ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ
লাইসেন্স নবায়ন নামঞ্জুর, তবুও বিটিআরসির ছত্রছায়ায় চুটিয়ে চলছে মেট্রোনেটের ব্যবসা!
আবারও ভুয়া শহীদ ও ভুয়া জুলাইযোদ্ধার নাম তালিকায়, ব্যাপক ঘাপলা-অনিয়মের সন্ধান
ইউনূসের স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম ছাড়, অথচ সবচেয়ে বেশী শর্ত
ট্টগ্রামে বার নির্বাচন: আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বাধাদান: জেএমবিএফ-এর নিন্দা, জাতিসংঘ-ইইউর হস্তক্ষেপ দাবি
‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই
অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সদ্য সাবেক বিতর্কিত সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জামায়াতে ইসলামির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তিনি শুধু যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতের সহচরই নন, দলটির রাজনীতির সঙ্গেও গোপনে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। বুলবুলের অস্ট্রেলিয়ার বাসায় অনেক আগে থেকেই জামায়াতে ইসলামির বেশিরভাগ সভা হয় বলে বিভিন্ন সময়ে জানা গেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, বুলবুলের পুত্র মাহাদি ইসলাম “ইসলামি উগ্রবাদ” এর সাথে জড়িত থাকতে পারেন সন্দেহে অস্ট্রেলিয়ার সরকারের তদন্ত ও কড়া নজরদারির মধ্যে রয়েছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বিসিবির সভাপতি বানানোর পিছনে জামায়াতে ইসলামি প্রভাব বিস্তার করেছিল। সভাপতি থাকাকালীন পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি, ভারতের সঙ্গে বিরোধ তৈরি, টি২০ বিশ্বকাপ
বর্জন এবং ঘরোয়া ক্রিকেটকে স্থবির করে রাখাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিতর্কিত ছিলেন। মাহাদি’র বিরুদ্ধে ইসলামিক উগ্রবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বুলবুলের ছেলে মাহাদি ইসলাম অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে বয়সভিত্তিক ক্রিকেট খেলতেন। তবে ক্রিকেটে বেশিদূর এগোতে পারেননি। পরে তিনি মেলবোর্নে একটি উচ্চ বেতনের চাকরি পান। সম্প্রতি সেই চাকরি থেকে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং বাসায় রেখে অস্ট্রেলিয়া সরকার তদন্ত চালাচ্ছে। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া মাহাদি ইসলাম তার বাবার কাজের সুবাদে নাইজেরিয়া হয়ে ২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বাবার জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে সম্পৃক্ততা, বাসায় নিয়মিত জামায়াতের বৈঠক, দাওয়াত ও ইসলাম ধর্ম প্রচারণা বিষয়ক সভায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ২০২২ সাল থেকে মাহাদি
ইসলাম ধর্মের প্রতি অত্যন্ত অনুরক্ত হয়ে ওঠেন। মাহাদি ইসলাম, Scriptural and Textual Studies বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “হিব্রু বাইবেলের ব্যাখ্যা” (RLST 145) বিষয়ে একটি কোর্স সম্পন্ন করেন, যা কিছু ধর্মীয় সম্প্রদায়ে ওল্ড টেস্টামেন্ট নামেও পরিচিত। তিনি বাইবেল অধ্যয়ন এবং আন্তঃধর্মীয় বিষয়ে উন্নত গবেষণার দিকে অগ্রসর হতে আগ্রহী। বর্তমানে মাহাদি ইসলাম বাইবেল ও ওল্ড টেস্টামেন্টের ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা খুঁজে বের করেন এবং দাবী করেন কুরআন পূর্ববর্তী ধর্মীয় কাঠামোর সেই ত্রুটিগুলো পূরণ করে। এই প্রচেষ্টায় তিনি মেলবোর্নের ইহুদি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইসলাম প্রচারের জন্য ক্লাস নেন। এছাড়া মেলবোর্নের বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টার ও মসজিদে ইসলামপূর্ব
ধর্মীয় গ্রন্থের অসঙ্গতি বিষয়ে নিয়মিত লেকচার দেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও অন্যান্য ধর্মের অসংগতি তুলে ধরে ইসলাম কীভাবে সেগুলো দূর করেছে—এ বিষয়ে ক্লিপ ও ভিডিও নিয়মিত পোস্ট করেন। এসব কর্মকাণ্ডের সূত্র ধরে মাহাদি মেলবোর্নের বিভিন্ন ইসলামিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ধর্মপ্রচার ও দাওয়াহ সম্পর্কিত কাজ করতে থাকেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংস্থা হলো Islamic Practice and Dawah Circle (IPDC), MATW-Project (Muslim Around the World Project)। আজহারি সফর ও বিতর্ক আইপিডিসি গত এপ্রিল মাসে বিতর্কিত ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারিকে অস্ট্রেলিয়ায় আমন্ত্রণ জানায়। আইপিডিসির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে “A Legacy of Faith” শিরোনামে অস্ট্রেলিয়ার ৬টি শহরে (ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি, ক্যানবেরা, এডিলেইড ও পার্থ) ইসলামিক সফরের আয়োজন
করা হয়। মাহাদি ইসলাম এই আয়োজনের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। তবে সফর শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়া সরকার মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করে তাকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বিতাড়িত করে। অতীতে আজহারির দেওয়া কিছু বক্তব্যকে চরমপন্থী, ইহুদি-বিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বলে বিবেচনা করে সরকার। আজহারি অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা করেছিলেন এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে তার কর্মকাণ্ডকে “ঐশ্বরিক শাস্তি” হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার, ইহুদিদের “বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী” আখ্যা দেওয়া এবং উস্কানিমূলক বিষয়বস্তু ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়। আজহারির এই সফরে সম্পৃক্ততা এবং মাহাদির পূর্বের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তালিকায় তার নাম আসে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকার আইএসের সঙ্গে
সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম নাগরিকদের কড়া তদন্ত করছে এবং সিরিয়ার জেল থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে যুক্ত অন্যদেরও নজরদারিতে রেখেছে। বর্তমানে কড়া নজরদারী থাকায় বুলবুলপুত্র মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিডিও, পোস্ট এবং মেলবোর্নের ইসলামিক সেন্টার গুলোতে লেকচার দেয়া থেকে বিরত রয়েছেন। পূর্ববর্তী সময়ে মাহাদি ইসলাম প্রায় প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় কন্টেন্ট প্রচার করতেন। ছেলেকে নিয়ে চিন্তিত বুলবুল আমিনুল ইসলাম বুলবুল নিজের ছেলের এই পরিস্থিতির খবর ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়ে পরামর্শ চেয়েছেন। তার পারিবারিক সূত্রের একজন (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, “বুলবুল ভাই খুব চিন্তায় আছেন। তার ছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মূলত মওলানা আজহারিকে অস্ট্রেলিয়ায় নেওয়ার
উদ্যোগে সে ছিল। তাছাড়া তার বেশ কিছু কর্মকাণ্ড স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। সে তার সহকর্মীদের এমন কিছু বলেছে যা খুব স্পর্শকাতর। অস্ট্রেলিয়ার সরকার এসব বিষয়ে খুব সিরিয়াস হয়ে ডিল করে।” তদন্তে মাহাদি ইসলাম নির্দোষ প্রমাণিত হলে তিনি স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে পারবেন। তবে অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে তদন্ত হলে দীর্ঘমেয়াদে এক ধরনের নজরদারিতে থাকতে হয় বলে জানা গেছে।
বর্জন এবং ঘরোয়া ক্রিকেটকে স্থবির করে রাখাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিতর্কিত ছিলেন। মাহাদি’র বিরুদ্ধে ইসলামিক উগ্রবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বুলবুলের ছেলে মাহাদি ইসলাম অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে বয়সভিত্তিক ক্রিকেট খেলতেন। তবে ক্রিকেটে বেশিদূর এগোতে পারেননি। পরে তিনি মেলবোর্নে একটি উচ্চ বেতনের চাকরি পান। সম্প্রতি সেই চাকরি থেকে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং বাসায় রেখে অস্ট্রেলিয়া সরকার তদন্ত চালাচ্ছে। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া মাহাদি ইসলাম তার বাবার কাজের সুবাদে নাইজেরিয়া হয়ে ২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বাবার জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে সম্পৃক্ততা, বাসায় নিয়মিত জামায়াতের বৈঠক, দাওয়াত ও ইসলাম ধর্ম প্রচারণা বিষয়ক সভায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ২০২২ সাল থেকে মাহাদি
ইসলাম ধর্মের প্রতি অত্যন্ত অনুরক্ত হয়ে ওঠেন। মাহাদি ইসলাম, Scriptural and Textual Studies বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “হিব্রু বাইবেলের ব্যাখ্যা” (RLST 145) বিষয়ে একটি কোর্স সম্পন্ন করেন, যা কিছু ধর্মীয় সম্প্রদায়ে ওল্ড টেস্টামেন্ট নামেও পরিচিত। তিনি বাইবেল অধ্যয়ন এবং আন্তঃধর্মীয় বিষয়ে উন্নত গবেষণার দিকে অগ্রসর হতে আগ্রহী। বর্তমানে মাহাদি ইসলাম বাইবেল ও ওল্ড টেস্টামেন্টের ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা খুঁজে বের করেন এবং দাবী করেন কুরআন পূর্ববর্তী ধর্মীয় কাঠামোর সেই ত্রুটিগুলো পূরণ করে। এই প্রচেষ্টায় তিনি মেলবোর্নের ইহুদি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইসলাম প্রচারের জন্য ক্লাস নেন। এছাড়া মেলবোর্নের বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টার ও মসজিদে ইসলামপূর্ব
ধর্মীয় গ্রন্থের অসঙ্গতি বিষয়ে নিয়মিত লেকচার দেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও অন্যান্য ধর্মের অসংগতি তুলে ধরে ইসলাম কীভাবে সেগুলো দূর করেছে—এ বিষয়ে ক্লিপ ও ভিডিও নিয়মিত পোস্ট করেন। এসব কর্মকাণ্ডের সূত্র ধরে মাহাদি মেলবোর্নের বিভিন্ন ইসলামিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ধর্মপ্রচার ও দাওয়াহ সম্পর্কিত কাজ করতে থাকেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংস্থা হলো Islamic Practice and Dawah Circle (IPDC), MATW-Project (Muslim Around the World Project)। আজহারি সফর ও বিতর্ক আইপিডিসি গত এপ্রিল মাসে বিতর্কিত ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারিকে অস্ট্রেলিয়ায় আমন্ত্রণ জানায়। আইপিডিসির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে “A Legacy of Faith” শিরোনামে অস্ট্রেলিয়ার ৬টি শহরে (ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি, ক্যানবেরা, এডিলেইড ও পার্থ) ইসলামিক সফরের আয়োজন
করা হয়। মাহাদি ইসলাম এই আয়োজনের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। তবে সফর শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়া সরকার মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করে তাকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বিতাড়িত করে। অতীতে আজহারির দেওয়া কিছু বক্তব্যকে চরমপন্থী, ইহুদি-বিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বলে বিবেচনা করে সরকার। আজহারি অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা করেছিলেন এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে তার কর্মকাণ্ডকে “ঐশ্বরিক শাস্তি” হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার, ইহুদিদের “বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী” আখ্যা দেওয়া এবং উস্কানিমূলক বিষয়বস্তু ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়। আজহারির এই সফরে সম্পৃক্ততা এবং মাহাদির পূর্বের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তালিকায় তার নাম আসে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকার আইএসের সঙ্গে
সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম নাগরিকদের কড়া তদন্ত করছে এবং সিরিয়ার জেল থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে যুক্ত অন্যদেরও নজরদারিতে রেখেছে। বর্তমানে কড়া নজরদারী থাকায় বুলবুলপুত্র মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিডিও, পোস্ট এবং মেলবোর্নের ইসলামিক সেন্টার গুলোতে লেকচার দেয়া থেকে বিরত রয়েছেন। পূর্ববর্তী সময়ে মাহাদি ইসলাম প্রায় প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় কন্টেন্ট প্রচার করতেন। ছেলেকে নিয়ে চিন্তিত বুলবুল আমিনুল ইসলাম বুলবুল নিজের ছেলের এই পরিস্থিতির খবর ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়ে পরামর্শ চেয়েছেন। তার পারিবারিক সূত্রের একজন (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, “বুলবুল ভাই খুব চিন্তায় আছেন। তার ছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মূলত মওলানা আজহারিকে অস্ট্রেলিয়ায় নেওয়ার
উদ্যোগে সে ছিল। তাছাড়া তার বেশ কিছু কর্মকাণ্ড স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। সে তার সহকর্মীদের এমন কিছু বলেছে যা খুব স্পর্শকাতর। অস্ট্রেলিয়ার সরকার এসব বিষয়ে খুব সিরিয়াস হয়ে ডিল করে।” তদন্তে মাহাদি ইসলাম নির্দোষ প্রমাণিত হলে তিনি স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে পারবেন। তবে অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে তদন্ত হলে দীর্ঘমেয়াদে এক ধরনের নজরদারিতে থাকতে হয় বলে জানা গেছে।



