ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেলের পাইপলাইনে হামলা ইরানের
যুদ্ধবিরতিতে সাময়িক স্বস্তি, তবে ট্রাম্পের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না বিশ্বনেতারা
লেবাননে ইসরাইলের নির্বিচার হামলায় ৮৯ জন নিহত
ইরান নিয়ে আগেই সতর্ক করেছিল এফবিআই, পাত্তা দেয়নি ওয়াশিংটন
লেবাননে ১০ মিনিটের ব্যবধানে ১০০ বিমান হামলা ইসরাইলের
‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ করে তেল শোধনাগারে হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কবে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে জানাল ইরান
সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে প্রচুর আলোচনা ও দরকষাকষির সুযোগ আছে
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিশেষ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে এখনো আলোচনার সুযোগ রয়েছে।
হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে ভ্যান্স বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া নিয়ে মার্কিন আল্টিমেটাম শেষ হতে আর মাত্র ১২ ঘণ্টা বাকি থাকলেও এর মধ্যে ‘প্রচুর দরকষাকষি’ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষ একটি সম্মানজনক সমাধানে পৌঁছাতে পারবে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট যখন এই কূটনৈতিক আলোচনার কথা বলছেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ অত্যন্ত কঠোর ও সংঘাতময় বার্তা পোস্ট করেন। ট্রাম্প সতর্ক করে
বলেন, আজ রাতে একটি আস্ত সভ্যতা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এমন ধ্বংসযজ্ঞ চান না, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি ঘটার সম্ভাবনাই বেশি। এর আগে ট্রাম্প ইরানকে ‘পাথর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, দেশটির সমস্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে, এমনকি এতে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠলেও তিনি পিছপা হবেন না। জেডি ভ্যান্স ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে সতর্ক করেন, তেহরান যদি আলোচনায় না বসে তবে তাদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়বে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত তাদের ভাণ্ডারের সব অস্ত্র বা কৌশল ব্যবহার করেনি। ইরান যদি তাদের আচরণের পরিবর্তন না
করে এবং প্রেসিডেন্টের দাবি মেনে না নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের হাতে থাকা অন্যান্য কঠোর বিকল্পগুলো প্রয়োগ করতে দ্বিধা করবে না। মূলত ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া এই অন্তিম সময়সীমা এবং ভ্যান্সের আলোচনার ইঙ্গিত—সব মিলিয়ে পুরো বিশ্ব এখন এক চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সময় পার করছে। সূত্র: সিএনএন।
বলেন, আজ রাতে একটি আস্ত সভ্যতা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এমন ধ্বংসযজ্ঞ চান না, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি ঘটার সম্ভাবনাই বেশি। এর আগে ট্রাম্প ইরানকে ‘পাথর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, দেশটির সমস্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে, এমনকি এতে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠলেও তিনি পিছপা হবেন না। জেডি ভ্যান্স ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে সতর্ক করেন, তেহরান যদি আলোচনায় না বসে তবে তাদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়বে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত তাদের ভাণ্ডারের সব অস্ত্র বা কৌশল ব্যবহার করেনি। ইরান যদি তাদের আচরণের পরিবর্তন না
করে এবং প্রেসিডেন্টের দাবি মেনে না নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের হাতে থাকা অন্যান্য কঠোর বিকল্পগুলো প্রয়োগ করতে দ্বিধা করবে না। মূলত ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া এই অন্তিম সময়সীমা এবং ভ্যান্সের আলোচনার ইঙ্গিত—সব মিলিয়ে পুরো বিশ্ব এখন এক চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সময় পার করছে। সূত্র: সিএনএন।



