ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
আস্থাহীনতার চাপেই আর্থিক খাত: ব্যাংক পুনর্গঠন ও পুঁজিবাজারে অস্থিরতার দ্বৈত সংকট
জাতীয় দলের অধিনায়কদের জন্য বিসিবির প্রিভিলেজ কার্ড
তেলসহ অর্থনৈতিক সংকট সামাল না দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে:সাংবাদিক মাহবুব কামাল
শেখ হাসিনা ভারতের ‘মেহমান’, আওয়ামী লীগ রাজনীতির ‘বাস্তবতা’: গৌতম লাহিড়ী
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফ রহমানের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, মিয়াপাড়ায় তোলপাড়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশকে অত্যন্ত চড়া দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। অথচ শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০২৩ সালের জুন মাসে কাতারএনার্জি ট্রেডিং-এর সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার আওতায় ২০২৬ সাল থেকে বছরে ১.৮ মিলিয়ন টন এলএনজি (৯ কোটি ৪৫ লাখ এমএমবিটিইউ) ৯.৫ থেকে ১১ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ দরে আমদানির কথা ছিল। এর আগে ২০১৮ সালের করা চুক্তি অনুযায়ি বাংলাদেশ কাতার থেকে ২.৫ মিলিয়ন টন (প্রায়) ক্রয় করতো ৯.৫–১১ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ দরে।
পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসন্ন গ্রীষ্মকালীন চাহিদা মেটাতে মে মাসে বাংলাদেশ ১১টি এলএনজি কার্গো
আমদানি করবে। এর মধ্যে মাত্র ৩টি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আসবে, বাকি ৮টি স্পট মার্কেট থেকে কিনতে হবে। স্পট মার্কেটের অস্থিরতার কারণে আমদানি ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। মার্চ-এপ্রিল মাসে স্পট কার্গোগুলোর গড় দাম ছিল ২০ থেকে ২২ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে যেসব কার্গো এসেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড (ইউকে): ২১.৫৮ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ (৫-৬ এপ্রিল) পস্কো ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন (দক্ষিণ কোরিয়া): দুটি কার্গো প্রতিটি ২০.৭৬ ডলার (৯-১০ এপ্রিল ও ১২-১৩ এপ্রিল) এপ্রিল মাসে মোট ৯টি কার্গোর মধ্যে ৮টি ছিল স্পট মার্কেটের। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১১টি স্পট কার্গো কিনেছে। কাতারএনার্জি মার্চ মাসে ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলার
পরে বন্ধ ঘোষণা করে সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে স্ট্রেইট অব হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয় এবং কাতারের রাস লাফানের এলএনজি সুবিধায় ক্ষয়ক্ষতি হয়। ফলে কাতারের প্রায় ১৭ শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতা (১২.৮ মিলিয়ন টন) ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য বন্ধ থাকতে পারে। যদিও যুদ্ধবিরতির পর কাতারএনার্জি কিছু ট্রেন পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি নিয়েছে, পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে। এই সংকটের কারণে মার্চ-এপ্রিল মাসে সরকারকে অতিরিক্ত ৪৫০০ কোটি টাকা (প্রায় ৩৬৬.৭৫ মিলিয়ন ডলার) সাবসিডি বাড়াতে হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ তার মোট এলএনজি আমদানির অর্ধেকেরও বেশি কাতার থেকে নিয়েছিল। বর্তমানে জ্বালানি আমদানির জন্য সরকার ২ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক
অর্থায়ন চেয়েছে। ধরনা করা হচ্ছে, মার্চ-জুন পর্যন্ত শুধু জ্বালানি ও সারের জন্য অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা প্রয়োজন হতে পারে ২.৬১ বিলিয়ন ডলার। ইউনূসের প্রিয়পাত্র পিটার হাস এর কোম্পানি থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি ক্রয় বিশ্ববাজারে দামের ওঠানামার মধ্যেও ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে কম দামে এলএনজি আমদানি করতে পেরেছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের আমলে (২০২৪ থেকে ২০২৬ সালে) আমদানির পরিমাণ বাড়ার সাথে সাথে মোট ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ গড়ে ১২.৮৪ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ দরে এলএনজি আমদানি করেছে। ৮৬টি কার্গো আমদানিতে মোট ব্যয় হয় প্রায় ৩.০২ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে গড় দাম ছিল ১৩.৫০ থেকে
১৫.০০ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ-এর মধ্যে। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের আমলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ১০৯টি কার্গো আমদানি করে মোট ৩.৮৮ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪৬,০০০ কোটি টাকা) খরচ করে। এ সময় গড় দাম ছিল ১৩.৫২ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ। পিটার হাসের কোম্পানি থেকে ২.৫ ডলার বেশী মূল্যে LNG আমদানির আদেশ যদিও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে ২০১৮ সালে সম্পাদিত চুক্তি চলমান ছিল এবং বাংলাদেশের সুযোগ ছিল সেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অধীনে কাতার থেকে ২.৫ মিলিয়ন টন (প্রায়) এলএনজি ৯.৫–১১ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ দরে কেনার, তবুও ইউনূস সরকার ড. ইউনূসের পরম বন্ধু পিটার হাসের কোম্পানি (এক্সেলারেট এনার্জি) থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি ক্রয় করে। ২০২৪ সালের আগস্টের
পর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কাতারের সাথে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বাইরে গিয়ে ইউনূস সরকারের এলএনজি ক্রয়ে অতিরিক্ত প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা (৮৫৫ মিলিয়ন ডলার) বেশি খরচ হয়েছে বলে পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে। এই অতিরিক্ত ব্যয় মূলত স্পট মার্কেট ও উচ্চমূল্যের স্বল্পমেয়াদি চুক্তির কারণে হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্পট মার্কেটের দামের ওঠানামা জ্বালানি খাতের সাবসিডি বোঝা বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৫ সালে এলএনজি সাবসিডি ব্যয়ও আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে স্পট দাম আবার বেড়ে যাওয়ায় ২০২৬ সালে জ্বালানি আমদানির খরচ আরও চাপ তৈরি করছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির সুবিধা পাওয়ার পরও বৈশ্বিক সংকটের কারণে বাংলাদেশকে
বারবার চড়া দামে স্পট মার্কেটে নির্ভর করতে হচ্ছে, যা জ্বালানি খাতের সাবসিডি বোঝা আরও বাড়িয়ে তুলছে। মে মাসে দাম কিছুটা কমলেও (টোটালএনার্জিস ১৯.৮২৫ ডলার, আরামকো ১৯.১৯৪ ডলার) সামগ্রিক চাপ অব্যাহত রয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিকল্প উৎসের ওপর জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
আমদানি করবে। এর মধ্যে মাত্র ৩টি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আসবে, বাকি ৮টি স্পট মার্কেট থেকে কিনতে হবে। স্পট মার্কেটের অস্থিরতার কারণে আমদানি ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। মার্চ-এপ্রিল মাসে স্পট কার্গোগুলোর গড় দাম ছিল ২০ থেকে ২২ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে যেসব কার্গো এসেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড (ইউকে): ২১.৫৮ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ (৫-৬ এপ্রিল) পস্কো ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন (দক্ষিণ কোরিয়া): দুটি কার্গো প্রতিটি ২০.৭৬ ডলার (৯-১০ এপ্রিল ও ১২-১৩ এপ্রিল) এপ্রিল মাসে মোট ৯টি কার্গোর মধ্যে ৮টি ছিল স্পট মার্কেটের। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১১টি স্পট কার্গো কিনেছে। কাতারএনার্জি মার্চ মাসে ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলার
পরে বন্ধ ঘোষণা করে সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে স্ট্রেইট অব হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয় এবং কাতারের রাস লাফানের এলএনজি সুবিধায় ক্ষয়ক্ষতি হয়। ফলে কাতারের প্রায় ১৭ শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতা (১২.৮ মিলিয়ন টন) ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য বন্ধ থাকতে পারে। যদিও যুদ্ধবিরতির পর কাতারএনার্জি কিছু ট্রেন পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি নিয়েছে, পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে। এই সংকটের কারণে মার্চ-এপ্রিল মাসে সরকারকে অতিরিক্ত ৪৫০০ কোটি টাকা (প্রায় ৩৬৬.৭৫ মিলিয়ন ডলার) সাবসিডি বাড়াতে হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ তার মোট এলএনজি আমদানির অর্ধেকেরও বেশি কাতার থেকে নিয়েছিল। বর্তমানে জ্বালানি আমদানির জন্য সরকার ২ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক
অর্থায়ন চেয়েছে। ধরনা করা হচ্ছে, মার্চ-জুন পর্যন্ত শুধু জ্বালানি ও সারের জন্য অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা প্রয়োজন হতে পারে ২.৬১ বিলিয়ন ডলার। ইউনূসের প্রিয়পাত্র পিটার হাস এর কোম্পানি থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি ক্রয় বিশ্ববাজারে দামের ওঠানামার মধ্যেও ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে কম দামে এলএনজি আমদানি করতে পেরেছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের আমলে (২০২৪ থেকে ২০২৬ সালে) আমদানির পরিমাণ বাড়ার সাথে সাথে মোট ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ গড়ে ১২.৮৪ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ দরে এলএনজি আমদানি করেছে। ৮৬টি কার্গো আমদানিতে মোট ব্যয় হয় প্রায় ৩.০২ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে গড় দাম ছিল ১৩.৫০ থেকে
১৫.০০ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ-এর মধ্যে। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের আমলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ১০৯টি কার্গো আমদানি করে মোট ৩.৮৮ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪৬,০০০ কোটি টাকা) খরচ করে। এ সময় গড় দাম ছিল ১৩.৫২ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ। পিটার হাসের কোম্পানি থেকে ২.৫ ডলার বেশী মূল্যে LNG আমদানির আদেশ যদিও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে ২০১৮ সালে সম্পাদিত চুক্তি চলমান ছিল এবং বাংলাদেশের সুযোগ ছিল সেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অধীনে কাতার থেকে ২.৫ মিলিয়ন টন (প্রায়) এলএনজি ৯.৫–১১ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ দরে কেনার, তবুও ইউনূস সরকার ড. ইউনূসের পরম বন্ধু পিটার হাসের কোম্পানি (এক্সেলারেট এনার্জি) থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি ক্রয় করে। ২০২৪ সালের আগস্টের
পর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কাতারের সাথে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বাইরে গিয়ে ইউনূস সরকারের এলএনজি ক্রয়ে অতিরিক্ত প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা (৮৫৫ মিলিয়ন ডলার) বেশি খরচ হয়েছে বলে পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে। এই অতিরিক্ত ব্যয় মূলত স্পট মার্কেট ও উচ্চমূল্যের স্বল্পমেয়াদি চুক্তির কারণে হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্পট মার্কেটের দামের ওঠানামা জ্বালানি খাতের সাবসিডি বোঝা বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৫ সালে এলএনজি সাবসিডি ব্যয়ও আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে স্পট দাম আবার বেড়ে যাওয়ায় ২০২৬ সালে জ্বালানি আমদানির খরচ আরও চাপ তৈরি করছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির সুবিধা পাওয়ার পরও বৈশ্বিক সংকটের কারণে বাংলাদেশকে
বারবার চড়া দামে স্পট মার্কেটে নির্ভর করতে হচ্ছে, যা জ্বালানি খাতের সাবসিডি বোঝা আরও বাড়িয়ে তুলছে। মে মাসে দাম কিছুটা কমলেও (টোটালএনার্জিস ১৯.৮২৫ ডলার, আরামকো ১৯.১৯৪ ডলার) সামগ্রিক চাপ অব্যাহত রয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিকল্প উৎসের ওপর জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।



