কূটনীতিকের বদলে রাজনীতিবিদ: ঢাকায় দিল্লির দূত হিসেবে আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

কূটনীতিকের বদলে রাজনীতিবিদ: ঢাকায় দিল্লির দূত হিসেবে আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ |
ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও ব্যারাকপুরের সাবেক সংসদ সদস্য, বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে হাই কমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পর কোনো পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন রাজনীতিবিদকে ঢাকায় হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে ভারত। তিনি বর্তমানে দায়িত্বে থাকা প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করে আসা প্রণয় ভার্মাকে ইতোমধ্যে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদী সরকার ৭৫ বছর বয়সী দিনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পরবর্তী হাই কমিশনার হিসেবে মনোনীত করেছে। তবে এ নিয়োগ এখনো বিএনপি সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আনন্দবাজার পত্রিকা

জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন না হলে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই তাকে ঢাকায় পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২০২৪ সালের আগস্টে সরকারবিরোধী সহিংসতার মধ্যে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এরপর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ শুরু হয়। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, এ সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে দীনেশ ত্রিবেদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে মনে করছে ভারত সরকার। এর আগে ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার হিসেবে আরিফ মোহাম্মদ খান-এর নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত ত্রিবেদীকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস আরও লিখেছে, একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে দূত হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্তটি ভারতের

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিকদের জন্য এক ধরনের ‘জবাবদিহিতার বার্তা’ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। দীনেশ ত্রিবেদী ঝরঝরে বাংলা বলতে পারেন এবং তিনি একজন দক্ষ সেতারবাদক। দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে দুই বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কেও তার ভালো ধারণা রয়েছে। কিছু ভারতীয় গণমাধ্যম এই নিয়োগকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি নরেন্দ্র মোদির একটি ‘বিশেষ বার্তা’ হিসেবেও ব্যাখ্যা করেছে। দীনেশ ত্রিবেদীর সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক পরিচিতি দিনেশ ত্রিবেদী গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। গুজরাটি দম্পতি হীরালাল ত্রিবেদী এবং উর্মিলাবেন ত্রিবেদীর ছোট ছেলে দীনেশ হিমাচল প্রদেশের বোর্ডিং স্কুল থেকে পড়াশোনার পর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। আশির দশকে তিনি কংগ্রেসে যোগ দেন, পরে জনতা দলে যুক্ত

হন এবং ১৯৯০-৯৬ পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে তিনি সেই দলে যোগ দেন এবং প্রথম সাধারণ সম্পাদক হন। ২০০৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে নির্বাচিত হয়ে মনমোহন সিং সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হন। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়লে তিনি রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৯ সালে নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় এবং ২০২১ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি দল ছেড়ে ৬ই মার্চ তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ বুকে পাঁচটা তারকা আর কারও নেই: ব্রুনো গিমারেস মেসির গোলে প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ ‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয় বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!