ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল
শরীয়তপুরে ছেলে ছাত্রলীগ করায় পিতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’
আ.লীগের ৮৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
গায়ে হাত দেওয়া লোকও কমিটিতে ক্ষোভে রাজনীতি ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, আত্মরক্ষার সাথে সাথে করছে মব হামলা প্রতিরোধ
এনসিপি থেকে ২২ নেতার পদত্যাগ
নিজেদের অপকর্ম ঢাকতেই ‘আওয়ামী লীগের ফেরা’ নিয়ে মাহফুজ-আসিফের ফেসবুক নাটক
জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা সাবেক দুই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের হঠাৎ ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা’ সংক্রান্ত ফেসবুক পোস্ট নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ জনগণের বড় একটি অংশ মনে করছে, এই দুই উপদেষ্টা আসলে তীব্র রাজনৈতিক দেউলিয়া ও নিজেদের কৃত অপকর্মের বিচারের ভয়ে এখন থেকেই কাঁপছেন। দেশে হামে যখন শত শত শিমু মারা যাচ্ছে টিকার অভাবে তখন তারা নতুন নাটক শুরু করেছে। আওয়ামী লীগ আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হলে তাদের বিগত দিনের সমস্ত অন্যায়, শিশু মৃত্যু, দূর্নীতি ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিচার হবে— এই চরম ভীতি থেকেই তারা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগাম সাফাই ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। বুধবার (২০ মে) ড. আসিফ নজরুল ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমের ফেসবুক পোস্টের পর সচেতন মহলে এই নিয়ে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সমালোচকদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বে থাকাকালীন এই উপদেষ্টারা দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে বিভিন্ন বিতর্কিত ও দেশবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার, বিরোধী মত দমন এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা তৈরি সহ পর্দার অন্তরালে তারা “দুনিয়ার অপকর্ম” সাধন করেছেন বলে তীব্র অভিযোগ রয়েছে। এখন সরকারে না থাকায় এবং দেশের রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকায় নিজেদের অপরাধের ভবিষ্যৎ বিচার নিয়ে তারা চরম আতঙ্কে ভুগছেন। সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করছেন, আওয়ামী লীগ
যদি পূর্ণ শক্তিতে রাজনীতিতে ফিরে আসে, তবে এই দুই উপদেষ্টাকে তাদের প্রতিটি অন্যায় ও দেশ বিক্রির জবাবদিহি করতে হবে। এই অবধারিত সাজার হাত থেকে বাঁচতেই তারা এখন ফেসবুকে নানা তাত্ত্বিক ‘নাটক’ ও কথার ফুলঝুরি ছড়াচ্ছেন। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় গতকাল মঙ্গলবার, যখন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ফেসবুকে একটি রহস্যময় পোস্ট দিয়ে লেখেন, “লীগ রাজনৈতিক দলের আগে একটা ধর্মতত্ত্ব, সে ধর্মতত্ত্বে ইমান আবার ফেরত এসেছে।” তাঁর এই বক্তব্যকে অনেকে আওয়ামী লীগের অপরাধ ও বর্তমান শক্তিকে আড়াল করার এবং জনগণকে নতুন করে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল হিসেবে দেখছেন। ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে পরে তিনি আরেকটি পোস্টে মানবাধিকারের ‘ঢাল’ ব্যবহার করে সুর নরম করার চেষ্টা
করেন। এদিকে, আজ বুধবার দুপুরে ড. আসিফ নজরুল মাহফুজের পোস্টের পিঠে আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে লেখেন, “আওয়ামী লীগ ব্যাক করেনি। তারা ছিলই। ব্যাক করেছে তাদের দম্ভ, মিথ্যাচার আর মানুষকে বিভ্রান্ত করার দুঃসাহস।” আসিফ নজরুলের এই মন্তব্যকে সাধারণ মানুষ ছদ্মবেশী ভয় হিসেবেই দেখছেন। নেটিজেনদের মতে, মুখে দম্ভ আর মিথ্যাচারের কথা বললেও মূলত আসিফ নজরুল ও মাহফুজ আলম নিজেরাই এখন পলায়নপর মানসিকতায় ভুগছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তারা যেভাবে দেশের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন, তার বিচার দেশের মাটিতেই হবে— এমনটাই দাবি তুলছেন ক্ষুব্ধ নাগরিকরা। নিজেদের সেই বিশাল অপরাধের পাহাড় আড়াল করতেই এই দুই সাবেক উপদেষ্টা এখন ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করছেন এবং আওয়ামী লীগের ফেরার
জুজু দেখিয়ে মূলত নিজেদের চামড়া বাঁচানোর পথ খুঁজছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগাম সাফাই ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। বুধবার (২০ মে) ড. আসিফ নজরুল ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমের ফেসবুক পোস্টের পর সচেতন মহলে এই নিয়ে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সমালোচকদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বে থাকাকালীন এই উপদেষ্টারা দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে বিভিন্ন বিতর্কিত ও দেশবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার, বিরোধী মত দমন এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা তৈরি সহ পর্দার অন্তরালে তারা “দুনিয়ার অপকর্ম” সাধন করেছেন বলে তীব্র অভিযোগ রয়েছে। এখন সরকারে না থাকায় এবং দেশের রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকায় নিজেদের অপরাধের ভবিষ্যৎ বিচার নিয়ে তারা চরম আতঙ্কে ভুগছেন। সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করছেন, আওয়ামী লীগ
যদি পূর্ণ শক্তিতে রাজনীতিতে ফিরে আসে, তবে এই দুই উপদেষ্টাকে তাদের প্রতিটি অন্যায় ও দেশ বিক্রির জবাবদিহি করতে হবে। এই অবধারিত সাজার হাত থেকে বাঁচতেই তারা এখন ফেসবুকে নানা তাত্ত্বিক ‘নাটক’ ও কথার ফুলঝুরি ছড়াচ্ছেন। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় গতকাল মঙ্গলবার, যখন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ফেসবুকে একটি রহস্যময় পোস্ট দিয়ে লেখেন, “লীগ রাজনৈতিক দলের আগে একটা ধর্মতত্ত্ব, সে ধর্মতত্ত্বে ইমান আবার ফেরত এসেছে।” তাঁর এই বক্তব্যকে অনেকে আওয়ামী লীগের অপরাধ ও বর্তমান শক্তিকে আড়াল করার এবং জনগণকে নতুন করে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল হিসেবে দেখছেন। ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে পরে তিনি আরেকটি পোস্টে মানবাধিকারের ‘ঢাল’ ব্যবহার করে সুর নরম করার চেষ্টা
করেন। এদিকে, আজ বুধবার দুপুরে ড. আসিফ নজরুল মাহফুজের পোস্টের পিঠে আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে লেখেন, “আওয়ামী লীগ ব্যাক করেনি। তারা ছিলই। ব্যাক করেছে তাদের দম্ভ, মিথ্যাচার আর মানুষকে বিভ্রান্ত করার দুঃসাহস।” আসিফ নজরুলের এই মন্তব্যকে সাধারণ মানুষ ছদ্মবেশী ভয় হিসেবেই দেখছেন। নেটিজেনদের মতে, মুখে দম্ভ আর মিথ্যাচারের কথা বললেও মূলত আসিফ নজরুল ও মাহফুজ আলম নিজেরাই এখন পলায়নপর মানসিকতায় ভুগছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তারা যেভাবে দেশের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন, তার বিচার দেশের মাটিতেই হবে— এমনটাই দাবি তুলছেন ক্ষুব্ধ নাগরিকরা। নিজেদের সেই বিশাল অপরাধের পাহাড় আড়াল করতেই এই দুই সাবেক উপদেষ্টা এখন ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করছেন এবং আওয়ামী লীগের ফেরার
জুজু দেখিয়ে মূলত নিজেদের চামড়া বাঁচানোর পথ খুঁজছেন।



