ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি-জামায়াত সিন্ডিকেটে জিম্মি আদালতপাড়া: চট্টগ্রামের রাজপথে সাধারণ আইনজীবীরা
সংকট মোকাবেলায় বিপর্যস্ত সরকার: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক চাপ ও বাস্তবতার টানাপোড়েনে প্রথম বাজেট
শেখ হাসিনার জীবনের উপর কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই, নিশ্চিত করলো দিল্লি’র গোয়েন্দা সংস্থা
কালার রেভ্যুলেশনে ক্ষত-বিক্ষত বাংলাদেশ: থার্ড ন্যাশনালিজমের উত্থান কি অনিবার্য?
গত বছর হামের টিকার সংকট ছিল, সরকারকে ১০ বার সতর্ক করা হয়: ইউনিসেফ
বিদ্যুতের দাম ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির
লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
মাহফুজ আলমের দ্বিচারিতা: গ্রহনযোগ্যতা ফিরে পাবার রিসেট বাটন
৫ আগস্টের পরপর মাহফুজ আলম তার ফেসবুকের কভার ফটো পাল্টায়, যেখানে আবুল হাশিম (বদরুদ্দির ওমরের পিতা), ভাসানি, যোগেন মন্ডল, শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দীর ছবি। এখনো আছে ওটি। খেয়াল করেন, মুক্তিযুদ্ধে এদের প্রত্যেকের অবদান শূণ্য! সে সময় মাহফুজ যতগুলো ইন্টারভিও দিয়েছে, সবগুলোতে সে বলেছে বাংলাদেশের ইতিহাস ৪৭ কেন্দ্রিক। একাত্তর সেখানে অনুপস্থিত! বঙ্গবন্ধু সেখানে ভিলেন!
ড. ইউনূস আমেরিকায় তার প্রথম বিদেশ সফরে গিয়ে রিসেট বাটন নিয়ে আলাপ তুলেছিলেন, সেই সফরে তার সাথে ছিল মাহফুজ। সেই প্রথম আমরা মাহফুজ সম্পর্কে জানতে পারলাম, যাকে ড. ইউনূস জুলাই আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলেন। রিসেট বাটন মানে, ৭১-কে বাদ দিয়ে ৪৭ থেকে লাফ দিয়ে ২৪-এ চলে
আসা! সেই মাহফুজ আজ আমাদেরকে বলে- লীগ ফিরে এসেছে কারণ একাত্তরকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। কি সেলুকাস! মাহফুজ মন্ত্রী থাকা অবস্থায় বাংলাদেশের অন্তত ৪৭টি মিডিয়া দখল হয়েছে। তার লিস্ট আমাদের কাছে আছে! এরকম ঘটনা এদেশে আর কখনো ঘটেনি। শতশত কর্মী চাকুরি হারিয়েছে, অধিকাংশ গণমাধ্যমের বার্তাকক্ষের লোকজন চাকুরি হারিয়েছে, আজ সেই মাহফুজ মিডিয়ার স্বাধীনতার কথা বলে! সারা দেশে যখন মাজারে হামলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক, মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা হয়, নারীদেরকে অপদস্থ করা হয় তখনো মাহফুজ মন্ত্রী। ওদের সময় দেশের প্রধান দুই সংবাদপত্রের অফিসে পুড়েছে। কোনোদিন মাহফুজ সেসব নিয়ে একটি টুশব্দ করেনি। আমরা ওদের হাতেপায়ে ধরার বাকি রেখেছি, বলেছি, সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে, মানুষের বড়
বিপদ- কিন্তু মাহফুজরা দিনের পর দিন মবকে উস্কে দিয়ে গেছে। আজ মাহফুজ বলে, লীগ ফিরেছে মবতন্ত্রের কারণে। অথচ পিনাকি ইলিয়াসরা ছিল মাহফুজদের পিতা! মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার স্বল্প শিক্ষিত ভাইকে রেড ক্রিসেন্টের বোর্ডে বসিয়েছিল মাহফুজ। সেখানে এনসিপির আরেক নেতা ছিল ডিরেক্টর। ওই দুইজনের গণ্ডগোল লাগার পর সেই খবর মিডিয়ায় এল। তাই আরেক ভাই ইলেকশনে দাঁড়িয়ে ফেইল করেছে। মন্ত্রীত্ব যাওয়ার পর তার সাবেক সংগঠন জামাত চায় নাই বলে মাহফুজ এনসিপিতে ফিরতে পারে নাই, কারণ বিভিন্ন সময়ে মাহফুজ জামাতের বিরুদ্ধে আকারে-ইশারায় দুই/চারটা কথা বলেছিল। তা যদি এনসিপিতে ফিরতে পারতেন, আজ কি এই স্ট্যটাস লিখতেন মাহফুজ? তাই আজ মাহফুজ আওয়ামীলীগ ফিরে আসার যে যে গল্প
বলেছে, সবগুলো স্ববিরোধীতা। যে অন্তবর্তীকালীন সরকারের হাত ধরে সংস্কার থেকে শুরু করে সব আশা বিপথে গেছে, মাহফুজ নিজে কি সেই সরকারের অংশ ছিলেন না? মাহফুজদের বিশ্বাস কইরেন না। বিপদে পড়ে আপনার পায়ে ধরে বসে আছে এখন, ঘাড় চেপে ধরতে এক মুহুর্তও দেরি করবেনা। মাহফুজরা জানে, তাদের সামনে ভয়াবহ বিপদ!! কি, রাগ করলা?
আসা! সেই মাহফুজ আজ আমাদেরকে বলে- লীগ ফিরে এসেছে কারণ একাত্তরকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। কি সেলুকাস! মাহফুজ মন্ত্রী থাকা অবস্থায় বাংলাদেশের অন্তত ৪৭টি মিডিয়া দখল হয়েছে। তার লিস্ট আমাদের কাছে আছে! এরকম ঘটনা এদেশে আর কখনো ঘটেনি। শতশত কর্মী চাকুরি হারিয়েছে, অধিকাংশ গণমাধ্যমের বার্তাকক্ষের লোকজন চাকুরি হারিয়েছে, আজ সেই মাহফুজ মিডিয়ার স্বাধীনতার কথা বলে! সারা দেশে যখন মাজারে হামলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক, মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা হয়, নারীদেরকে অপদস্থ করা হয় তখনো মাহফুজ মন্ত্রী। ওদের সময় দেশের প্রধান দুই সংবাদপত্রের অফিসে পুড়েছে। কোনোদিন মাহফুজ সেসব নিয়ে একটি টুশব্দ করেনি। আমরা ওদের হাতেপায়ে ধরার বাকি রেখেছি, বলেছি, সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে, মানুষের বড়
বিপদ- কিন্তু মাহফুজরা দিনের পর দিন মবকে উস্কে দিয়ে গেছে। আজ মাহফুজ বলে, লীগ ফিরেছে মবতন্ত্রের কারণে। অথচ পিনাকি ইলিয়াসরা ছিল মাহফুজদের পিতা! মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার স্বল্প শিক্ষিত ভাইকে রেড ক্রিসেন্টের বোর্ডে বসিয়েছিল মাহফুজ। সেখানে এনসিপির আরেক নেতা ছিল ডিরেক্টর। ওই দুইজনের গণ্ডগোল লাগার পর সেই খবর মিডিয়ায় এল। তাই আরেক ভাই ইলেকশনে দাঁড়িয়ে ফেইল করেছে। মন্ত্রীত্ব যাওয়ার পর তার সাবেক সংগঠন জামাত চায় নাই বলে মাহফুজ এনসিপিতে ফিরতে পারে নাই, কারণ বিভিন্ন সময়ে মাহফুজ জামাতের বিরুদ্ধে আকারে-ইশারায় দুই/চারটা কথা বলেছিল। তা যদি এনসিপিতে ফিরতে পারতেন, আজ কি এই স্ট্যটাস লিখতেন মাহফুজ? তাই আজ মাহফুজ আওয়ামীলীগ ফিরে আসার যে যে গল্প
বলেছে, সবগুলো স্ববিরোধীতা। যে অন্তবর্তীকালীন সরকারের হাত ধরে সংস্কার থেকে শুরু করে সব আশা বিপথে গেছে, মাহফুজ নিজে কি সেই সরকারের অংশ ছিলেন না? মাহফুজদের বিশ্বাস কইরেন না। বিপদে পড়ে আপনার পায়ে ধরে বসে আছে এখন, ঘাড় চেপে ধরতে এক মুহুর্তও দেরি করবেনা। মাহফুজরা জানে, তাদের সামনে ভয়াবহ বিপদ!! কি, রাগ করলা?



