস্কার হিসেবে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিয়ে তাদেরই
ভোট ঠেকাতে ব্যস্ত ড. ইউনুসের সরকার দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প ছেড়ে আসা রোহিঙ্গাদের অব্যাহত অস্থিতিশীলতা: সাতকানিয়ায় অভিযানে আটক ২২ ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং টমটম চালানো ছাড়াও সমুদ্র সৈকতকেন্দ্রিক বিভিন্ন ব্যবসায় সম্পৃক্ত হয়ে গেছেন রোহিঙ্গারা। কেউ কেউ স্থানীয়দের সাথে বৈবাহিকসূত্রে আবদ্ধ হয়ে ঘর-সংসার পেতেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সন্ত্রাসে অংশ নিয়েছেন বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা। তাদের নাগরিকত্বসহ নগদ অর্থের প্রলোভন দিয়ে নামানো হয়েছিল সংঘাতে। এদের মাঝে কয়েকজন নিহত হয়ে জুলাই তালিকাতেও যুক্ত হয়েছেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদন: রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে ৭টি গুপ্ত পথ দিয়ে দেশে ঢুকছে বিপুল অস্ত্র ভুয়া পরিচয়ে রোহিঙ্গাদের এনআইডি ও পাসপোর্ট: অনুসন্ধানে উঠে আসছে দালালচক্রের চক্রান্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হুমকির মুখে: সশস্ত্র বিদ্রোহ ও আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক
ক্রাইসিস গ্রুপ সূত্র বলছে, ২০২৪-এর আগস্টের পর থেকে রোহিঙ্গারা নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আশায় বাংলাদেশে ঢুকছে। সর্বশেষ গত ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৪ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করেছে, যারা ১৯৯০ এবং ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৬৯১ জন ১৯৯০ সালের পর এসেছেন এবং ১০ লাখ ৪ হাজার ৬৬৩ জন ২০১৭ সালের পর এসেছেন। এর বাইরে অসংখ্য রোহিঙ্গা রয়ে গেছেন নিবন্ধনের বাইরে। যে সংখ্যা অন্তত ৫ লাখ বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি। যাদের অনেকেরই আত্মীয়-স্বজন কক্সবাজারে বসবাস করছেন কয়েক যুগ ধরে।
সৌদি সরকার। এসব খবর শুনে উৎসাহিত হচ্ছে রোহিঙ্গারা। মিয়ানমার ও বাংলাদেশি দালালগোষ্ঠীর ইন্ধনে নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট ছাড়াও নিরাপত্তার আশ্বাসে নাফ নগ পেরিয়ে এপারে আসছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা। আর বাংলাদেশে কাজ করা দেশি-বিদেশি এনজিওগুলো তাদের এই আগমনকে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সৌদিতে থাকা ২২ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে, দেওয়া হবে বাকিদেরও টেকনাফে আটক রোহিঙ্গা তরুণের ফোন থেকে পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্কের ভয়াবহ তথ্য উদ্ধার ক্রমশ বেপরোয়া রোহিঙ্গারা: ১৩ লাখ জনঅধ্যুষিত ক্যাম্পে বিশৃঙ্খলা চরমে, বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা গত ১৬ মাসে নতুন করে দেড় লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। আজ ১৩ই মে, বুধবার জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এই তথ্য জানিয়েছে। মাসিক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়,
২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের বছরের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৬৯ জন রোহিঙ্গা নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে গত মাসে ২ হাজার ৭৮০ জন নতুন আগত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। ইউএনএইচসিআর-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশের ক্যাম্পগুলোতে মোট ১১ লাখ ৯৪ হাজার ১২৩ জন রোহিঙ্গা চিহ্নিত করা গেছে। যার মধ্যে ৭৮ শতাংশ নারী এবং শিশু, যেখানে ১২ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা: আরো ৫ লাখ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের জন্য অপেক্ষমান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্যের লড়াই: গোলাগুলির পর প্রতিপক্ষের পিটুনিতে যুবক নিহত যদিও বাংলাদেশি বিভিন্ন সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র বলছে, এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি। পুরাতন
রোহিঙ্গা ছাড়া ২০১৭ সাল থেকে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা কোনোভাবেই ১৪ লাখের কম নয়। বিভিন্ন কৌশলে তারা ক্যাম্প ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে গেছে, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় জনস্রোতে মিশে গেছে। ভাষাগত মিল এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকায় রোহিঙ্গাদের জন্য এভাবে মিশে যাওয়া কঠিন কিছু নয়। বিশেষ করে ২০১৭ সালের পর যারা ক্যাম্পে এসেছে, তাদের অনেকেই টেকনাফসহ আশপাশের এলাকায় দিনমজুরি, রিকশাচালানোসহ ভাসমান ফেরিওয়ালার পেশা বেছে নিয়েছে। স্থানীয়দের সাথে মিশে ভাষাগত যে সামান্য পার্থক্য ছিল- সেটুকুও সংশোধন করে পুরোপুরি স্থানীয় বনে গেছে। এমনটাই জানিয়েছেন কক্সবাজারের স্থানীয় লোকজন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অস্ত্রের মজুদ, তালিকায় হাজারো রোহিঙ্গা ভোটার: কক্সবাজারে নির্বাচনপূর্ব সংঘাত সম্ভাবনা জুলাই আন্দোলনের পুরস্কার হিসেবে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিয়ে তাদেরই
ভোট ঠেকাতে ব্যস্ত ড. ইউনুসের সরকার দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প ছেড়ে আসা রোহিঙ্গাদের অব্যাহত অস্থিতিশীলতা: সাতকানিয়ায় অভিযানে আটক ২২ ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং টমটম চালানো ছাড়াও সমুদ্র সৈকতকেন্দ্রিক বিভিন্ন ব্যবসায় সম্পৃক্ত হয়ে গেছেন রোহিঙ্গারা। কেউ কেউ স্থানীয়দের সাথে বৈবাহিকসূত্রে আবদ্ধ হয়ে ঘর-সংসার পেতেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সন্ত্রাসে অংশ নিয়েছেন বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা। তাদের নাগরিকত্বসহ নগদ অর্থের প্রলোভন দিয়ে নামানো হয়েছিল সংঘাতে। এদের মাঝে কয়েকজন নিহত হয়ে জুলাই তালিকাতেও যুক্ত হয়েছেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদন: রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে ৭টি গুপ্ত পথ দিয়ে দেশে ঢুকছে বিপুল অস্ত্র ভুয়া পরিচয়ে রোহিঙ্গাদের এনআইডি ও পাসপোর্ট: অনুসন্ধানে উঠে আসছে দালালচক্রের চক্রান্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হুমকির মুখে: সশস্ত্র বিদ্রোহ ও আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক
ক্রাইসিস গ্রুপ সূত্র বলছে, ২০২৪-এর আগস্টের পর থেকে রোহিঙ্গারা নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আশায় বাংলাদেশে ঢুকছে। সর্বশেষ গত ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৪ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করেছে, যারা ১৯৯০ এবং ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৬৯১ জন ১৯৯০ সালের পর এসেছেন এবং ১০ লাখ ৪ হাজার ৬৬৩ জন ২০১৭ সালের পর এসেছেন। এর বাইরে অসংখ্য রোহিঙ্গা রয়ে গেছেন নিবন্ধনের বাইরে। যে সংখ্যা অন্তত ৫ লাখ বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি। যাদের অনেকেরই আত্মীয়-স্বজন কক্সবাজারে বসবাস করছেন কয়েক যুগ ধরে।



