ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আসলে ‘বাণিজ্য অস্ত্র’, দেশকে পঙ্গু করার ষড়যন্ত্র: মাহবুব কামাল
‘নতুন বন্দোবস্তের’ ফল মিলতে শুরু করেছে, সরকার ঋণনির্ভর হয়ে পড়েছে: মোহাম্মদ আলী আরাফাত
নৌবাহিনী প্রধান ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান: বেরিয়ে আসছে দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য
অপরাধ জগতে নতুন আতঙ্ক দেখতে সাধারণ কলম, আসলে ভয়ংকর পিস্তল! পাকিস্তান থেকে জঙ্গিদের হাতে আসছে নতুন অস্ত্র
অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট নিয়ে আইপিইউর উদ্বেগ, সমর্থন জানাল আরআরএজিও
‘নোবেলের টাকা ও কর নিয়ে ইউনূস মারাত্মক অ্যালার্জি আছে’, দাবি সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যানের
উন্মত্ত জনতাকে দিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার ‘গোপন ব্লু-প্রিন্ট’ ছিল ৫ আগস্ট: নর্থইস্ট নিউজ
গণভবনে উন্মত্ত জনতাকে ঢুকিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল দেশে ‘যুদ্ধপরিস্থিতি’ তৈরি করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের হস্তক্ষেপের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা। ৫ আগস্ট সকালে উত্তরাসহ ঢাকার প্রবেশমুখ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে তুলে নেওয়া হয়েছিল কারফিউর ব্যারিকেড। টুঙ্গিপাড়ায় নেওয়ার কথা বলে ধোঁকা দিয়ে তাঁকে নেওয়া হয় কুর্মিটোলা বাশার ঘাঁটিতে। ভারতীয় শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার আকস্মিক হস্তক্ষেপে ভেস্তে যায় হত্যার ছক, নিরাপদে পাঠানো হয় দিল্লিতে।
ছাত্র-জনতার প্রবল গণ-অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ওই দিন তাঁকে কেবল ক্ষমতাচ্যুত করাই নয়, বরং উন্মত্ত জনতাকে গণভবনে ঢুকিয়ে তাঁকে হত্যার একটি ‘গোপন ব্লু-প্রিন্ট’ বা ছক তৈরি করা হয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর এক চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশের মুখোশ উন্মোচন: পর্ব ৭’ (আনমাস্কিং বাংলাদেশ) শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের একটি অংশ সুপরিকল্পিতভাবে এই ঘেরাও কৌশল ও হত্যার ছক এঁকেছিল। কী ছিল সেই গোপন ব্লু-প্রিন্ট? প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ স্বাভাবিক ছিল না। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকার প্রবেশমুখগুলো—বিশেষ করে উত্তরা এলাকায় বসানো ‘কারফিউর ব্যারিকেড’ সেনা কর্মকর্তাদের নির্দেশে হঠাৎ তুলে নেওয়া হয়। সেনাসদস্যরা মাইকে ঘোষণা করেন যে কোনো কারফিউ নেই। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল লাখ লাখ উন্মত্ত জনতাকে কোনো বাধা ছাড়াই গণভবনের দিকে ধাবিত হতে দেওয়া। নর্থইস্ট নিউজের দাবি, জনস্রোত যখন গণভবনে প্রবেশ করবে, তখন সেই উন্মত্ত
জনতার আড়ালেই শেখ হাসিনাকে হত্যার একটি ভয়ংকর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ক্ষমতা ছাড়ার প্রায় এক ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনা বুঝতে পারেন যে তাঁর চারপাশের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। হত্যার উদ্দেশ্য: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের হস্তক্ষেপ প্রতিবেদনে এই ব্লু-প্রিন্টের পেছনের একটি ভয়ংকর কারণও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, গণভবনে শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে দেশে একটি চরম অরাজকতা ও ‘যুদ্ধপরিস্থিতি’ (War-like situation) তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল। এই অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর (UN Peacekeepers) হস্তক্ষেপকে আন্তর্জাতিকভাবে বৈধতা দেওয়ার একটি ছক কষা হয়েছিল। টুঙ্গিপাড়ার ধোঁকা ও ভারতীয় হস্তক্ষেপ নর্থইস্ট নিউজ জানায়, ৫ আগস্ট সকালে শেখ হাসিনা কিছুতেই দেশ ছাড়তে রাজি ছিলেন না। তাঁকে বোঝানো হয়েছিল
যে, নিরাপত্তার চরম অবনতি হওয়ায় তাঁকে সাময়িকভাবে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাঁকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি যখন কুর্মিটোলার বাশার ঘাঁটিতে অবতরণ করে, তখন তিনি বুঝতে পারেন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং তাঁকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঠিক ওই চরম মুহূর্তে ভারতের এক শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তার সময়োচিত হস্তক্ষেপে পুরো দৃশ্যপট পাল্টে যায়। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আগেই এই ব্লু-প্রিন্টের বিষয়ে আঁচ করতে পেরেছিল। ওই দিন সকালেই বাংলাদেশের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে কথা বলে সামরিক বিমানের ভারতীয় আকাশসীমায় প্রবেশের অনুমতি নিয়ে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের চাপে ও হস্তক্ষেপে শেখ হাসিনাকে হত্যার ব্লু-প্রিন্টটি
ভেস্তে যায়। একটি সামরিক উড়োজাহাজে করে শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানাকে নিরাপদে ভারতের হিন্দন বিমানঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।
‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর এক চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশের মুখোশ উন্মোচন: পর্ব ৭’ (আনমাস্কিং বাংলাদেশ) শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের একটি অংশ সুপরিকল্পিতভাবে এই ঘেরাও কৌশল ও হত্যার ছক এঁকেছিল। কী ছিল সেই গোপন ব্লু-প্রিন্ট? প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ স্বাভাবিক ছিল না। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকার প্রবেশমুখগুলো—বিশেষ করে উত্তরা এলাকায় বসানো ‘কারফিউর ব্যারিকেড’ সেনা কর্মকর্তাদের নির্দেশে হঠাৎ তুলে নেওয়া হয়। সেনাসদস্যরা মাইকে ঘোষণা করেন যে কোনো কারফিউ নেই। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল লাখ লাখ উন্মত্ত জনতাকে কোনো বাধা ছাড়াই গণভবনের দিকে ধাবিত হতে দেওয়া। নর্থইস্ট নিউজের দাবি, জনস্রোত যখন গণভবনে প্রবেশ করবে, তখন সেই উন্মত্ত
জনতার আড়ালেই শেখ হাসিনাকে হত্যার একটি ভয়ংকর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ক্ষমতা ছাড়ার প্রায় এক ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনা বুঝতে পারেন যে তাঁর চারপাশের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। হত্যার উদ্দেশ্য: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের হস্তক্ষেপ প্রতিবেদনে এই ব্লু-প্রিন্টের পেছনের একটি ভয়ংকর কারণও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, গণভবনে শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে দেশে একটি চরম অরাজকতা ও ‘যুদ্ধপরিস্থিতি’ (War-like situation) তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল। এই অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর (UN Peacekeepers) হস্তক্ষেপকে আন্তর্জাতিকভাবে বৈধতা দেওয়ার একটি ছক কষা হয়েছিল। টুঙ্গিপাড়ার ধোঁকা ও ভারতীয় হস্তক্ষেপ নর্থইস্ট নিউজ জানায়, ৫ আগস্ট সকালে শেখ হাসিনা কিছুতেই দেশ ছাড়তে রাজি ছিলেন না। তাঁকে বোঝানো হয়েছিল
যে, নিরাপত্তার চরম অবনতি হওয়ায় তাঁকে সাময়িকভাবে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাঁকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি যখন কুর্মিটোলার বাশার ঘাঁটিতে অবতরণ করে, তখন তিনি বুঝতে পারেন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং তাঁকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঠিক ওই চরম মুহূর্তে ভারতের এক শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তার সময়োচিত হস্তক্ষেপে পুরো দৃশ্যপট পাল্টে যায়। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আগেই এই ব্লু-প্রিন্টের বিষয়ে আঁচ করতে পেরেছিল। ওই দিন সকালেই বাংলাদেশের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে কথা বলে সামরিক বিমানের ভারতীয় আকাশসীমায় প্রবেশের অনুমতি নিয়ে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের চাপে ও হস্তক্ষেপে শেখ হাসিনাকে হত্যার ব্লু-প্রিন্টটি
ভেস্তে যায়। একটি সামরিক উড়োজাহাজে করে শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানাকে নিরাপদে ভারতের হিন্দন বিমানঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।



