ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
৩৬ বছর আগে প্রতিবেশীকে পুড়িয়া হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ফ্লোরিডা স্টেইটে প্রতিবেশীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানায়, সাজা পাওয়া ওই ব্যক্তি হলেন চ্যাডউইক স্কট উইলেসি (৫৮)। তাকে ফ্লোরিডা স্টেইট প্রিজনে সন্ধ্যা ৬টা থেকে তিন ধরনের ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
১৯৯০ সালে মার্লিস সাথার নামের এক নারীকে হত্যা, চুরি, ডাকাতি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন উইলেসি।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে নিজ বাড়িতে ফিরে এসে উইলেসিকে চুরি করা অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন সাথার।পরে উইলেসি একটি ভোঁতা বস্তু দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করেন এবং হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হলে সাথারের শরীরে পেট্রোল
ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। ঘটনার পর উইলেসি ভুক্তভোগীর গাড়ি ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যান এবং তার এটিএম কার্ড ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলন করেন। পরে সাথার কর্মস্থলে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজ নিতে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় ১৯৯১ সালে আদালতে ৯-৩ ভোটে মৃত্যুদণ্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে উইলেসিকে সাজা দেওয়া হয়। তবে ১৯৯৪ সালে বিচারিক ত্রুটির কারণে ফ্লোরিডা সুপ্রিম কোর্ট নতুন করে শুনানির নির্দেশ দেয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৫ সালে নতুন জুরি ১১-১ ভোটে পুনরায় মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। সর্বশেষ আপিলগুলো গত সপ্তাহে খারিজ হয়ে যায়। মৃত্যুদণ্ড স্থগিত চেয়ে উইলেসির করা আবেদনগুলোও নাকচ হয়। চলতি বছর ফ্লোরিডায় এটি পঞ্চম মৃত্যুদণ্ড।
ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। ঘটনার পর উইলেসি ভুক্তভোগীর গাড়ি ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যান এবং তার এটিএম কার্ড ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলন করেন। পরে সাথার কর্মস্থলে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজ নিতে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় ১৯৯১ সালে আদালতে ৯-৩ ভোটে মৃত্যুদণ্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে উইলেসিকে সাজা দেওয়া হয়। তবে ১৯৯৪ সালে বিচারিক ত্রুটির কারণে ফ্লোরিডা সুপ্রিম কোর্ট নতুন করে শুনানির নির্দেশ দেয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৫ সালে নতুন জুরি ১১-১ ভোটে পুনরায় মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। সর্বশেষ আপিলগুলো গত সপ্তাহে খারিজ হয়ে যায়। মৃত্যুদণ্ড স্থগিত চেয়ে উইলেসির করা আবেদনগুলোও নাকচ হয়। চলতি বছর ফ্লোরিডায় এটি পঞ্চম মৃত্যুদণ্ড।



