ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ২ বিলিয়ন ডলার বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন তারেক
শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক আইজিপি মামুন
তারেক রহমানের আবার ইতিহাস বিকৃতি: ভাসানী মৃত্যুর তিন বছর পর ‘ধানের শীষ’ মার্কা তুলে দিলেন জিয়ার হাতে!
রাজস্ব আদায়ে হিমশিম: ৬ লক্ষ কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য সরকারের; ব্যাবসায়ীদের অপারগতা
মাদ্রাসাগুলো হয়ে উঠছে জামায়াত-শিবির সহ উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠির আজ্ঞাবহ যোদ্ধা তৈরির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
মামলায় জামিন নেই, দীপু দাস-কে বর্বরভাবে পুড়িয়ে মারা আসামিরা সহজে জামিন পেলেন
পুলিশে শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের নামে দু’বার অর্থ লোপাট: ফারুকীর নেতৃত্বে তুঘলকি দুর্নীতির নতুন মাত্রা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণের নামে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ প্রকল্পে উদ্বোধনের নামে দু’বার অর্থ ব্যয় করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তাফা সারোয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কোনো অনুষ্ঠান ছাড়াই প্রধান উপদেষ্টার উদ্বোধন দেখিয়ে শ্রম খাত ও স্টেশনারি খাতের নামে কোটি কোটি টাকা পকেটস্থ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রমতে, জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নামে একই কাজ দু’বার বিল দেখানো হয়েছে। প্রথমবার জানুয়ারিতে এবং দ্বিতীয়বার ফেব্রুয়ারিতে— উভয় ক্ষেত্রেই কোনো বাস্তব অনুষ্ঠান হয়নি। শুধুমাত্র কাগজে-কলমে ‘উদ্বোধন’ দেখিয়ে শ্রমিকদের মজুরি, স্টেশনারি ও আপ্যায়ন ব্যয়ের নামে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া তিন কোটি ৩১ লাখ টাকার
অফিস সরঞ্জাম কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম ও ভুয়া টেন্ডারের অভিযোগও রয়েছে। ফারুকী নিজেকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান নিয়োগ করে স্বার্থের সংঘাত তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার নেতৃত্বে জাতীয় জাদুঘর ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নামে পৃথক বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে জাতীয় জাদুঘরের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ সরিয়ে ব্যয় দেখানো হয়েছে। অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের (যেমন তানজিম বিন ওহাব, মেরিনা তাবাসসুম, সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ) নিয়োগ দিয়ে দুর্নীতির পথ আরও সুগম করা হয়েছে বলে দাবি। এসব অভিযোগ প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদপত্রে বিভিন্ন খবর প্রকাশিত হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় বিশ্বাসী ছাত্র-জনতা ও বিভিন্ন সংগঠন ফারুকীসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত গ্রেফতার, সম্পদ জব্দ এবং দুদকের
মাধ্যমে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অনেকে বলছেন, “জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া স্মৃতি জাদুঘরকে লুটপাটের আখড়ায় পরিণত করা হয়েছে।” ফারুকী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আমি জানি আমি অনেক বড় পাপ করেছি”— কিন্তু সুনির্দিষ্ট জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেছেন। সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ‘তুঘলকি দুর্নীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। উদ্বোধনের নামে দু’বার অর্থ ব্যয় করা শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, জুলাই আন্দোলনের চেতনা ও শহিদদের প্রতি অবমাননা বলে মনে করছেন তারা। দুর্নীতির পাহাড় এখন থলের বেড়াল বেরিয়ে আসছে বলে মন্তব্য করা হচ্ছে। সরকারি সূত্র জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন। তবে জনগণের দাবি— জুলাই যাদুঘর প্রকল্পের প্রতিটি পয়সার হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এই ঘটনা
দেখিয়ে দিচ্ছে যে, জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের নাম ভাঙ্গিয়ে আদর্শকে ধারণ করার নামে যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ কীভাবে সেই আদর্শকেই কলঙ্কিত করছেন। জনগণ এখন দেখতে চায়, এই ‘তুঘলকি দুর্নীতি কাণ্ডে’ সরকার কতটা নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থান নেয়।
অফিস সরঞ্জাম কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম ও ভুয়া টেন্ডারের অভিযোগও রয়েছে। ফারুকী নিজেকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান নিয়োগ করে স্বার্থের সংঘাত তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার নেতৃত্বে জাতীয় জাদুঘর ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নামে পৃথক বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে জাতীয় জাদুঘরের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ সরিয়ে ব্যয় দেখানো হয়েছে। অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের (যেমন তানজিম বিন ওহাব, মেরিনা তাবাসসুম, সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ) নিয়োগ দিয়ে দুর্নীতির পথ আরও সুগম করা হয়েছে বলে দাবি। এসব অভিযোগ প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদপত্রে বিভিন্ন খবর প্রকাশিত হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় বিশ্বাসী ছাত্র-জনতা ও বিভিন্ন সংগঠন ফারুকীসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত গ্রেফতার, সম্পদ জব্দ এবং দুদকের
মাধ্যমে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অনেকে বলছেন, “জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া স্মৃতি জাদুঘরকে লুটপাটের আখড়ায় পরিণত করা হয়েছে।” ফারুকী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আমি জানি আমি অনেক বড় পাপ করেছি”— কিন্তু সুনির্দিষ্ট জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেছেন। সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ‘তুঘলকি দুর্নীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। উদ্বোধনের নামে দু’বার অর্থ ব্যয় করা শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, জুলাই আন্দোলনের চেতনা ও শহিদদের প্রতি অবমাননা বলে মনে করছেন তারা। দুর্নীতির পাহাড় এখন থলের বেড়াল বেরিয়ে আসছে বলে মন্তব্য করা হচ্ছে। সরকারি সূত্র জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন। তবে জনগণের দাবি— জুলাই যাদুঘর প্রকল্পের প্রতিটি পয়সার হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এই ঘটনা
দেখিয়ে দিচ্ছে যে, জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের নাম ভাঙ্গিয়ে আদর্শকে ধারণ করার নামে যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ কীভাবে সেই আদর্শকেই কলঙ্কিত করছেন। জনগণ এখন দেখতে চায়, এই ‘তুঘলকি দুর্নীতি কাণ্ডে’ সরকার কতটা নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থান নেয়।



