ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ
সমঝোতা না হলে ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়
আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জানালো ইরান
শেষ পর্যন্ত ইরানের দ্বারস্থ হলো সৌদি আরব
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মাখামাখির ফল: বাংলাদেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দেয়নি ইরান
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি পায়নি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’। এর প্রেক্ষিতে জাজাহটিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
২০২৪-এ রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অতি ‘মাখামাখি’র ফল ভুগতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কালো ছায়া যেমন পড়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও পড়েছে এর প্রভাব।
যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে ইরানকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে, সেই মার্কিনিদের সাথে বাংলাদেশের নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট, আমদানি-রপ্তানির গতি-প্রকৃতির পরিবর্তন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি-কূটনীতি এমনকি সামরিক খাতে মার্কিনিদের প্রভাব, রাশিয়া থেকে তেল কিনতে মার্কিনিদের অনুমতিসহ বিভিন্ন বিষয় নজর এড়ায়নি ইরানের।
বাংলাদেশ সরকারের অস্পষ্ট
বিবৃতিতে কষ্ট পেয়েছি, কাম্য ছিল না: ইরানের রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি ইরানের প্রত্যাশার পারদ ছিল আকাশচুম্বি। ইরানে হামলা প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানও ছিল প্রত্যাশিত। বিশ্বের অমুসলিম অনেক রাষ্ট্র ইরানের পক্ষাবলম্বন করলেও বাংলাদেশ কূটনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট না করে পরোক্ষভাবে মার্কিন নীতি অনুসরণ করেছে। এ নিয়ে সরাসরি অসন্তোষ জানান ঢাকাস্থ ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। গত ১লা এপ্রিল ইরান দূতাবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি। এই বিবৃতি আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত ছিল। বাংলাদেশ আমাদের ভাই হিসেবে ইরানে আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে নিন্দা করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু সেটা হয়নি। এটি আমাদের জন্য কষ্টের
বিষয়।’ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া ও চীন মুসলিম দেশ না হয়েও তারা এই আগ্রাসনের ব্যাপারে নিন্দা জানিয়েছে। সেখানে একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও জোরালো হওয়া উচিত ছিল। জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ: ইরানে ৬টি জাহাজের অনুমোদন পেলেও ৫টির অস্তিত্বই নেই! কূটনীতিবিদরা এ ঘটনাকে এখন অব্দি ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বলে মনে না করলেও বাণিজ্যিক সম্পর্কে একটা বড় ধাক্কা হিসেবে মনে করছেন। হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়
সংস্থার জাহাজটি। ১০ই এপ্রিল, শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছানোর পর ইরান সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএসসি- এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক জানান, ইরান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা মেলেনি। ফলে জাহাজটিকে আপাতত নিরাপদে শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জাহাজটি বর্তমানে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থান করছে। কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিক নিরাপদে আছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের মজুত রয়েছে। পাশাপাশি নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে দৈনিক খাবারের বরাদ্দ জনপ্রতি ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। বিএসসি সূত্রে
জানা গেছে, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২রা ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭শে ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায় জাহাজটি। বর্তমান পরিস্থিতিতে জাহাজটির গতিপথ পরিবর্তন করা হলেও নাবিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বিবৃতিতে কষ্ট পেয়েছি, কাম্য ছিল না: ইরানের রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি ইরানের প্রত্যাশার পারদ ছিল আকাশচুম্বি। ইরানে হামলা প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানও ছিল প্রত্যাশিত। বিশ্বের অমুসলিম অনেক রাষ্ট্র ইরানের পক্ষাবলম্বন করলেও বাংলাদেশ কূটনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট না করে পরোক্ষভাবে মার্কিন নীতি অনুসরণ করেছে। এ নিয়ে সরাসরি অসন্তোষ জানান ঢাকাস্থ ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। গত ১লা এপ্রিল ইরান দূতাবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি। এই বিবৃতি আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত ছিল। বাংলাদেশ আমাদের ভাই হিসেবে ইরানে আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে নিন্দা করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু সেটা হয়নি। এটি আমাদের জন্য কষ্টের
বিষয়।’ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া ও চীন মুসলিম দেশ না হয়েও তারা এই আগ্রাসনের ব্যাপারে নিন্দা জানিয়েছে। সেখানে একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও জোরালো হওয়া উচিত ছিল। জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ: ইরানে ৬টি জাহাজের অনুমোদন পেলেও ৫টির অস্তিত্বই নেই! কূটনীতিবিদরা এ ঘটনাকে এখন অব্দি ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বলে মনে না করলেও বাণিজ্যিক সম্পর্কে একটা বড় ধাক্কা হিসেবে মনে করছেন। হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়
সংস্থার জাহাজটি। ১০ই এপ্রিল, শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছানোর পর ইরান সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএসসি- এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক জানান, ইরান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা মেলেনি। ফলে জাহাজটিকে আপাতত নিরাপদে শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জাহাজটি বর্তমানে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থান করছে। কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিক নিরাপদে আছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের মজুত রয়েছে। পাশাপাশি নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে দৈনিক খাবারের বরাদ্দ জনপ্রতি ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। বিএসসি সূত্রে
জানা গেছে, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২রা ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭শে ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায় জাহাজটি। বর্তমান পরিস্থিতিতে জাহাজটির গতিপথ পরিবর্তন করা হলেও নাবিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।



