ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়ার বরখাস্তের আদেশ বাতিল
৮২০ মিলিয়ন ডলার আর দশ হাজার চাকরি, দেশ ডুবিয়ে ইউনুসের “সংস্কারের” মূল্য পরিশোধ
প্রতীকী অগ্রগতি নয়, প্রয়োজন বাস্তব ক্ষমতায়ন
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর “অপরাধে” শিক্ষার্থীর উপর মব হামলা
মুক্তিযুদ্ধকে উদযাপন করা হলে কারা হামলা করে?
বয়কটের ডাক দিয়েও ভারতের তেলেই ভরসা
মগবাজারে ফার্মেসি মালিককে কুপিয়ে দুর্ধর্ষ ছিনতাই: নেপথ্যে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ‘মাউরা সায়মন’ সিন্ডিকেট
রাজধানীর মগবাজারে এক ফার্মেসি মালিককে ছুরিকাঘাত করে দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, সিরিয়াল ধর্ষক ও বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ‘মাউরা সায়মন’-এর নেতৃত্বাধীন এক ভয়ংকর ছিনতাইকারী সিন্ডিকেট।
গত ৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত ১টার দিকে মগবাজারের এইচপি আরসি (HPRC) হাসপাতালের সামনে এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আবুল কাশেম স্থানীয় 'মেডিপ্লাস ফার্মেসি'-এর মালিক।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সেদিন রাতেও দোকান বন্ধ করে আবুল কাশেম টাকার ব্যাগ হাতে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি মগবাজারের এইচপি আরসি হাসপাতালের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা মাউরা সায়মনের নেতৃত্বে ৩-৪ জনের একটি
ছিনতাইকারী দল তার পথ রোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সায়মন ও তার সহযোগীরা আবুল কাশেমের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তারা আবুল কাশেমের পেটের ডান পাশে ধারালো চাকু দিয়ে সজোরে আঘাত করে এবং তার কাছে থাকা সারাদিনের বিক্রির টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হলে আবুল কাশেম তৎক্ষণাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ছিনতাইয়ের নেপথ্যে সায়মন-তাহের-রিদয় সিন্ডিকেট: এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যমতে, মগবাজার এলাকার বর্তমান ত্রাস এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা মাউরা সায়মন। এর আগে একাধিক ধর্ষণ, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে যুবদল
থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও এলাকায় সে গড়ে তুলেছে নিজস্ব অপরাধী চক্র। এই চক্রের অন্যতম সক্রিয় দুই সদস্য হলো 'ভেজাল তাহের' এবং 'কাইল্লা রিদয়'। তারা দীর্ঘদিন ধরে মগবাজার, নয়াটোলা, মধুবাগ ও ওয়ারলেস গেট এলাকায় গভীর রাতে ছিনতাই, মাদক কারবার এবং পথচারীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। মাউরা সায়মন ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যদের এমন বেপরোয়া অপরাধ কর্মকাণ্ডে মগবাজার এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে দোকানপাট বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ছিনতাইয়ের এই ঘটনার পর স্থানীয় থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, "আমরা ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। আশপাশের
সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধীদের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত মাউরা সায়মন, ভেজাল তাহের ও কাইল্লা রিদয়কে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে।" ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে এই চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ছিনতাইকারী দল তার পথ রোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সায়মন ও তার সহযোগীরা আবুল কাশেমের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তারা আবুল কাশেমের পেটের ডান পাশে ধারালো চাকু দিয়ে সজোরে আঘাত করে এবং তার কাছে থাকা সারাদিনের বিক্রির টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হলে আবুল কাশেম তৎক্ষণাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ছিনতাইয়ের নেপথ্যে সায়মন-তাহের-রিদয় সিন্ডিকেট: এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যমতে, মগবাজার এলাকার বর্তমান ত্রাস এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা মাউরা সায়মন। এর আগে একাধিক ধর্ষণ, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে যুবদল
থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও এলাকায় সে গড়ে তুলেছে নিজস্ব অপরাধী চক্র। এই চক্রের অন্যতম সক্রিয় দুই সদস্য হলো 'ভেজাল তাহের' এবং 'কাইল্লা রিদয়'। তারা দীর্ঘদিন ধরে মগবাজার, নয়াটোলা, মধুবাগ ও ওয়ারলেস গেট এলাকায় গভীর রাতে ছিনতাই, মাদক কারবার এবং পথচারীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। মাউরা সায়মন ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যদের এমন বেপরোয়া অপরাধ কর্মকাণ্ডে মগবাজার এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে দোকানপাট বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ছিনতাইয়ের এই ঘটনার পর স্থানীয় থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, "আমরা ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। আশপাশের
সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধীদের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত মাউরা সায়মন, ভেজাল তাহের ও কাইল্লা রিদয়কে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে।" ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে এই চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



