ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে টিটিপি-আইএসআইএস-কে’র গোপন নেটওয়ার্ক! পেশোয়ার থেকে সতর্কতা!
ভদকা, বুলেট ট্রেন ও রান্না: যেভাবে গড়ে ওঠে শি-পুতিনের বন্ধুত্ব
চীন-রাশিয়া ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি রুখে দেবে: শি
তরুণদের তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা, ভারতে বিজেপির আদলে ‘ককরোচ জনতা পার্টি
জ্বালানি থেকে এআই, ২০ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন শি-পুতিন
চীনের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে বড় ধরনের চাপে ফেলল মার্কিন সিনেট
পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ইরানের জাতীয় সম্পদ: মোজতবা খামেনি
যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যর্থতা’র পর হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে একটি ‘নতুন অধ্যায়ের’ সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। খবর আল জাজিরার।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক চাপ ও আগ্রাসনের দুই মাস পর, এবং যুক্তরাষ্ট্রের লজ্জাজনক ব্যর্থতার পর আজ পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নতুন এক অধ্যায় শুরু হচ্ছে।”
জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস উপলক্ষে ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এ বক্তব্য প্রকাশ করে। দিবসটি ১৬২২ সালে পর্তুগিজ বাহিনীকে হরমুজ প্রণালি থেকে বিতাড়নের স্মরণে পালন করা হয়।
বিবৃতিতে খামেনি স্পষ্টভাবে জানান, ইরান তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে এবং যেকোনো
মূল্যে তা রক্ষা করবে। তিনি বলেন, “ইরানের জনগণ তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে জাতীয় মূলধন হিসেবে দেখে। তারা যেভাবে পানি, ভূমি ও আকাশসীমা রক্ষা করে, একইভাবে এসব সক্ষমতাও সুরক্ষিত রাখবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামো দুর্বল করার নীতির পরিপ্রেক্ষিতে এ বক্তব্যকে সরাসরি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মোজতবা খামেনি মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকেই দায়ী করেন। তার ভাষায়, “পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতি ও তাদের ঘাঁটিগুলোই আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ।” তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভর ঘাঁটিগুলো নিজেদের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করতে সক্ষম নয়। ফলে অঞ্চলে তাদের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও ভিত্তিহীন।”
মূল্যে তা রক্ষা করবে। তিনি বলেন, “ইরানের জনগণ তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে জাতীয় মূলধন হিসেবে দেখে। তারা যেভাবে পানি, ভূমি ও আকাশসীমা রক্ষা করে, একইভাবে এসব সক্ষমতাও সুরক্ষিত রাখবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামো দুর্বল করার নীতির পরিপ্রেক্ষিতে এ বক্তব্যকে সরাসরি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মোজতবা খামেনি মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকেই দায়ী করেন। তার ভাষায়, “পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতি ও তাদের ঘাঁটিগুলোই আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ।” তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভর ঘাঁটিগুলো নিজেদের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করতে সক্ষম নয়। ফলে অঞ্চলে তাদের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও ভিত্তিহীন।”



