ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
৪৩ দিনেই ব্যাংক থেকে ৪১ হাজার কোটি টাকা ধার ইউনূসের পর বেপরোয়া ঋণ নিচ্ছে নতুন সরকারও
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
কুমিল্লার পেট্রোল পাম্পের সামনে পাঁচ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে একজন মানুষ পাচ্ছেন মাত্র চার লিটার তেল। এটা কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের গল্প না। এটা ২০২৬ সালের বাংলাদেশ, যেখানে একটি সরকার আছে, একটি মন্ত্রিসভা আছে, এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলে একটি প্রতিষ্ঠানও আছে।
বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের পর ক্ষমতায় বসেছে। সেই ভোটে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো ছিল না, সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল না, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। যা ছিল সেটাকে নির্বাচন বলার চেয়ে একটা প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা বলা বেশি সৎ। সেই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের কাছে জনগণের জ্বালানি সংকটের জবাব চাওয়ার নৈতিক জায়গাটা কোথায়?
সমস্যা হলো, জনগণ সেই জবাব চাইতেও পারছে না। কারণ যে সরকারের ভোটের বৈধতাই
নেই, তার জবাবদিহিতার প্রশ্নটা তুলতে গেলেও একটা অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি হয়। মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, কিন্তু সেই ক্ষোভ যাবে কোথায়? কে শুনবে? বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সেনানিবাসের ছায়ায় জন্ম নেওয়া এই দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা কিছু যোগ করেছে তার মধ্যে দুর্নীতি, পেশিশক্তি আর ক্ষমতার অপব্যবহার অন্যতম। কিন্তু এবারের ক্ষমতায় আসার গল্পটা আগের বারগুলোর চেয়েও বেশি বেদনার, কারণ এবার অন্তত একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভান করা হয়নি। মন্ত্রিসভার সদস্যরা এখন কী করছেন? জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার বসিয়ে লাইন ম্যানেজ করাটাকে যদি সমাধান মনে করা হয়, তাহলে বুঝতে হবে
এই সরকারের কাছে সমস্যার গভীরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। একটা সরকার যখন সংকট সমাধানের বদলে সংকট ব্যবস্থাপনাকেই লক্ষ্য বানিয়ে ফেলে, তখন বুঝতে হয় পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। মজুদদারির অভিযোগও উঠছে। কেউ কেউ পাম্পে ভিড় করছেন তেল মজুদ করতে। এই ধরনের পরিস্থিতি কখনো এমনি এমনি তৈরি হয় না। যখন সরবরাহ অনিশ্চিত থাকে, মানুষ মজুদ করে। আর যখন মজুদ হয়, সংকট আরও বাড়ে। এই চক্রটা ভাঙার দায়িত্ব সরকারের, যে সরকার এখন কার্যত নীরব। কুমিল্লার উজ্জ্বল হোসেন পাঁচ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বাইকে তেল দেওয়ার জন্য, কারণ বাইক ছাড়া তিনি কর্মস্থলে যেতে পারবেন না। আরজু চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পেয়েছেন চার লিটার। এই মানুষগুলো
কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করছেন না, তারা শুধু বাঁচার চেষ্টা করছেন। আর এই বাঁচার চেষ্টাটাকে এতটা কঠিন করে তোলার দায় যাদের, তারা আপাতত মন্ত্রিত্বের আরামে বসে আছেন।
নেই, তার জবাবদিহিতার প্রশ্নটা তুলতে গেলেও একটা অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি হয়। মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, কিন্তু সেই ক্ষোভ যাবে কোথায়? কে শুনবে? বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সেনানিবাসের ছায়ায় জন্ম নেওয়া এই দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা কিছু যোগ করেছে তার মধ্যে দুর্নীতি, পেশিশক্তি আর ক্ষমতার অপব্যবহার অন্যতম। কিন্তু এবারের ক্ষমতায় আসার গল্পটা আগের বারগুলোর চেয়েও বেশি বেদনার, কারণ এবার অন্তত একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভান করা হয়নি। মন্ত্রিসভার সদস্যরা এখন কী করছেন? জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার বসিয়ে লাইন ম্যানেজ করাটাকে যদি সমাধান মনে করা হয়, তাহলে বুঝতে হবে
এই সরকারের কাছে সমস্যার গভীরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। একটা সরকার যখন সংকট সমাধানের বদলে সংকট ব্যবস্থাপনাকেই লক্ষ্য বানিয়ে ফেলে, তখন বুঝতে হয় পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। মজুদদারির অভিযোগও উঠছে। কেউ কেউ পাম্পে ভিড় করছেন তেল মজুদ করতে। এই ধরনের পরিস্থিতি কখনো এমনি এমনি তৈরি হয় না। যখন সরবরাহ অনিশ্চিত থাকে, মানুষ মজুদ করে। আর যখন মজুদ হয়, সংকট আরও বাড়ে। এই চক্রটা ভাঙার দায়িত্ব সরকারের, যে সরকার এখন কার্যত নীরব। কুমিল্লার উজ্জ্বল হোসেন পাঁচ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বাইকে তেল দেওয়ার জন্য, কারণ বাইক ছাড়া তিনি কর্মস্থলে যেতে পারবেন না। আরজু চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পেয়েছেন চার লিটার। এই মানুষগুলো
কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করছেন না, তারা শুধু বাঁচার চেষ্টা করছেন। আর এই বাঁচার চেষ্টাটাকে এতটা কঠিন করে তোলার দায় যাদের, তারা আপাতত মন্ত্রিত্বের আরামে বসে আছেন।



