ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা ভারতের ‘মেহমান’, আওয়ামী লীগ রাজনীতির ‘বাস্তবতা’: গৌতম লাহিড়ী
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফ রহমানের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, মিয়াপাড়ায় তোলপাড়
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ‘আত্মঘাতী’: আনিস আলমগীর
‘ছাত্রদের নেপথ্যে ছিল জঙ্গিবাদীরা, শেখ হাসিনার কথাই সত্য হলো’
কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ স্থগিত
কালের কণ্ঠের বৈশাখী আড্ডায় বিশিষ্টজনেরা উঠে এল ‘মব সংস্কৃতি’ ও সাংবাদিক হয়রানির কথা
“তারেক রহমান এর মতন একটা লম্পট, বাটপার, হাওয়া ভবন করা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার ঘটনা ঘটানো একটা লোক কি এখন কোন দায় নেয়
প্রতি মাসে গ্রেপ্তারের হুমকি পেতাম’
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিজে রাস্তায় থেকে বক্তৃতা দিয়েছেন এবং তৎকালীন সরকারের পদত্যাগের দাবি প্রথম তিনিই তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আবদুন নূর তুষার। তিনি বলেছেন, আন্দোলনের সময় বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতে কথা বলার কারণে প্রতি মাসে তাঁকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হতো।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ডা. আবদুন নূর তুষার এসব কথা বলেন।
আন্দোলনের দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করে ডা. তুষার বলেন, ‘যখন এই আন্দোলন হয়, আমি কিন্তু রাস্তায় ছিলাম। আমি বক্তৃতা দিয়েছি। ছেলেমেয়েদের বুকে গুলি চালানো ঠিক না, নির্বাচন দিয়ে দেওয়া উচিত এবং ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া উচিত—বক্তৃতায় আমি এসব কথা বলেছি।’ পদত্যাগের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখন অনেকেই বলে পদত্যাগের দাবি
অমুক করেছে, তমুক করেছে; কিন্তু এই পদত্যাগের দাবি আমিই করেছিলাম। তবে এগুলো নিয়ে এখন স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্কের মতো অবস্থা হয়ে যাবে, তাই ওই জায়গায় যাওয়া উচিত নয়।’ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরের একটি ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের পর যখন ইউনূস সাহেব এলেন, তখন আমি ধরে নিয়েছিলাম কাজ শেষ। কিন্তু আমার মা আমাকে বললেন, তোমরা মুক্তিযুদ্ধ নষ্ট করছ কেন? আমি বললাম, আমরা তো কিছু করছি না। তখন মা বললেন, তোমরা যে কিছু করছ না, এটাই অন্যায়।’ মায়ের উৎসাহেই টকশোতে কথা বলা শুরু করেন জানিয়ে ডা. তুষার বলেন, ‘মা আমাকে বললেন, তোমাকে আমি কথা বলা শিখাই নাই? এরপর আমি
একুশে টিভিতে ফোন করে বলি আমি টকশোতে যাব। এরপর থেকে নিয়মিত বিভিন্ন টকশোতে গিয়ে কথা বলতে শুরু করি।’ টকশোতে কথা বলার কারণে নিয়মিত হুমকির শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব বলেন, ‘আমি প্রতি মাসে গ্রেপ্তারের হুমকি পেতাম। হুমকি পেলেই সাংবাদিক মাসুদ কামাল ও আনিস আলমগীরকে ফোন করতাম।’ তিনি অভিযোগ করেন, তাদের বিরুদ্ধে বিদেশ থেকেও উসকানি দেওয়া হতো এবং একটি গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে অনলাইনে তাদের হুমকি-ধামকি দিত। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির প্রসঙ্গ টেনে একটি অভিজ্ঞতার কথা জানান ডা. তুষার। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা আমাকে বলতেন, তুমি এত জোরে কথা বলো কেন? তুমি রনির মতো আস্তে কথা বলবে। আস্তে
বললে মানুষ ভাবে তুমি নম্র ও ভদ্র। তখন অনেক কড়া কথাও হাসতে হাসতে বলা যায়।’
অমুক করেছে, তমুক করেছে; কিন্তু এই পদত্যাগের দাবি আমিই করেছিলাম। তবে এগুলো নিয়ে এখন স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্কের মতো অবস্থা হয়ে যাবে, তাই ওই জায়গায় যাওয়া উচিত নয়।’ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরের একটি ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের পর যখন ইউনূস সাহেব এলেন, তখন আমি ধরে নিয়েছিলাম কাজ শেষ। কিন্তু আমার মা আমাকে বললেন, তোমরা মুক্তিযুদ্ধ নষ্ট করছ কেন? আমি বললাম, আমরা তো কিছু করছি না। তখন মা বললেন, তোমরা যে কিছু করছ না, এটাই অন্যায়।’ মায়ের উৎসাহেই টকশোতে কথা বলা শুরু করেন জানিয়ে ডা. তুষার বলেন, ‘মা আমাকে বললেন, তোমাকে আমি কথা বলা শিখাই নাই? এরপর আমি
একুশে টিভিতে ফোন করে বলি আমি টকশোতে যাব। এরপর থেকে নিয়মিত বিভিন্ন টকশোতে গিয়ে কথা বলতে শুরু করি।’ টকশোতে কথা বলার কারণে নিয়মিত হুমকির শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব বলেন, ‘আমি প্রতি মাসে গ্রেপ্তারের হুমকি পেতাম। হুমকি পেলেই সাংবাদিক মাসুদ কামাল ও আনিস আলমগীরকে ফোন করতাম।’ তিনি অভিযোগ করেন, তাদের বিরুদ্ধে বিদেশ থেকেও উসকানি দেওয়া হতো এবং একটি গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে অনলাইনে তাদের হুমকি-ধামকি দিত। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির প্রসঙ্গ টেনে একটি অভিজ্ঞতার কথা জানান ডা. তুষার। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা আমাকে বলতেন, তুমি এত জোরে কথা বলো কেন? তুমি রনির মতো আস্তে কথা বলবে। আস্তে
বললে মানুষ ভাবে তুমি নম্র ও ভদ্র। তখন অনেক কড়া কথাও হাসতে হাসতে বলা যায়।’



