ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
ঢাকা বার নির্বাচন ২০২৬: স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বাধাদানের তীব্র নিন্দা ‘একতরফা নির্বাচন ঢাকা বারের ইতিহাসে কলঙ্কজনক নজির হয়ে থাকবে’
আসন্ন ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) নির্বাচন-২০২৬ এ স্বতন্ত্র ও নারী প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম উত্তোলনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাধা সৃষ্টি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বারের সাধারণ আইনজীবী ও নিয়মিত প্র্যাকটিশনার ফারজানা ইয়াসমিন রাখি।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সকল প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা বার একটি ঐতিহ্যবাহী ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। এখানে দলীয় প্রভাব বা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সকল আইনজীবীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই হলো মূল লক্ষ্য। কিন্তু সাধারণ আইনজীবীদের স্বতন্ত্র বা নারী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে
বঞ্চিত করার চেষ্টা এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ও মর্যাদার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। "অবাধ অংশগ্রহণ ছাড়া একতরফা নির্বাচন ঢাকা বারের ইতিহাসে এক ঘৃণ্য ও কলঙ্কজনক নজির হয়ে থাকবে।" — অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি, সাধারণ আইনজীবী। সমিতির গঠনতন্ত্রের কথা উল্লেখ করে অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ঢাকা বারের প্রত্যেক বৈধ সদস্য (যাদের সদস্যপদ সক্রিয় এবং চাঁদা পরিশোধিত) নির্বাচনে অংশগ্রহণ, ভোট প্রদান এবং প্রার্থী হওয়ার সমান অধিকার রাখেন। তাই কোনো যোগ্য সদস্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে মনোনয়ন ফরম না দেওয়া বা নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করা সরাসরি গঠনতন্ত্রবিরোধী ও সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। তিনি নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কথা বলেন এবং তাদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন পরিচালনা
কমিটির দায়িত্ব হলো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা। সকল প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করে তাদের যেকোনো পক্ষপাত, বৈষম্য বা প্রভাবমুক্ত থাকতে হবে। সাধারণ ভোটাররা যেন তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, একজন ভোটার হিসেবে এতটুকুই আমাদের প্রত্যাশা।” বিবৃতির শেষে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে উত্থাপিত এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। সকল প্রার্থীর সমান ও অবাধ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। অন্যথায়, সাধারণ আইনজীবীদের অধিকার হরণকারী এই একতরফা নির্বাচন ঢাকা বারের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
বঞ্চিত করার চেষ্টা এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ও মর্যাদার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। "অবাধ অংশগ্রহণ ছাড়া একতরফা নির্বাচন ঢাকা বারের ইতিহাসে এক ঘৃণ্য ও কলঙ্কজনক নজির হয়ে থাকবে।" — অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি, সাধারণ আইনজীবী। সমিতির গঠনতন্ত্রের কথা উল্লেখ করে অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ঢাকা বারের প্রত্যেক বৈধ সদস্য (যাদের সদস্যপদ সক্রিয় এবং চাঁদা পরিশোধিত) নির্বাচনে অংশগ্রহণ, ভোট প্রদান এবং প্রার্থী হওয়ার সমান অধিকার রাখেন। তাই কোনো যোগ্য সদস্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে মনোনয়ন ফরম না দেওয়া বা নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করা সরাসরি গঠনতন্ত্রবিরোধী ও সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। তিনি নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কথা বলেন এবং তাদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন পরিচালনা
কমিটির দায়িত্ব হলো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা। সকল প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করে তাদের যেকোনো পক্ষপাত, বৈষম্য বা প্রভাবমুক্ত থাকতে হবে। সাধারণ ভোটাররা যেন তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, একজন ভোটার হিসেবে এতটুকুই আমাদের প্রত্যাশা।” বিবৃতির শেষে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে উত্থাপিত এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। সকল প্রার্থীর সমান ও অবাধ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। অন্যথায়, সাধারণ আইনজীবীদের অধিকার হরণকারী এই একতরফা নির্বাচন ঢাকা বারের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।



