ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী: দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে, জনগণ জেগে উঠতে শুরু করেছে
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিকৌশল বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনির ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দুই যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সনি হত্যার পূর্ণাঙ্গ বিচার না হওয়ায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বুয়েট শাখা।
একই সঙ্গে বর্তমান বুয়েট ক্যাম্পাসে দৃশ্যমান রাজনীতির অনুপস্থিতির আড়ালে এক ধরনের ‘গুপ্ত প্রতিক্রিয়াশীলতা’র চর্চা ক্রমশ বিস্তার লাভ করছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
আজ ৮ই জুন, সোমবার বুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর মাহমুদ স্বপ্নীল ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই অবস্থান ও হুঁশিয়ারি জানানো হয়।
২০০২ সালের ৮ই জুন বুয়েট ক্যাম্পাসে দুই ছাত্রসংগঠনের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষয়ী সহিংসতার মাঝে পড়ে নির্মমভাবে প্রাণ হারান নিরপরাধ শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনি।
দীর্ঘ
২৪ বছর পরও বিচারহীনতার এই অধ্যায়কে রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি আখ্যা দিয়ে ছাত্রলীগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সনির রক্তের বিচার আজও অধরা। ২০০২ সালের সেই রক্তাক্ত সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল বিএনপি। জাতি প্রত্যক্ষ করেছে কীভাবে অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার পরিবর্তে ন্যায়বিচারের পথকে জটিল ও দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর নিথর দেহের ওপর দাঁড়িয়ে যারা রাজনৈতিক সুবিধার হিসাব কষেছে, ইতিহাস তাদের দায় কখনো বিস্মৃত হবে না। খুনিদের পাশাপাশি যারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এতদিন বিচারপ্রক্রিয়াকে ব্যাহত করেছে, তাদের প্রত্যেককে অবিলম্বে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানায় সংগঠনটি। সনি হত্যার বিচারের দাবির পাশাপাশি বর্তমান বুয়েট ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বুয়েট ছাত্রলীগ। বুয়েটের সনি
হত্যা মামলার আসামীরা এখন ইউনূস সরকারের প্রভাবশালী কনসাল জেনারেল বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বুয়েটে প্রকাশ্য রাজনীতির অনুপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি গোষ্ঠী আড়ালে থেকে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। প্রগতিশীল চিন্তা, মুক্তবুদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সংকুচিত করার যে অদৃশ্য প্রবণতা ক্যাম্পাসজুড়ে সক্রিয়, তা শিক্ষার মৌলিক চেতনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। এই নামহীন, মুখোশধারী অপতৎপরতা প্রকাশ্য সংঘাতের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে দাবি করে ছাত্রলীগ। বুয়েট ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ জানান, সনির স্মৃতির প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা কেবল ফুলেল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ হতে পারে না। তাঁর প্রতি সত্যিকারের সম্মান জানানো হবে তখনই, যখন দেশে পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। এমন এক নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন নির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়, যেখানে মুক্তচিন্তা অবদমিত হবে না,
প্রগতিশীলতার পথ রুদ্ধ হবে না এবং গণতান্ত্রিক চর্চা কোনো ভয়ের কাছে পরাজিত হবে না। বিজ্ঞপ্তিতে মরহুমা সাবেকুন নাহার সনির রুহের মাগফিরাত কামনা করে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। উল্লেখ, ২০০২ সালের ৮ই জুন বুয়েটে দরপত্র নিয়ে বুয়েট ছাত্রদল সভাপতি মোকাম্মেল হায়াত খান মুকি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলের টগর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই গোলাগুলিতে মারা যান সনি। শুরুতে ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত সরকার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে এবং দায়ীদের বাঁচানোর বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। কিন্তু বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সারাদেশের মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও দীর্ঘ আন্দোলনের পর এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। নিম্ন আদালতে ছাত্রদলের
সন্ত্রাসী মুকি, টগর ও নুরুল ইসলাম সাগরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও ২০০৬ সালের ১০ই মার্চ হাইকোর্ট তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। অভিযোগ রযেছে, তাদের ফাঁসি বাতিল করতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার পুত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনা ছিল। এ নিয়ে শীর্ষ অনেক গণমাধ্যমে সেসময় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর প্রমাণও দেখা যায় অনতিবিলম্বে। মামলার অন্য দুই আসামি এসএম মাসুম বিল্লাহ এবং মাসুম হাইকোর্টের নির্দেশে খালাস পেয়ে যান। মুকি এরপর অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে যান এবং সাগরও পলাতক। টগর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন আবার বেরিয়ে আসেন। গত বছর র্যাব তাকে বিপুল অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। যদিও সনি হত্যা মামলঅয় টগরের জড়িত থাকার বিষয়টি
এই গ্রেপ্তারে আমলে নেওয়া হয়নি।
২৪ বছর পরও বিচারহীনতার এই অধ্যায়কে রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি আখ্যা দিয়ে ছাত্রলীগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সনির রক্তের বিচার আজও অধরা। ২০০২ সালের সেই রক্তাক্ত সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল বিএনপি। জাতি প্রত্যক্ষ করেছে কীভাবে অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার পরিবর্তে ন্যায়বিচারের পথকে জটিল ও দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর নিথর দেহের ওপর দাঁড়িয়ে যারা রাজনৈতিক সুবিধার হিসাব কষেছে, ইতিহাস তাদের দায় কখনো বিস্মৃত হবে না। খুনিদের পাশাপাশি যারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এতদিন বিচারপ্রক্রিয়াকে ব্যাহত করেছে, তাদের প্রত্যেককে অবিলম্বে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানায় সংগঠনটি। সনি হত্যার বিচারের দাবির পাশাপাশি বর্তমান বুয়েট ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বুয়েট ছাত্রলীগ। বুয়েটের সনি
হত্যা মামলার আসামীরা এখন ইউনূস সরকারের প্রভাবশালী কনসাল জেনারেল বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বুয়েটে প্রকাশ্য রাজনীতির অনুপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি গোষ্ঠী আড়ালে থেকে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। প্রগতিশীল চিন্তা, মুক্তবুদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সংকুচিত করার যে অদৃশ্য প্রবণতা ক্যাম্পাসজুড়ে সক্রিয়, তা শিক্ষার মৌলিক চেতনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। এই নামহীন, মুখোশধারী অপতৎপরতা প্রকাশ্য সংঘাতের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে দাবি করে ছাত্রলীগ। বুয়েট ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ জানান, সনির স্মৃতির প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা কেবল ফুলেল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ হতে পারে না। তাঁর প্রতি সত্যিকারের সম্মান জানানো হবে তখনই, যখন দেশে পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। এমন এক নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন নির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়, যেখানে মুক্তচিন্তা অবদমিত হবে না,
প্রগতিশীলতার পথ রুদ্ধ হবে না এবং গণতান্ত্রিক চর্চা কোনো ভয়ের কাছে পরাজিত হবে না। বিজ্ঞপ্তিতে মরহুমা সাবেকুন নাহার সনির রুহের মাগফিরাত কামনা করে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। উল্লেখ, ২০০২ সালের ৮ই জুন বুয়েটে দরপত্র নিয়ে বুয়েট ছাত্রদল সভাপতি মোকাম্মেল হায়াত খান মুকি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলের টগর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই গোলাগুলিতে মারা যান সনি। শুরুতে ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত সরকার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে এবং দায়ীদের বাঁচানোর বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। কিন্তু বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সারাদেশের মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও দীর্ঘ আন্দোলনের পর এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। নিম্ন আদালতে ছাত্রদলের
সন্ত্রাসী মুকি, টগর ও নুরুল ইসলাম সাগরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও ২০০৬ সালের ১০ই মার্চ হাইকোর্ট তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। অভিযোগ রযেছে, তাদের ফাঁসি বাতিল করতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার পুত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনা ছিল। এ নিয়ে শীর্ষ অনেক গণমাধ্যমে সেসময় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর প্রমাণও দেখা যায় অনতিবিলম্বে। মামলার অন্য দুই আসামি এসএম মাসুম বিল্লাহ এবং মাসুম হাইকোর্টের নির্দেশে খালাস পেয়ে যান। মুকি এরপর অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে যান এবং সাগরও পলাতক। টগর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন আবার বেরিয়ে আসেন। গত বছর র্যাব তাকে বিপুল অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। যদিও সনি হত্যা মামলঅয় টগরের জড়িত থাকার বিষয়টি
এই গ্রেপ্তারে আমলে নেওয়া হয়নি।



