ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এআই যুগে বাংলাদেশে শিল্পের রূপান্তর ও শ্রমের ভবিষ্যৎ
মরুর বুকে বিন সালমানের উচ্চাভিলাষী মহাপরিকল্পনা কি ভেস্তে যেতে বসেছে?
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্নীতি কতো, আর ঋণ পরিশোধের দায়ভার কার?
ইউনূসের ‘মার্কিন চুক্তি’ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুতের ভবিষ্যতের পথে
গুলিতে নিহত টিটন ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, সাজা মাফ করে মুক্তি দেন আসিফ নজরুল
‘ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী’
সিন্ডিকেটে বিপর্যস্ত শ্রমরপ্তানি বাজার: দুই মাসে বিদেশগামী কর্মী কমেছে ৪২%
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে সংসদের বিরোধীদল এনসিপির অপতথ্য ও মিথ্যার ফ্লাডিং: জুলাই এর মতো গুজব ছড়িয়ে জনমানুষকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং (Fuel Loading) কার্যক্রম শুরু হতেই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও তার দলীয় নেতা-কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোতে অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্যের বন্যা শুরু হয়েছে। এসব পোস্টে দাবি করা হচ্ছে যে, রূপপুর প্রকল্পটি “পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের উদ্যোগে” শুরু হয়েছিল ১৯৬৩ সালে এবং আওয়ামী লীগ সরকার এই প্রকল্পে ৫ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতি করেছে।
পশ্চিম পাকিস্তানের সরকার প্রস্তাবিত রুপপুর প্রকল্প বাংলাদেশকে বঞ্চিত করে করাচী নিয়ে যাওয়ার তথ্যগুলো এনসিপি’র সম্ভবত পড়া নেই। এনসিপি ডায়াসপোরা এশিয়া, বৈষম্য বিরোধী চট্টগ্রাম এর সোশ্যাল মিডিয়া পেইজ গুলো থেকে একযোগে দেয়া ঐসকল পোস্টের তথ্যকে চ্যালেঞ্জ করে হাজার হাজার মানুষ কমেন্ট করেছে যদিও, কিন্তু সেই
সকল প্রশ্নের বা তথ্যের কোন উত্তর দিচ্ছে না পেইজগুলো। রুপপুর প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলার, যার ৯০% (প্রায় ১১.৩৮ বিলিয়ন ডলার) রাশিয়ার ঋণে অর্থায়িত। বাকি ১০% বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ৫ বিলিয়ন ডলারই “নাই” হয়ে যায়, তাহলে মাত্র ৭.৬৫ বিলিয়ন ডলারে আধুনিক প্রজন্মের (Generation III+) VVER-1200 রিঅ্যাক্টরযুক্ত ২,৪০০ মেগাওয়াটের এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন কীভাবে সম্ভব — এ বিষয়ে এনসিপি-সমর্থক পেজ ও অ্যাকাউন্টগুলোতে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি। এই অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন দেশজুড়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জয়জয়কার চলছে এবং শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসির প্রশংসা হচ্ছে। অনেকে
এটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে “গণহত্যা”র গুজব ছড়িয়ে ছাত্রদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে রাস্তায় নামানোর অভিযোগ উঠেছিল বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে। এখন জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হয়েও এনসিপি একই কৌশলে গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে সমালোচনা উঠেছে। রূপপুর প্রকল্পের ইতিহাস স্পষ্ট: বিস্তারিতঃ পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে ১৯৬৩ সালে পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম প্রস্তাব উঠলেও পশ্চিম পাকিস্তান সরকার ১৯৬৯-৭১ সালে প্রকল্পটি বাতিল করে করাচীকে অগ্রাধিকার দেয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
প্রকল্পটি পুনরুজ্জীবিত করেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে নিয়ে যায়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নিয়ে এ ধরনের অযৌক্তিক ও তথ্যবিহীন অপপ্রচার জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের পরিবর্তে বিভেদ সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে এনসিপির কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।
সকল প্রশ্নের বা তথ্যের কোন উত্তর দিচ্ছে না পেইজগুলো। রুপপুর প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলার, যার ৯০% (প্রায় ১১.৩৮ বিলিয়ন ডলার) রাশিয়ার ঋণে অর্থায়িত। বাকি ১০% বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ৫ বিলিয়ন ডলারই “নাই” হয়ে যায়, তাহলে মাত্র ৭.৬৫ বিলিয়ন ডলারে আধুনিক প্রজন্মের (Generation III+) VVER-1200 রিঅ্যাক্টরযুক্ত ২,৪০০ মেগাওয়াটের এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন কীভাবে সম্ভব — এ বিষয়ে এনসিপি-সমর্থক পেজ ও অ্যাকাউন্টগুলোতে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি। এই অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন দেশজুড়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জয়জয়কার চলছে এবং শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসির প্রশংসা হচ্ছে। অনেকে
এটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে “গণহত্যা”র গুজব ছড়িয়ে ছাত্রদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে রাস্তায় নামানোর অভিযোগ উঠেছিল বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে। এখন জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হয়েও এনসিপি একই কৌশলে গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে সমালোচনা উঠেছে। রূপপুর প্রকল্পের ইতিহাস স্পষ্ট: বিস্তারিতঃ পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে ১৯৬৩ সালে পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম প্রস্তাব উঠলেও পশ্চিম পাকিস্তান সরকার ১৯৬৯-৭১ সালে প্রকল্পটি বাতিল করে করাচীকে অগ্রাধিকার দেয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
প্রকল্পটি পুনরুজ্জীবিত করেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে নিয়ে যায়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নিয়ে এ ধরনের অযৌক্তিক ও তথ্যবিহীন অপপ্রচার জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের পরিবর্তে বিভেদ সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে এনসিপির কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।



