ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
যশোর-২ আসনে পরাজয়: বিএনপিতে প্রকাশ্য কোন্দল, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
১৮ মার্চ বুধবার, বিকেলে উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়নের কামারচর গ্রামে এ বিক্ষোভ হয়।
ওই ছাত্রদল নেতার নাম ইয়াছিন আরাফাত। মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের পদে রয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন ইয়াছিন। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কামারচর গ্রামের বাসিন্দা হালিমা বেগম, স্থানীয় বিএনপি নেতা খলিলুর রহমান, মাহবুব আলম, নাছির উদ্দীন নয়ন, কামাল
উদ্দিন, কামাল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেকুর রহমান, কামাল্লা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জামির হোসেনসহ অনেকে। বাসিন্দা হালিমা বেগম অভিযোগ করেন, প্রায় দুই বছর আগে জমি বিক্রির কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা নেন ইয়াছিন আরাফাত। কিন্তু এখন পর্যন্ত জমি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো আরও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাইতে গেলে অপমান ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। কামাল্লা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিয়াজুল ইসলাম জানান, এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে এলাকাবাসী ছাত্রদল নেতা ইয়াছিনকে হাতেনাতে আটক করেছিলেন। পরে তিনি আটককারীদের বিরুদ্ধেই থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করে
বলেন, ইয়াছিন আরাফাতের কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। এদিকে গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ইয়াছিন আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এতে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইয়াছিন আরাফাত। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সম্পূর্ণ মিথ্যা। বুধবার রাতে ইয়াছিন আরাফাত প্রথম আলোকে বলেন, ‘যারা এলাকায় মব সৃষ্টি করে চাঁদাবাজি করে, আমি তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। আমি এসবের প্রতিবাদ করায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আর উপজেলা ছাত্রদলের কাছে আমি আজকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিয়েছি।’ এ বিষয়ে জানতে মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খাইরুল হাসানের মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি
উদ্দিন, কামাল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেকুর রহমান, কামাল্লা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জামির হোসেনসহ অনেকে। বাসিন্দা হালিমা বেগম অভিযোগ করেন, প্রায় দুই বছর আগে জমি বিক্রির কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা নেন ইয়াছিন আরাফাত। কিন্তু এখন পর্যন্ত জমি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো আরও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চাইতে গেলে অপমান ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। কামাল্লা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিয়াজুল ইসলাম জানান, এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে এলাকাবাসী ছাত্রদল নেতা ইয়াছিনকে হাতেনাতে আটক করেছিলেন। পরে তিনি আটককারীদের বিরুদ্ধেই থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করে
বলেন, ইয়াছিন আরাফাতের কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। এদিকে গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ইয়াছিন আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এতে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইয়াছিন আরাফাত। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সম্পূর্ণ মিথ্যা। বুধবার রাতে ইয়াছিন আরাফাত প্রথম আলোকে বলেন, ‘যারা এলাকায় মব সৃষ্টি করে চাঁদাবাজি করে, আমি তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। আমি এসবের প্রতিবাদ করায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আর উপজেলা ছাত্রদলের কাছে আমি আজকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিয়েছি।’ এ বিষয়ে জানতে মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খাইরুল হাসানের মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি



