ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা নিয়ে’ ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের
এবার নামলো চীন, আরেক সমুদ্রপথে অবরোধ
ইরানের সাথে আবারও আলোচনা শুরুর ইঙ্গিত ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি
দক্ষিণ লেবাননে বহু ইসরায়েলি সেনা হতাহত
পত্রিকাটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ও ‘ভুয়া খবর’ পরিবেশনকারী: ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ: সরকার জরুরি ভিত্তিতে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ চাইছে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। সরকার এই পরিস্থিতি সামাল দিতে আগামী জুন পর্যন্ত ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা) বাজেট সহায়তা হিসেবে ঋণ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনীতি শাখা থেকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে (ইআরডি) চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা করতে বলা হয়েছে। চিঠির সঙ্গে একটি বিস্তারিত অবস্থানপত্রও পাঠানো হয়েছে, যেখানে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট চাপের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়েছে।
চার মাসে (মার্চ থেকে জুন) বাড়তি দামে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সার আমদানিতে প্রয়োজন হবে ৩০০ কোটি ডলার। এছাড়া ভর্তুকি বাবদ অতিরিক্ত
৩৮,৫৪২ কোটি টাকা খরচ হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। অবস্থানপত্রে বলা হয়েছে, এই ঋণসহায়তা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে: বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখা এবং জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানি নিশ্চিত করা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে স্বল্প সময়ের জন্য সহায়তা প্রদান দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি ও সারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে বড় চাপ তৈরি করেছে। এই ঋণ জরুরি প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ও একই ধরনের সংকট দেখা দিয়েছিল। তখন জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমে যায় এবং দারিদ্র্যের হার ৯ শতাংশেরও বেশি
বেড়ে যায়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ৩১ মার্চ বলেছিলেন, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বসন্তকালীন সভায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে। বর্তমানে অর্থমন্ত্রীসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনে এই সভায় যোগ দিয়েছেন, যেখানে আইএমএফের কাছে অতিরিক্ত ঋণ চাওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে। সরকার আশা করছে, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে এই জরুরি ঋণ পেলে চলতি অর্থবছরের শেষভাগে অর্থনৈতিক চাপ অনেকটা কমানো সম্ভব হবে।
৩৮,৫৪২ কোটি টাকা খরচ হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। অবস্থানপত্রে বলা হয়েছে, এই ঋণসহায়তা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে: বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখা এবং জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানি নিশ্চিত করা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে স্বল্প সময়ের জন্য সহায়তা প্রদান দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি ও সারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে বড় চাপ তৈরি করেছে। এই ঋণ জরুরি প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ও একই ধরনের সংকট দেখা দিয়েছিল। তখন জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমে যায় এবং দারিদ্র্যের হার ৯ শতাংশেরও বেশি
বেড়ে যায়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ৩১ মার্চ বলেছিলেন, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বসন্তকালীন সভায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে। বর্তমানে অর্থমন্ত্রীসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনে এই সভায় যোগ দিয়েছেন, যেখানে আইএমএফের কাছে অতিরিক্ত ঋণ চাওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে। সরকার আশা করছে, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে এই জরুরি ঋণ পেলে চলতি অর্থবছরের শেষভাগে অর্থনৈতিক চাপ অনেকটা কমানো সম্ভব হবে।



