ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
গুলিতে নিহত টিটন ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, সাজা মাফ করে মুক্তি দেন আসিফ নজরুল
রাজধানীর ব্যস্ত নিউ মার্কেট এলাকায় গতকাল সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে নিউ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় টিটনকে লক্ষ্য করে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
টিটন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার অপরাধ জগতের একটি পরিচিত নাম ছিলেন। ২০০৪ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। বিভিন্ন হত্যা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা
ছিল। ২০১৪ সালে বাবর এলাহী হত্যা মামলায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ৮ তারিখে দায়িত্ব নেয়া ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দায়িত্ব প্রাপ্ত হবার ৪ দিনের মাথায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত টিটনের সাজা মওকুফ করে সসন্মানে মুক্তির ব্যবস্থা করেন। শেখ হাসিনার সরকার পতনের এক সপ্তাহের মধ্যেই ১২ই আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে টিটনের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, টিটনের মুক্তির পর তিনি পুনরায় অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার হত্যাকাণ্ডটি পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এ ধরনের সহিংস ঘটনায় আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
ছিল। ২০১৪ সালে বাবর এলাহী হত্যা মামলায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ৮ তারিখে দায়িত্ব নেয়া ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দায়িত্ব প্রাপ্ত হবার ৪ দিনের মাথায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত টিটনের সাজা মওকুফ করে সসন্মানে মুক্তির ব্যবস্থা করেন। শেখ হাসিনার সরকার পতনের এক সপ্তাহের মধ্যেই ১২ই আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে টিটনের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, টিটনের মুক্তির পর তিনি পুনরায় অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার হত্যাকাণ্ডটি পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এ ধরনের সহিংস ঘটনায় আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।



