ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংকে কেন্দ্র করে এক নজিরবিহীন জালিয়াতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ব্যাংকের নিরাপত্তা ও ইসলামী ভাবাবেগের ওপর আস্থা রেখে উপজেলার প্রায় ৩ হাজার সাধারণ গ্রাহক এখন সর্বস্বান্ত।
অভিযোগের তির জেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের আফুলশি গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় জামায়াত নেতা ইশফাক ইয়াছিনের দিকে, যিনি এই এজেন্ট শাখার মালিক। গত ১লা জুন থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে তিনি সম্পূর্ণ আত্মগোপনে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইশফাক ইয়াছিন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় নেতা এবং অনলাইন বই ব্যবসার উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচিতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তিনি
গ্রাহকদের মনে অন্ধ বিশ্বাস তৈরি করেন। ডিপিএস, এফডিআর এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক মুনাফার লোভ দেখিয়ে তিনি একাই প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১লা জুন দুপুরে বিপুল পরিমাণ ক্যাশ টাকা নিয়ে ইশফাক ইয়াছিন নোয়াখালী ত্যাগ করেন। এরপর থেকেই তার ব্যবহৃত সকল মোবাইল নম্বর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি বন্ধ রয়েছে। একজন ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তাকে জামায়াতের বড় বড় মিছিল, মিটিং ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় দেখতাম। ভাবিনি ধর্মের কথা বলে ও রাজনীতির আড়ালে এসে সে আমাদের পকেট কাটবে। এখন আমরা পথে বসে গেছি।” অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতারক ইশফাকের বিরুদ্ধে এর আগেও
ঢাকার একটি আদালতে প্রতারণা ও আর্থিক জালিয়াতির আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা বর্তমানে বিচারাধীন। চতুর এই ব্যক্তি আইনি ফাঁকফোকর গলে বারবার পার পেয়ে যাওয়ায় এবার নোয়াখালীতে সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে বড় ধরণের কোপ মারতে সক্ষম হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। টাকা হারিয়ে এখন দিশেহারা ৩ হাজার মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বিমানবন্দর ব্যবহার করে বা অবৈধ পথে ইশফাক ইতিমধ্যেই দেশত্যাগ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা অনতিবিলম্বে এই প্রতারকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ এবং তাকে গ্রেপ্তার করে টাকা উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এই বিপুল অঙ্কের টাকা লোপাটের বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামান জানান, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক
চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে পুলিশ এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা আনুষ্ঠানিক মামলা পায়নি। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেই অপরাধীর অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনতে দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
গ্রাহকদের মনে অন্ধ বিশ্বাস তৈরি করেন। ডিপিএস, এফডিআর এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক মুনাফার লোভ দেখিয়ে তিনি একাই প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১লা জুন দুপুরে বিপুল পরিমাণ ক্যাশ টাকা নিয়ে ইশফাক ইয়াছিন নোয়াখালী ত্যাগ করেন। এরপর থেকেই তার ব্যবহৃত সকল মোবাইল নম্বর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি বন্ধ রয়েছে। একজন ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তাকে জামায়াতের বড় বড় মিছিল, মিটিং ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় দেখতাম। ভাবিনি ধর্মের কথা বলে ও রাজনীতির আড়ালে এসে সে আমাদের পকেট কাটবে। এখন আমরা পথে বসে গেছি।” অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতারক ইশফাকের বিরুদ্ধে এর আগেও
ঢাকার একটি আদালতে প্রতারণা ও আর্থিক জালিয়াতির আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা বর্তমানে বিচারাধীন। চতুর এই ব্যক্তি আইনি ফাঁকফোকর গলে বারবার পার পেয়ে যাওয়ায় এবার নোয়াখালীতে সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে বড় ধরণের কোপ মারতে সক্ষম হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। টাকা হারিয়ে এখন দিশেহারা ৩ হাজার মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বিমানবন্দর ব্যবহার করে বা অবৈধ পথে ইশফাক ইতিমধ্যেই দেশত্যাগ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা অনতিবিলম্বে এই প্রতারকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ এবং তাকে গ্রেপ্তার করে টাকা উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এই বিপুল অঙ্কের টাকা লোপাটের বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামান জানান, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক
চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে পুলিশ এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা আনুষ্ঠানিক মামলা পায়নি। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেই অপরাধীর অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনতে দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।



