ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরান ইস্যুতে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, তারা শনিবার সকালে সেখানে পৌঁছাবেন।
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লিভিট বলেন, “ইরান আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছে।” তিনি আরও জানান, আলোচনা ইতিবাচক হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রয়োজনে যোগ দিতে প্রস্তুত আছেন।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি জানিয়েছেন, তিনি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন এবং পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি কোনো বৈঠক নির্ধারিত নেই; ইরানের অবস্থান পাকিস্তানের মাধ্যমে জানানো হবে।
এদিকে মার্কিন
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, তেহরানের সামনে একটি “সমঝোতার সুযোগ” রয়েছে, যদি তারা যাচাইযোগ্য উপায়ে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিতে এই প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদে পাঠিয়েছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের পক্ষ থেকে কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। ইসলামাবাদে ইরানি দূতাবাস জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বলছে তারা ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষ করতে কোনো চাপের মুখে নেই, তবুও এই আলোচনা চলমান থাকা থেকে বোঝা
যায় যে পর্দার আড়ালে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভাইস প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য অনুপস্থিতি বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা কমাতে পারে। তবে আলোচনার ধারাবাহিকতা ইঙ্গিত দেয়, উভয় পক্ষই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি মার্কিন নৌ অবরোধকে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে “জিম্মি” করার শামিল বলে উল্লেখ করেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, তেহরান আলোচনায় আগ্রহী থাকলেও অবরোধ, হুমকি এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ প্রকৃত আলোচনার প্রধান বাধা। এর আগে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন, যাতে আলোচনা অব্যাহত রাখা যায়।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, তেহরানের সামনে একটি “সমঝোতার সুযোগ” রয়েছে, যদি তারা যাচাইযোগ্য উপায়ে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিতে এই প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদে পাঠিয়েছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের পক্ষ থেকে কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। ইসলামাবাদে ইরানি দূতাবাস জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বলছে তারা ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষ করতে কোনো চাপের মুখে নেই, তবুও এই আলোচনা চলমান থাকা থেকে বোঝা
যায় যে পর্দার আড়ালে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভাইস প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য অনুপস্থিতি বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা কমাতে পারে। তবে আলোচনার ধারাবাহিকতা ইঙ্গিত দেয়, উভয় পক্ষই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি মার্কিন নৌ অবরোধকে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে “জিম্মি” করার শামিল বলে উল্লেখ করেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, তেহরান আলোচনায় আগ্রহী থাকলেও অবরোধ, হুমকি এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ প্রকৃত আলোচনার প্রধান বাধা। এর আগে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন, যাতে আলোচনা অব্যাহত রাখা যায়।



