ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নেতৃত্ব দেবেন যারা
‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ করে তেল শোধনাগারে হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর ইসরাইলজুড়ে সাইরেন
সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে প্রচুর আলোচনা ও দরকষাকষির সুযোগ আছে
আজ রাতে পুরো একটি সভ্যতা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
অতীতের সব রেকর্ড ভাঙল বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট
কবে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় বৈঠকের আগে একটি যুদ্ধবিরতি কাঠামো চূড়ান্ত হলে আগামীকাল বৃহস্পতি বা পরদিন শুক্রবার হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে পারে তেহরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
যুদ্ধের সময় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সমঝোতার অংশ হিসেবে তেহরান এই প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে।
রয়টার্সকে ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ইরানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই এই নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে আছে। সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণের তথ্য বলছে, যুদ্ধের আগে
যত জাহাজ চলাচল করত, এখন তার মাত্র পাঁচ শতাংশ পার হতে পারছে। তবে কিছু ট্যাংকার চলাচল করতে পেরেছে। পাকিস্তান ও ভারত তাদের পতাকাবাহী কিছু জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করেছে। তবে আজ থেকে হরমুজ প্রণালিতে শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। সেক্ষেত্রে ট্রানজিট ফি গুণতে হবে সবাইকে। ইরান এই ফি নেবে, সঙ্গে থাকবে ওমানও। জানা গেছে, ইরান প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নিচ্ছে। তবে কোনো জাহাজ মালিক এই ফি দিয়েছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
যত জাহাজ চলাচল করত, এখন তার মাত্র পাঁচ শতাংশ পার হতে পারছে। তবে কিছু ট্যাংকার চলাচল করতে পেরেছে। পাকিস্তান ও ভারত তাদের পতাকাবাহী কিছু জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করেছে। তবে আজ থেকে হরমুজ প্রণালিতে শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। সেক্ষেত্রে ট্রানজিট ফি গুণতে হবে সবাইকে। ইরান এই ফি নেবে, সঙ্গে থাকবে ওমানও। জানা গেছে, ইরান প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নিচ্ছে। তবে কোনো জাহাজ মালিক এই ফি দিয়েছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।



