ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুদ্ধের মধ্যেও খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি বেড়েছে ইরানের
কতদিন চলবে যুদ্ধ, জানাল ইরানের সেনাবাহিনী
যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছরের দম্ভ চুরমার করে দিল ইরান
ইরান যুদ্ধ: ‘অহমিকা’ ও ‘অবিশ্বাস’-এর মাঝেও কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান
কেন ইরান যুদ্ধের চরম মূল্য দিচ্ছে ইউরোপ ও এশিয়ার মার্কিন মিত্ররা?
খাদ্য ও ওষুধ সংকটে পড়তে পারে কোটি মানুষ
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরান-ওমান বৈঠক শুরু
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির আধা সরকারি গণমাধ্যম ইরনার খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরনার খবরে বলা হয়েছে, তেহরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তা মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের কাছে এরই মধ্যে পাঠিয়েছে।
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তেহরান জানিয়েছে, সাময়িকভাবে নয়, স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ না হলে এই সমস্যার কোনো সমাধান হবে না।
এসময় দেশটি স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের ওপর জোর দেয় বলেও ইরনার খবরে বলা হয়েছে।
এই যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। এর পাল্টা জবাবও দিচ্ছে ইরান।
এদিকে ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব যতক্ষণ প্রয়োজন মনে করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত দেশজুড়ে চলমান এই যুদ্ধ অব্যাহত রাখা হবে বলে
ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান। আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ইসনাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং এর সমাপ্তি পুরোপুরি দেশের রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। আকরামিনিয়া আরও বলেন, ইরান এই যুদ্ধে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাতে চায় যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, শত্রুপক্ষকে তাদের এই আগ্রাসনের জন্য অবশ্যই অনুতপ্ত হতে হবে। ইরানের লক্ষ্য হলো এমন এক টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো যুদ্ধ দেখতে করতে না হয়।
ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান। আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ইসনাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং এর সমাপ্তি পুরোপুরি দেশের রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। আকরামিনিয়া আরও বলেন, ইরান এই যুদ্ধে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাতে চায় যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, শত্রুপক্ষকে তাদের এই আগ্রাসনের জন্য অবশ্যই অনুতপ্ত হতে হবে। ইরানের লক্ষ্য হলো এমন এক টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো যুদ্ধ দেখতে করতে না হয়।



