ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি-জামায়াত সিন্ডিকেটে জিম্মি আদালতপাড়া: চট্টগ্রামের রাজপথে সাধারণ আইনজীবীরা
সংকট মোকাবেলায় বিপর্যস্ত সরকার: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক চাপ ও বাস্তবতার টানাপোড়েনে প্রথম বাজেট
শেখ হাসিনার জীবনের উপর কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই, নিশ্চিত করলো দিল্লি’র গোয়েন্দা সংস্থা
মাহফুজ আলমের দ্বিচারিতা: গ্রহনযোগ্যতা ফিরে পাবার রিসেট বাটন
গত বছর হামের টিকার সংকট ছিল, সরকারকে ১০ বার সতর্ক করা হয়: ইউনিসেফ
বিদ্যুতের দাম ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির
লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
কালার রেভ্যুলেশনে ক্ষত-বিক্ষত বাংলাদেশ: থার্ড ন্যাশনালিজমের উত্থান কি অনিবার্য?
শুরুতে আওয়ামী লীগের অনেকে ভেবেছিলেন নরেন্দ্র মোদী কিছু একটা করবে।।সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর বিদ্রোহীগ্রুপদের আশ্রয় না দেয়া এবং ট্রানজিট প্রদান সহ যথেষ্ট পরিমান সুবিধা বাংলাদেশ ভারতকে দিয়েছে। বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য অধিকার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের মতো বিষয়ে ভারত আন্তরিকতার পরিচয় না দিলেও ট্রান্সশিপমেন্টের মতো বেশ কিছু সুবিধা বাংলাদেশ পেয়েছে৷ এই সুসম্পর্কের ভিত্তিতে এরকম আশাবাদ।
কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হলে সেই আশাবাদের পালে আরো হাওয়া লেগেছে, বিশেষ করে ইউএসএইডের কার্যক্রম স্থগিত এবং ডিপস্টেটের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধঘোষনার পর।
তবে দুটি আশাবাদই শেষ পর্যন্ত অকার্যকর বলে ইতোমধ্যে প্রমানিত অথবা অদূরে প্রমানিত হবে। ৫ আগষ্ট যারা হেরেছেন এবং যারা
জিতেছেন- দুপক্ষের বেশীর ভাগের কাছেই বর্তমান বাস্তবতা অপ্রত্যাশিত। যারা সরকার পতনের জন্য আন্দোলন করেছিলেন তাদের উল্লেখযোগ্য অংশই হিসেব করেননি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি, অর্থনীতির এই সর্বনাশ ঘটবে। তারা প্রচন্ড আশাবাদী ছিলেন। দশমাস পরও নৈরাজ্য চলমান থাকবে, যাকে তাকে হত্যামামলার আসামী করা হবে, বুলডোজার দিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়া হবে, বাংলাদেশ মিয়ানমার যুদ্ধের অংশ হয়ে যাবে বা চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের লীজ দিয়ে দেয়া হবে- এগুলো অনেকেরই কল্পনাতে ছিলো না। পরাজিত এবং বিজয়ী বোধ করা দুপক্ষের কাছেই বাস্তবতা অচেনা। এই জনপদ আন্দোলন সংগ্রামের। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন এখানে নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু এই বাস্তবতা এমন অচেনা কেনো? ❝New World Order❞, ❝Color Revolutions❞,
❝Controlled Chaos❞ এই টার্মগুলো বুঝা জরুরী। বুঝা জরুরী যে, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটানোর পর আমেরিকা ও ইউরোপ নিজেদেরকে বিশ্বক্ষমতার একক কেন্দ্র হিসেবে যে তৃপ্তি পাচ্ছিলো সেটি গত দুই দশকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে গেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরী রাশিয়া ফেডারেশন আগের শক্তিমত্তায় না ফিরলেও নিজেকে রক্ষা করার মতো গুছিয়ে নিয়েছে। আমেরিকা যেখানে সামরিক শক্তিতে পৃথিবীতে নাম্বার ওয়ান, চীন সেখানে বানিজ্য ও প্রযুক্তিতে নাম্বার ওয়ান হয়ে গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্শাল টিটো, গামাল আব্দুল নাসের, জওহর লাল নেহেরুদের নেতৃত্বে যে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন শুরু হয়েছিলো- ব্রাজিল, দক্ষিন আফ্রিকা সেই পথে হাঁটছে। ফলে মার্কিন- ইউরোদের সিঙ্গল পোলারের বদলে মাল্টি পোলার শক্তিকেন্দ্রের সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। এটা
আটকানোর জন্যই গণতন্ত্র রপ্তানীর নামে কালার রেভ্যুলেশনের শুরু। এখন বাংলাদেশে যে বুলডোজার সংস্কৃতি চলছে, সার্বিয়াতে হয়েছিলো বুলডোজার রেভ্যুলেশন ২০০০ সালে। এরপর জর্জিয়া, লাটভিয়া, ইউক্রেন জুড়ে নানা রংয়ের বিপ্লব। সবই রাশিয়ার আশেপাশে, রাশিয়াকে ঘিরে৷ তারপর এলো আরব বসন্ত। সেটাও কালার রেভ্যুলেশন৷ কালার তখন আর নির্দিষ্ট রঙ না, কালার মানে ছদ্ম আবরন। আরবের সেইসব দেশে সেই বসন্ত যেসব দেশে মার্কিন বান্ধব রাজতন্ত্র নেই! সৌদি, কাতার, কুয়েত, আমীরাতে গণতন্ত্র দরকার নাই সব গণতন্ত্র লাগবে লিবিয়া, মিশর, তিউনিসিয়ায়, সিরিয়ায়। তো এইসব গণতন্ত্রকামী বিপ্লবের আউটকাম কী? আইসিস- এর উত্থানের টাইম লাইন খেয়াল করেন। সিরিয়ায় ক্ষমতা বদলে দিয়ে দিয়ে গাজা পূর্নাঙ্গ দখল। খেয়াল করেন পূর্ব ইউরোপের
কালার রেভ্যুলেশন৷ আউটকাম, দীর্ঘমেয়াদী ইউক্রেন- রাশিয়া যুদ্ধ৷ আর দক্ষিন এশিয়া? প্রথমে মিয়ানমার, ২০২১ সালে নতুন করে শুরু হওয়া সশস্ত্র আন্দোলন। এরপর বাংলাদেশ। এটা স্পষ্টতঃ চীনকে ঠেকানোর জন্য। পাকিস্তান এবং ভারত দুই রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতি অদ্ভূত! এদের নিয়ে কথা কম বলাই ভালো। তাহলে এসবের সমাধান কী? বিশ্ব রাজনীতি আর আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বহুকিছুরই সমাধান হয়নি আদতে। তবে বুঝতে পারাটা জরুরী। কারা বুঝবে? বাংলাদেশে হোমগ্রৌন দুই রাজনৈতিক দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি, দুটাই কুটির শিল্পের মতো৷ বানিজ্য যে আন্তর্জাতিক হয়ে গেছে সেটা এরা ধরতে পারেনা। জামায়াতে ইসলামী ঐতিহাসিকভাবে মার্কিন- ইউরোর পাপেট। অন্যান্য ইসলামিক দলগুলোরও ব্যবহৃত হওয়া ছাড়া কোন উপযোগ নেই। কমিউনিস্টদের সিলেবাস গত চারদশকে আপডেট হয়নি।
বিশ্ব ক্ষমতার ভারকেন্দ্র কীভাবে বদলে যাচ্ছে সেসব বুঝতে পারার মতো আপডেট এরা না। এরকম জটিল পরিস্থিতিতে জরুরী হলো- ❝থার্ড ন্যাশনালিজম❞ ধারন করে এরকম রাজনৈতিক শক্তির উত্থান। আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিকভাবে থার্ড ন্যাশনালিজমের ধারক ছিলো, বাংলাদেশ রাষ্ট্র তৈরীই হয়েছে এই ধারায়- উপনিবেশ বিরোধী জাতীয়তাবাদ। এই জাতীয়তাবাদ ইউরোপের জাতীয়তাবাদের মতো না। এটি আক্রমনাত্মক না আত্মরক্ষামুলক। উপনিবেশবাদী নয়, উপনিবেশবিরোধী। যুদ্ধবাজ নয়, যুদ্ধবিরোধী। আওয়ামীলীগ এই ধারা থেকে বিচ্যুত হয়েছিলো স্পষ্টভাবেই। বিএনপি নামে ন্যাশনালিস্ট,কাজে গন্তব্যহীন দিশেহারা। এই তুমুল অস্থির সময় যখন নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ে উঠছে তখন মার্কিন-ইউরো সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে নিজেদের মর্যাদা সহ রক্ষা করতে পারছে শুধু রাশিয়া এবং চীন। চীন এখনো নামে কমিউনিস্ট থাকলেও দুটি রাষ্ট্রই
আদতে থার্ড ন্যাশনালিস্ট হয়ে নিজেদের রক্ষা করছে। উৎপাদন, প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা। এই লাইনে যারা নাই তারা অনেকেই ভোগে যাবেন। কেউ কেউ সাম্রাজ্যবাদের দালালী করে টিকে থাকবেন, অনেকের মানচিত্র বদলে যাবে।
জিতেছেন- দুপক্ষের বেশীর ভাগের কাছেই বর্তমান বাস্তবতা অপ্রত্যাশিত। যারা সরকার পতনের জন্য আন্দোলন করেছিলেন তাদের উল্লেখযোগ্য অংশই হিসেব করেননি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি, অর্থনীতির এই সর্বনাশ ঘটবে। তারা প্রচন্ড আশাবাদী ছিলেন। দশমাস পরও নৈরাজ্য চলমান থাকবে, যাকে তাকে হত্যামামলার আসামী করা হবে, বুলডোজার দিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়া হবে, বাংলাদেশ মিয়ানমার যুদ্ধের অংশ হয়ে যাবে বা চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের লীজ দিয়ে দেয়া হবে- এগুলো অনেকেরই কল্পনাতে ছিলো না। পরাজিত এবং বিজয়ী বোধ করা দুপক্ষের কাছেই বাস্তবতা অচেনা। এই জনপদ আন্দোলন সংগ্রামের। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন এখানে নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু এই বাস্তবতা এমন অচেনা কেনো? ❝New World Order❞, ❝Color Revolutions❞,
❝Controlled Chaos❞ এই টার্মগুলো বুঝা জরুরী। বুঝা জরুরী যে, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটানোর পর আমেরিকা ও ইউরোপ নিজেদেরকে বিশ্বক্ষমতার একক কেন্দ্র হিসেবে যে তৃপ্তি পাচ্ছিলো সেটি গত দুই দশকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে গেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরী রাশিয়া ফেডারেশন আগের শক্তিমত্তায় না ফিরলেও নিজেকে রক্ষা করার মতো গুছিয়ে নিয়েছে। আমেরিকা যেখানে সামরিক শক্তিতে পৃথিবীতে নাম্বার ওয়ান, চীন সেখানে বানিজ্য ও প্রযুক্তিতে নাম্বার ওয়ান হয়ে গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্শাল টিটো, গামাল আব্দুল নাসের, জওহর লাল নেহেরুদের নেতৃত্বে যে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন শুরু হয়েছিলো- ব্রাজিল, দক্ষিন আফ্রিকা সেই পথে হাঁটছে। ফলে মার্কিন- ইউরোদের সিঙ্গল পোলারের বদলে মাল্টি পোলার শক্তিকেন্দ্রের সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। এটা
আটকানোর জন্যই গণতন্ত্র রপ্তানীর নামে কালার রেভ্যুলেশনের শুরু। এখন বাংলাদেশে যে বুলডোজার সংস্কৃতি চলছে, সার্বিয়াতে হয়েছিলো বুলডোজার রেভ্যুলেশন ২০০০ সালে। এরপর জর্জিয়া, লাটভিয়া, ইউক্রেন জুড়ে নানা রংয়ের বিপ্লব। সবই রাশিয়ার আশেপাশে, রাশিয়াকে ঘিরে৷ তারপর এলো আরব বসন্ত। সেটাও কালার রেভ্যুলেশন৷ কালার তখন আর নির্দিষ্ট রঙ না, কালার মানে ছদ্ম আবরন। আরবের সেইসব দেশে সেই বসন্ত যেসব দেশে মার্কিন বান্ধব রাজতন্ত্র নেই! সৌদি, কাতার, কুয়েত, আমীরাতে গণতন্ত্র দরকার নাই সব গণতন্ত্র লাগবে লিবিয়া, মিশর, তিউনিসিয়ায়, সিরিয়ায়। তো এইসব গণতন্ত্রকামী বিপ্লবের আউটকাম কী? আইসিস- এর উত্থানের টাইম লাইন খেয়াল করেন। সিরিয়ায় ক্ষমতা বদলে দিয়ে দিয়ে গাজা পূর্নাঙ্গ দখল। খেয়াল করেন পূর্ব ইউরোপের
কালার রেভ্যুলেশন৷ আউটকাম, দীর্ঘমেয়াদী ইউক্রেন- রাশিয়া যুদ্ধ৷ আর দক্ষিন এশিয়া? প্রথমে মিয়ানমার, ২০২১ সালে নতুন করে শুরু হওয়া সশস্ত্র আন্দোলন। এরপর বাংলাদেশ। এটা স্পষ্টতঃ চীনকে ঠেকানোর জন্য। পাকিস্তান এবং ভারত দুই রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতি অদ্ভূত! এদের নিয়ে কথা কম বলাই ভালো। তাহলে এসবের সমাধান কী? বিশ্ব রাজনীতি আর আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বহুকিছুরই সমাধান হয়নি আদতে। তবে বুঝতে পারাটা জরুরী। কারা বুঝবে? বাংলাদেশে হোমগ্রৌন দুই রাজনৈতিক দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি, দুটাই কুটির শিল্পের মতো৷ বানিজ্য যে আন্তর্জাতিক হয়ে গেছে সেটা এরা ধরতে পারেনা। জামায়াতে ইসলামী ঐতিহাসিকভাবে মার্কিন- ইউরোর পাপেট। অন্যান্য ইসলামিক দলগুলোরও ব্যবহৃত হওয়া ছাড়া কোন উপযোগ নেই। কমিউনিস্টদের সিলেবাস গত চারদশকে আপডেট হয়নি।
বিশ্ব ক্ষমতার ভারকেন্দ্র কীভাবে বদলে যাচ্ছে সেসব বুঝতে পারার মতো আপডেট এরা না। এরকম জটিল পরিস্থিতিতে জরুরী হলো- ❝থার্ড ন্যাশনালিজম❞ ধারন করে এরকম রাজনৈতিক শক্তির উত্থান। আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিকভাবে থার্ড ন্যাশনালিজমের ধারক ছিলো, বাংলাদেশ রাষ্ট্র তৈরীই হয়েছে এই ধারায়- উপনিবেশ বিরোধী জাতীয়তাবাদ। এই জাতীয়তাবাদ ইউরোপের জাতীয়তাবাদের মতো না। এটি আক্রমনাত্মক না আত্মরক্ষামুলক। উপনিবেশবাদী নয়, উপনিবেশবিরোধী। যুদ্ধবাজ নয়, যুদ্ধবিরোধী। আওয়ামীলীগ এই ধারা থেকে বিচ্যুত হয়েছিলো স্পষ্টভাবেই। বিএনপি নামে ন্যাশনালিস্ট,কাজে গন্তব্যহীন দিশেহারা। এই তুমুল অস্থির সময় যখন নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ে উঠছে তখন মার্কিন-ইউরো সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে নিজেদের মর্যাদা সহ রক্ষা করতে পারছে শুধু রাশিয়া এবং চীন। চীন এখনো নামে কমিউনিস্ট থাকলেও দুটি রাষ্ট্রই
আদতে থার্ড ন্যাশনালিস্ট হয়ে নিজেদের রক্ষা করছে। উৎপাদন, প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা। এই লাইনে যারা নাই তারা অনেকেই ভোগে যাবেন। কেউ কেউ সাম্রাজ্যবাদের দালালী করে টিকে থাকবেন, অনেকের মানচিত্র বদলে যাবে।



