ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
ইরানে ৯ বার ভূমিকম্প!
তেহরানের পূর্ব পারদিস এলাকায় রাতভর ধারাবাহিক নয়টি ছোট ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বুধবার (১৩ মে) এ তথ্য জানায় ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি।
মেহের-এর বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের রাজধানী একটি বড় ধরনের ভূমিকম্পজনিত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে বলে নতুন করে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বিশেষজ্ঞ ও বাসিন্দাদের মধ্যে।
উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, বেশ কয়েকটি সক্রিয় ফল্ট লাইনের কাছাকাছি অবস্থিত তেহরানের নিচে ও চারপাশে সঞ্চিত টেকটোনিক চাপ ভবিষ্যতে কোনো এক সময়ে আরও বড় একটি ভূমিকম্প ঘটাতে পারে।
যদিও ওই এলাকায় ঘন ঘন কম্পন হয়, তবে পরপর কয়েকটি কম্পনের ঘটনা খুবই বিরল।
প্রতিবেদন অনুসারে, পূর্ব তেহরান প্রদেশে রাতভর রেকর্ড করা কম্পনগুলো ইরানের অন্যতম সক্রিয়
ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল মোশা ফল্টের নিকটবর্তী একটি এলাকায় অনুভূত হয়। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মাইল) দীর্ঘ এই ফল্ট দেশটির অন্যতম প্রধান সক্রিয় ফল্টগুলোর মধ্যে একটি, যা রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার (২৫ মাইল) দূরে অবস্থিত। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৪.৬। কিন্তু এই মৃদু ভূকম্পনে কোনো হতাহতের ঘটনা বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটেনি। ইরানি বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে আসছেন যে, তেহরানের কাছে একটি বড় ভূমিকম্পের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। ইরান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ২০০৩ সালের বাম ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও স্পষ্ট, যার আঘাতে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল মোশা ফল্টের নিকটবর্তী একটি এলাকায় অনুভূত হয়। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মাইল) দীর্ঘ এই ফল্ট দেশটির অন্যতম প্রধান সক্রিয় ফল্টগুলোর মধ্যে একটি, যা রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার (২৫ মাইল) দূরে অবস্থিত। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৪.৬। কিন্তু এই মৃদু ভূকম্পনে কোনো হতাহতের ঘটনা বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটেনি। ইরানি বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে আসছেন যে, তেহরানের কাছে একটি বড় ভূমিকম্পের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। ইরান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ২০০৩ সালের বাম ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও স্পষ্ট, যার আঘাতে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান।



