ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গায়ে হাত দেওয়া লোকও কমিটিতে ক্ষোভে রাজনীতি ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
এনসিপি থেকে ২২ নেতার পদত্যাগ
মাদক বিক্রির টাকা গোণা সেই যুবদল নেতা গভীর রাতে আদম ব্যবসায়ীর স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার
মন্ট্রিয়লে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত, গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের অংশগ্রহণ
দীপু মনি, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে কারাগারে পাঠালেন ট্রাইব্যুনাল
গুলি করে, কুপিয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই: জামায়াত এমপির ভাগ্নে সাব্বির কারাগারে
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, আত্মরক্ষার সাথে সাথে করছে মব হামলা প্রতিরোধ
দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও আওয়ামী লীগ তার নেতাকর্মীদের সংগঠিত প্রতিরোধের মাধ্যমে মাঠে থাকার বার্তা দিচ্ছে। আর পড়ে পড়ে মার খাওয়া নয়— এবার ঝটিকা মিছিলের পাশাপাশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্রিয় প্রতিরোধ গড়ে তুলছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জেলা সদরের সুহিলপুর বাজার এলাকায় এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে। সুহিলপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলে ঝটিকা মিছিল বের করলে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া করে। পার্শ্ববর্তী বুধল ইউনিয়নের মালিহাতা শান্তিনগর এলাকায় পৌঁছালে ওঁৎ পেতে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মীরা তাদের উপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এতে ছাত্রদল ও জামায়াতের পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন— জেলা ছাত্রদলের
যুগ্ম আহ্বায়ক রাহিম উদ্দিন, জেলা নবীন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ, ছাত্রদল কর্মী জসিম, শাহীনুল ইসলাম শাহীন এবং জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. রোকন উদ্দিন। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে হামলার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করে। কিন্তু আওয়ামী লীগ কর্মীরা এবার প্রস্তুত ছিলেন। তারা সংঘবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় হামলাকারীরাই আহত হয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়। দলীয় সমর্থকরা মনে করছেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে আওয়ামী লীগ এখন আর শুধু আত্মরক্ষা নয়, সক্রিয় ও সংগঠিত প্রতিরোধের পথে এগোচ্ছে। শুক্রবার সকালে আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়ে বিএনপি
নেতা ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এবং পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্র এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তারা শুধুমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এ ধরনের ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, দমন-পীড়নের মুখেও আওয়ামী লীগ তার ঐতিহ্যবাহী সংগ্রামী চেতনায় ফিরে আসছে। কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মাঠে থাকার এই কৌশল দলের ভিতকে আরও মজবুত করবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
যুগ্ম আহ্বায়ক রাহিম উদ্দিন, জেলা নবীন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ, ছাত্রদল কর্মী জসিম, শাহীনুল ইসলাম শাহীন এবং জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. রোকন উদ্দিন। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে হামলার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করে। কিন্তু আওয়ামী লীগ কর্মীরা এবার প্রস্তুত ছিলেন। তারা সংঘবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় হামলাকারীরাই আহত হয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়। দলীয় সমর্থকরা মনে করছেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে আওয়ামী লীগ এখন আর শুধু আত্মরক্ষা নয়, সক্রিয় ও সংগঠিত প্রতিরোধের পথে এগোচ্ছে। শুক্রবার সকালে আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়ে বিএনপি
নেতা ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এবং পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্র এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তারা শুধুমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এ ধরনের ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, দমন-পীড়নের মুখেও আওয়ামী লীগ তার ঐতিহ্যবাহী সংগ্রামী চেতনায় ফিরে আসছে। কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মাঠে থাকার এই কৌশল দলের ভিতকে আরও মজবুত করবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।



